ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ধানমন্ডির সরকারি জমি নিয়ে জালিয়াতি

নথি সরানোর চক্র খুঁজতে গোয়েন্দা তদন্তের নির্দেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার শতকোটি টাকার একটি সরকারি পরিত্যক্ত বাড়ি ব্যক্তি মালিকানায় করে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ অনিয়ম তুলে ধরে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব’ শিরোনামে একটি শীর্ষ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে জালিয়াতির সত্যতা মেলায় এবার পুরো জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের খুঁজে বের করতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। গত ৩১ আগস্ট তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে এ সুপারিশ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট তথ্য ও নথি অনুযায়ী, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার প্লট নম্বর-২৫২ (পুরাতন) ৭১ (নতুন), রোড নম্বর-২২ (পুরাতন) ১২/এ (নতুন) বাড়িটি মূলত একটি সরকারি পরিত্যক্ত সম্পত্তি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরস্পর যোগসাজশে নিয়ম লঙ্ঘন করে গোপনে এই এক বিঘা জমি ব্যক্তি মালিকানায় দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেন। এমনকি এই জমিটি ধানমন্ডি গৃহায়ণ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও তা বাতিল করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জালিয়াতি চক্রকে খুঁজতে গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ
মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব
দীর্ঘদিন অনুসন্ধান চালিয়ে এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে টনক নড়ে মন্ত্রণালয়ের। সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জমিটি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের গেজেট স্থগিত করার নির্দেশনা দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জালিয়াতি চক্রকে খুঁজতে গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ
সাহায্য নয়, তিনটি দেশের কাছে জলবায়ুজনিত ক্ষতিপূরণ দাবি নেপালের
তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তীতে গত ১৩ এপ্রিল গেজেটটি স্থগিত এবং গত ৩১ আগস্ট চূড়ান্তভাবে বাতিল করে জমিটির মালিকানা ফিরিয়ে নেয় সরকার।

তবে সরকারের এই শতকোটি টাকার জমি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত মূল চক্রের সদস্যদের এখনও আইনের আওতায় আনা হয়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। যারা বিপুল অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে সরকারি জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিখে দিয়েছেন, তাদের কাউকে আইনের আওতায় না আনার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে—এই অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত খোদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই করেছেন। এ কারণেই জালিয়াতি চক্রের প্রকৃত হোতাদের খুঁজে বের করতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি এই জমি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের বিনিময়ে জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা প্রায় ১৯ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছে।

তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের নাম প্রকাশ করা হতে পারে-এমন আঁচ করতে পেরে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু কর্মকর্তা ইতোমধ্যে নিজেদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন।

মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

প্রতিবেদনে সুপারিশ করে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় সংরক্ষিত নথিতে ২০১০ সালের পর গৃহীত কার্যক্রমের নোটাংশ ও পত্রাংশ সরিয়ে ফেলার সঙ্গে জড়িত দুষ্টচক্র সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

এ সুপারিশের আলোকে মন্ত্রণালয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনা শাখা-১-এ সংরক্ষিত ওই প্লটের মূল নথি থেকে ২০১০ সালের পর গৃহীত কার্যক্রমের নোটাংশ ও পত্রাংশ সরিয়ে ফেলার পেছনে জড়িত দুষ্টচক্রকে খুঁজে বের করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্তির গেজেটটি এ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড ও বিজি প্রেস হতে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।

এছাড়াও উক্ত অবমুক্তি সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ, এ মন্ত্রণালয় থেকে অবমুক্তির আদেশ সম্বলিত বিজি প্রেসে প্রেরিত পত্র ও এতদসংযুক্তিসমূহ যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।

একই তারিখে জারিকৃত মন্ত্রণালয়ের অপর এক চিঠিতে সংবাদের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, আলোচ্য জমির গেজেট বাতিল করা হয়েছে, যা যথার্থ এবং তা বলবৎ রাখা যেতে পারে।

এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অধিশাখা-৭ (বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা শাখা-১) তদন্ত কমিটির সুপারিশ মোতাবেক ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার প্লট নম্বর-২৫২ বাড়ির আমমোক্তারনামা গ্রহণের আদেশটি স্থগিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ধানমন্ডির সরকারি জমি নিয়ে জালিয়াতি

নথি সরানোর চক্র খুঁজতে গোয়েন্দা তদন্তের নির্দেশ

আপডেট সময় ১০:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানী ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার শতকোটি টাকার একটি সরকারি পরিত্যক্ত বাড়ি ব্যক্তি মালিকানায় করে দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ অনিয়ম তুলে ধরে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব’ শিরোনামে একটি শীর্ষ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে জালিয়াতির সত্যতা মেলায় এবার পুরো জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের খুঁজে বের করতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। গত ৩১ আগস্ট তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে এ সুপারিশ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট তথ্য ও নথি অনুযায়ী, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার প্লট নম্বর-২৫২ (পুরাতন) ৭১ (নতুন), রোড নম্বর-২২ (পুরাতন) ১২/এ (নতুন) বাড়িটি মূলত একটি সরকারি পরিত্যক্ত সম্পত্তি। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী পরস্পর যোগসাজশে নিয়ম লঙ্ঘন করে গোপনে এই এক বিঘা জমি ব্যক্তি মালিকানায় দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেন। এমনকি এই জমিটি ধানমন্ডি গৃহায়ণ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও তা বাতিল করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জালিয়াতি চক্রকে খুঁজতে গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ
মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব
দীর্ঘদিন অনুসন্ধান চালিয়ে এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে টনক নড়ে মন্ত্রণালয়ের। সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জমিটি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের গেজেট স্থগিত করার নির্দেশনা দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের জালিয়াতি চক্রকে খুঁজতে গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ
সাহায্য নয়, তিনটি দেশের কাছে জলবায়ুজনিত ক্ষতিপূরণ দাবি নেপালের
তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তীতে গত ১৩ এপ্রিল গেজেটটি স্থগিত এবং গত ৩১ আগস্ট চূড়ান্তভাবে বাতিল করে জমিটির মালিকানা ফিরিয়ে নেয় সরকার।

তবে সরকারের এই শতকোটি টাকার জমি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িত মূল চক্রের সদস্যদের এখনও আইনের আওতায় আনা হয়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। যারা বিপুল অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে সরকারি জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিখে দিয়েছেন, তাদের কাউকে আইনের আওতায় না আনার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে—এই অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত খোদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই করেছেন। এ কারণেই জালিয়াতি চক্রের প্রকৃত হোতাদের খুঁজে বের করতে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি এই জমি ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তরের বিনিময়ে জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা প্রায় ১৯ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছে।

তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে এবং তাদের নাম প্রকাশ করা হতে পারে-এমন আঁচ করতে পেরে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত কিছু অসাধু কর্মকর্তা ইতোমধ্যে নিজেদের বর্তমান দায়িত্ব থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে গেছেন।

মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘মন্ত্রণালয়ের উদারতায় শত কোটির জমি গায়েব’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

প্রতিবেদনে সুপারিশ করে বলা হয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় সংরক্ষিত নথিতে ২০১০ সালের পর গৃহীত কার্যক্রমের নোটাংশ ও পত্রাংশ সরিয়ে ফেলার সঙ্গে জড়িত দুষ্টচক্র সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

এ সুপারিশের আলোকে মন্ত্রণালয়ের ভূমি ব্যবস্থাপনা শাখা-১-এ সংরক্ষিত ওই প্লটের মূল নথি থেকে ২০১০ সালের পর গৃহীত কার্যক্রমের নোটাংশ ও পত্রাংশ সরিয়ে ফেলার পেছনে জড়িত দুষ্টচক্রকে খুঁজে বের করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, প্লটটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্তির গেজেটটি এ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড ও বিজি প্রেস হতে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।

এছাড়াও উক্ত অবমুক্তি সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ, এ মন্ত্রণালয় থেকে অবমুক্তির আদেশ সম্বলিত বিজি প্রেসে প্রেরিত পত্র ও এতদসংযুক্তিসমূহ যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।

একই তারিখে জারিকৃত মন্ত্রণালয়ের অপর এক চিঠিতে সংবাদের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, আলোচ্য জমির গেজেট বাতিল করা হয়েছে, যা যথার্থ এবং তা বলবৎ রাখা যেতে পারে।

এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অধিশাখা-৭ (বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা শাখা-১) তদন্ত কমিটির সুপারিশ মোতাবেক ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার প্লট নম্বর-২৫২ বাড়ির আমমোক্তারনামা গ্রহণের আদেশটি স্থগিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।