জীবনের তাগিদে সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন এফবি তাহাসিন নামে একটি ফিশিং বোট, ট্রলারে ছিলো ৮ জনের মাঝি মাল্লা। ঘাট থেকে রওনা দেওয়ার ৩০ মিনিট পর ঘটে যাই মর্মান্তিক মুহূর্ত। সাগরের উত্তাল ঢেউ মুহূর্তে শেষ হয়ে যাই স্বপ্ন। ঘটে বড় দূর্ঘটনা।
কক্সবাজারে নাজিরাটেক নামক চ্যানেলে এই দূর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২ জন নিখোঁজ রেয়েছে। বাকি ৪ জন জীবন নিয়ে বেঁচে আছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণে যাওয়া ‘এফবি তাহসিন’ নামের একটি ফিশিং ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ট্রলারে থাকা আট মাঝিমাল্লার মধ্যে চারজনকে জীবিত এবং দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এতে দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী চ্যানেল নাজিরারটেক পয়েন্টের ‘খাড়িরমুখে’ এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই জেলে হলেন- কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ার মৃত মোক্তল হোসেনের ছেলে ফয়েজ আহমদ এবং মেহেরিয়াপাড়ার সোহাগ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- জাগিরাঘোনা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে মহিবুল্লাহ এবং খোন্দকারপাড়া এলাকার মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে নুরুল আলম।
জানা গেছে, দুর্ঘটনাকবলিত ফিশিং ট্রলারের মালিক মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়া এলাকার ফরিদ আলম।
এদিকে বেঁচে ফিরে দুই জেলে জানাই, সাগরে যাওয়ার সময় হঠাৎ দেখা যাই উত্তাল ঢেউ। ঝড়ের কবলে পড়ে বোট দূর্ঘটনা হয়। ট্রলারটি উল্টে যাই। জীবন বাঁচাতে লাফ দিয়ে সাঁতার করে কূলে ফিরে আসে। বাকি ৪ জন কেবিন ঘরে থাকায় বের হতে পারে নাই।
স্থানীয়রা জানান, সাগরে ট্রলারটি দুর্ঘটনার মুখে পড়লে নিখোঁজদের খোঁজে নিকটবর্তী অন্য মাছ ধরার ট্রলারগুলো এগিয়ে আসে। তারা চার জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ফয়েজ ও সাইফুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
তারা আরো বলেন, নিহত পরিবারের পাশে থাকার জন্য সমাজের বিত্তশালী থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাই।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান শেখ কামাল বলেন, ইউনিয়নে এই দূর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদ তার পরিবারে পাশে থাকবো। ভবিষ্যৎ যেই বোট গুলো সাগরে যাবে বৈরী আবহাওয়া দেখে যাওয়ার আহবান জানান।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুস সুলতান বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি, নিখোঁজদের খোঁজে সন্ধান চালানো হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
মহেশখালী প্রতিনিধি: জীবিকার তাগিদে সাগরে মাছ ধরতে রওনা দিয়েছিলেন আট মাঝিমাল্লা। ঘাট ছাড়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই উত্তাল সাগরের ঢেউ কেড়ে নিল দুই জেলের প্রাণ। উল্টে যাওয়া ফিশিং ট্রলারের চারজন প্রাণে বাঁচলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুইজন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলের নাজিরারটেক পয়েন্ট সংলগ্ন ‘খাড়িরমুখ’ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার শিকার ট্রলারটির নাম এফবি তাহসিন। ট্রলারটির মালিক মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়া এলাকার ফরিদ আলম।
নিহতরা হলেন—কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ার মৃত মোক্তল হোসেনের ছেলে ফয়েজ আহমদ এবং মেহেরিয়াপাড়ার সোহাগ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম।
নিখোঁজ রয়েছেন জাগিরাঘোনা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে মহিবুল্লাহ এবং খোন্দকারপাড়া এলাকার মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে নুরুল আলম।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আট মাঝিমাল্লা নিয়ে এফবি তাহসিন মাছ আহরণের উদ্দেশ্যে সাগরের দিকে রওনা দেয়। ঘাট থেকে কিছু দূর যাওয়ার পর নাজিরারটেকের খাড়িরমুখ এলাকায় হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড ঢেউ ও ঝড়ো আবহাওয়ার কবলে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার সময় দুই জেলে ট্রলার থেকে লাফ দিয়ে সাঁতরে তীরে ফিরতে সক্ষম হন। পরে স্থানীয় ও আশপাশের মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা আরও দুইজনসহ মোট চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। তবে ট্রলারের কেবিনে থাকা চারজন বের হতে পারেননি বলে জানান জীবিত ফিরে আসা জেলেরা।
পরে সাগরে তল্লাশি চালিয়ে ভাসমান অবস্থায় ফয়েজ আহমদ ও সাইফুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে মহিবুল্লাহ ও নুরুল আলমের কোনো সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। নিখোঁজদের উদ্ধারে সাগরে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
জীবিত ফিরে আসা জেলেরা জানান, সাগরে যাওয়ার সময় হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ঢেউ ভয়ংকর আকার ধারণ করলে ট্রলারটি উল্টে যায়। প্রাণ বাঁচাতে তারা পানিতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে তীরে ফেরেন।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে কুতুবজোম ইউনিয়নজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। স্থানীয়রা নিহত ও নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামাল বলেন, “এ দুর্ঘটনায় ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করব। ভবিষ্যতে বৈরী আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সাগরের পরিস্থিতি বিবেচনা করে মাছ ধরার নৌযান নিয়ে সমুদ্রে যাওয়ার আহ্বান জানাই।”
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুস সুলতান বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। নিখোঁজদের উদ্ধারে সন্ধান চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাগরনির্ভর জেলে পরিবারগুলোর জীবিকার তাগিদে প্রতিনিয়ত সমুদ্রে পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরের ঝুঁকি তাদের জীবনে কতটা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে, এ দুর্ঘটনা যেন তারই নির্মম উদাহরণ।
আবু হেনা মোঃ আসিফ, মহেশখালী প্রতিনিধি 





















