ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জীবিকার সন্ধানে সাগরে গিয়ে লাশ হলেন দুই জেলে, নিখোঁজ ২ ২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেপাল সরকারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারিতে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুমিল্লায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারিতে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে এই তারিখ নির্ধারণ করেছি।

বৃহস্পতিবার তাবলিগের মাওলানা সাদপন্থিরা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের কারণে এক বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা হয়নি। আজকে দুই অংশের একটি পক্ষকে (মওলানা সাদপন্থি) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে বেশ কিছুদিন আগে জুবায়েরপন্থি হিসেবে যারা পরিচিত তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাদেরও বলেছিলাম আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। আমরা চাই যাতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ না হয়। কারণ এর আগে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এজন্য আমরা বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নেব। যেহেতু আমরা এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেইনি, এর বেশি এই মুহূর্তে আমরা বলতে পারছি না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুবায়েরপন্থিদের দাবি প্রথম পর্ব এবং দ্বিতীয় পর্ব তারা করতে চান। আর সাদপন্থিদের দাবি হচ্ছে রমজানের আগে এবং ওই দুই পর্বের পরে এর মধ্যবর্তী সময়ে এক পর্বে ইজতেমা করা। অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে প্রস্তাবিত এই দুই পর্ব শুরুর আগেই সাদপন্থিরা ইজতেমা করতে চান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়টি ধর্ম অনুসারে ধর্ম মন্ত্রণালয় দেখবে, সেই হিসেবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। এটা ভিসানীতি অনুসারে দেখা হবে। এ বিষয়ে এখন আমরা চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। ভিসানীতি অনুসারে যেভাবে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয় সেভাবে নেবে, তারপরে দেখা যাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ৮ জানুয়ারিতে করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে এই তারিখ নির্ধারণ করেছি।

বৃহস্পতিবার তাবলিগের মাওলানা সাদপন্থিরা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের কারণে এক বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা হয়নি। আজকে দুই অংশের একটি পক্ষকে (মওলানা সাদপন্থি) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে বেশ কিছুদিন আগে জুবায়েরপন্থি হিসেবে যারা পরিচিত তাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তাদেরও বলেছিলাম আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব। সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। আমরা চাই যাতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ না হয়। কারণ এর আগে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এজন্য আমরা বিষয়টি লক্ষ্য রেখে সিদ্ধান্ত নেব। যেহেতু আমরা এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেইনি, এর বেশি এই মুহূর্তে আমরা বলতে পারছি না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুবায়েরপন্থিদের দাবি প্রথম পর্ব এবং দ্বিতীয় পর্ব তারা করতে চান। আর সাদপন্থিদের দাবি হচ্ছে রমজানের আগে এবং ওই দুই পর্বের পরে এর মধ্যবর্তী সময়ে এক পর্বে ইজতেমা করা। অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে প্রস্তাবিত এই দুই পর্ব শুরুর আগেই সাদপন্থিরা ইজতেমা করতে চান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়টি ধর্ম অনুসারে ধর্ম মন্ত্রণালয় দেখবে, সেই হিসেবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে। এটা ভিসানীতি অনুসারে দেখা হবে। এ বিষয়ে এখন আমরা চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। ভিসানীতি অনুসারে যেভাবে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয় সেভাবে নেবে, তারপরে দেখা যাবে।