ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

তীব্র শিক্ষক সংকটে দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

ভোলার ঐতিহ্যবাহী দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে চরম শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের অনুমোদিত ১৭টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ৩ জন শিক্ষক দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জন শিক্ষকের পদের মধ্যে ৩ জন নিয়মিত উপস্থিত থেকে ক্লাস নিচ্ছেন। বাকিদের মধ্যে ১ জন বি.এড প্রশিক্ষণে । প্রধান শিক্ষক রাহিমা আকতার জানান, গত ২০২৪-২০২৫ সালেই পদোন্নতি ও বদলিজনিত কারণে ৮ জন শিক্ষক চলে যান। কিন্তু এরপর আর কোনো নতুন শিক্ষক পদায়ন করা হয়নি।
​এমন চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা ফলাফলে সাফল্য বজায় রেখেছে। সর্বশেষ পরীক্ষায় ১৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে শিক্ষক না থাকায় ফেল করেছে ৬৩ জন শিক্ষার্থী।
​অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষক না থাকায় পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না দিলে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ধসে পড়বে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভোলার জেলা প্রশাসকের কাছে অতি দ্রুত শূন্য পদে নতুন শিক্ষক পদায়নের আকুল আবেদন জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ বছর আউটসোর্সিং টেন্ডারে দেলোয়ারের আধিপত্য

তীব্র শিক্ষক সংকটে দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

আপডেট সময় ১২:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার ঐতিহ্যবাহী দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে চরম শিক্ষক সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের অনুমোদিত ১৭টি পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ৩ জন শিক্ষক দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
​বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ জন শিক্ষকের পদের মধ্যে ৩ জন নিয়মিত উপস্থিত থেকে ক্লাস নিচ্ছেন। বাকিদের মধ্যে ১ জন বি.এড প্রশিক্ষণে । প্রধান শিক্ষক রাহিমা আকতার জানান, গত ২০২৪-২০২৫ সালেই পদোন্নতি ও বদলিজনিত কারণে ৮ জন শিক্ষক চলে যান। কিন্তু এরপর আর কোনো নতুন শিক্ষক পদায়ন করা হয়নি।
​এমন চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা ফলাফলে সাফল্য বজায় রেখেছে। সর্বশেষ পরীক্ষায় ১৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তবে শিক্ষক না থাকায় ফেল করেছে ৬৩ জন শিক্ষার্থী।
​অভিভাবক ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, শিক্ষক না থাকায় পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না দিলে এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ধসে পড়বে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ভোলার জেলা প্রশাসকের কাছে অতি দ্রুত শূন্য পদে নতুন শিক্ষক পদায়নের আকুল আবেদন জানিয়েছেন অভিভাবকরা।