ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

আইনজীবীদের হামলায় শিক্ষার্থীসহ ৭ জন আহতের ঘটনায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবী সমিতিতে একটি সালিশে বিরোধকে কেন্দ্র করে আটকে রেখে আইনজীবীদের হামলায় ৭ জন আহতের ঘটনায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৭ মে বিকেলে একটি সালিসকে কেন্দ্র করে বিরোধের এক পর্যায়ে ইমাম হাসান বারু নামের এক ব্যক্তিকে আটকে মারধর করে আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা। এ সময় বারুর দুই ছেলে ও পরিচিত কয়েকজন তাদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদেরকেও ঘরে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এমনকি উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথেও পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মারধর করে উল্টো আইনজীবীরাই মামলা করে। গত প্রায় আড়াই মাস ধরে তারা কারাগারে থাকলেও জামিনে বাধা দিচ্ছে আইনজীবীরা। অথচ তাদের মধ্যে নবম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছে। আর তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাঙ্গাইলে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ

আইনজীবীদের হামলায় শিক্ষার্থীসহ ৭ জন আহতের ঘটনায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন 

আপডেট সময় ১২:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবী সমিতিতে একটি সালিশে বিরোধকে কেন্দ্র করে আটকে রেখে আইনজীবীদের হামলায় ৭ জন আহতের ঘটনায় বিচারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৭ মে বিকেলে একটি সালিসকে কেন্দ্র করে বিরোধের এক পর্যায়ে ইমাম হাসান বারু নামের এক ব্যক্তিকে আটকে মারধর করে আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা। এ সময় বারুর দুই ছেলে ও পরিচিত কয়েকজন তাদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদেরকেও ঘরে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এমনকি উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথেও পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মারধর করে উল্টো আইনজীবীরাই মামলা করে। গত প্রায় আড়াই মাস ধরে তারা কারাগারে থাকলেও জামিনে বাধা দিচ্ছে আইনজীবীরা। অথচ তাদের মধ্যে নবম শ্রেণী পড়ুয়া এক ছাত্রসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছে। আর তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী।