ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী “পীরগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ: কলেজ-মসজিদের রাস্তা বন্ধ, এলাকায় উত্তেজনা” পদ্মা নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিএফআইইউয়ের প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর কাছে থাকা সম্পদের মধ্যে দেশের মধ্যে জব্দ করা হয়েছে ৫৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিদেশে জব্দ করা হয়েছে।

তবে কার কত সম্পদ জব্দ করা হয়েছে, সেই তথ্য আলাদা করে জানাতে চাননি তিনি।
তিনি বলেন, দেশ থেকে যে সম্পদ চুরি হয়ে গেছে, তা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, এ বছরের শেষে সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে সুখবর দিতে পারব।

ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি ভারতে চলে যান। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, মুদ্রা পাচার, কর ও শুল্ক ফাঁকি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়।

তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

আজকের বিএফআইইউয়ের অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জানতে চান, দেশে কোনো সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলেই তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান হয়, সম্পদ জব্দ হয়। এটি কেন? আর অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বিষয়েও তদন্ত করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাব দেন বিএফআইইউয়ের প্রধান।

বিএফআইইউয়ের প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, আমরা কাজ করার ক্ষেত্রে দলমত ও ব্যক্তির দিকে তাকাব না। আমরা দেখব কাজের দিকে। সন্দেহজনক লেনদেন হলেই ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। সন্দেহজনক লেনদেন যিনি করে থাকেন না কেন, এখানে সেই ব্যক্তির পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কেউ করে থাকলে, সেটাও সামনে আসবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান!

শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

আপডেট সময় ০৭:০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার এবং ১০ শিল্পগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউয়ের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিএফআইইউয়ের প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন এ তথ্য জানান।

অনুষ্ঠানে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর কাছে থাকা সম্পদের মধ্যে দেশের মধ্যে জব্দ করা হয়েছে ৫৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বিদেশে জব্দ করা হয়েছে।

তবে কার কত সম্পদ জব্দ করা হয়েছে, সেই তথ্য আলাদা করে জানাতে চাননি তিনি।
তিনি বলেন, দেশ থেকে যে সম্পদ চুরি হয়ে গেছে, তা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, এ বছরের শেষে সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে সুখবর দিতে পারব।

ছাত্র-জনতার গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি ভারতে চলে যান। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০ শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, মুদ্রা পাচার, কর ও শুল্ক ফাঁকি এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়।

তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

আজকের বিএফআইইউয়ের অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক জানতে চান, দেশে কোনো সরকার ক্ষমতা থেকে চলে গেলেই তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান হয়, সম্পদ জব্দ হয়। এটি কেন? আর অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের বিষয়েও তদন্ত করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাব দেন বিএফআইইউয়ের প্রধান।

বিএফআইইউয়ের প্রধান ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ মামুন বলেন, আমরা কাজ করার ক্ষেত্রে দলমত ও ব্যক্তির দিকে তাকাব না। আমরা দেখব কাজের দিকে। সন্দেহজনক লেনদেন হলেই ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। সন্দেহজনক লেনদেন যিনি করে থাকেন না কেন, এখানে সেই ব্যক্তির পরিচয় আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কেউ করে থাকলে, সেটাও সামনে আসবে।