ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অস্তিত্বহীন অফিসে গণপূর্তের ৩১১ কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে উঠেছে অভিযোগ আমানতকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর মিসরের বিপক্ষে জয়ের পর কেন কেঁদেছিলেন মেসি? নিজ দলের কর্মীদের পেটালেন মমতা পোষা পাখি মরে যাওয়ায় কান্না, শাসন করায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত বড় ভাই মির্জাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁ’জা গাছ ও ই’য়া’বা উদ্ধার চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাথে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টাঙ্গাইলে ‘সবুজ পৃথিবী’র ঔষধি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য বিনামূল্যে থাকবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মিসরের বিপক্ষে জয়ের পর কেন কেঁদেছিলেন মেসি?

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৩২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ বাঁশি বাজার পর আনন্দের মাঝেও কান্নায় ভেঙে পড়েন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। পরে তিনি জানান, সেটি ছিল আনন্দের চেয়ে বেশি স্বস্তির অশ্রু।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মেসির নেওয়া একটি পেনাল্টিও দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবি। একসময় মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে আর্জেন্টিনাকে, আর শেষ হয়ে যাচ্ছে ৩৯ বছর বয়সী মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ-যাত্রাও।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে লিওনেল স্কালোনির দল। ৭৯তম মিনিটে মেসির ক্রস থেকে গোল করেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। চার মিনিট পর নিজেই সমতাসূচক গোল করেন মেসি। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এঞ্জো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করলে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত মেসি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি ছিল এক ধরনের মুক্তি। সবার জন্যই এটি ছিল স্বস্তির মুহূর্ত। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা খুবই কঠিন ও হতাশার ছিল।’

তিনি বলেন, ‘এভাবে ২-০ পিছিয়ে থেকে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা সহজ নয়। এই বিশ্বকাপে কোনো দল কাউকে সহজে ছাড় দিচ্ছে না। তাই এই প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার।’

কান্নার কারণ ব্যাখ্যা করে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘এটি ছিল খাঁটি আনন্দ আর স্বস্তির মুহূর্ত। আমরা বিশ্বকাপে থাকতে চেয়েছিলাম। আমরা চাইনি আজই সব শেষ হয়ে যাক, আমরা বাড়ি ফিরতে চাইনি।’

ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে রোমেরোর গোলের কথা উল্লেখ করেন মেসি। তাঁর ভাষায়, ‘রোমেরোর গোলটাই আমাদের বিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়। তখনই মনে হয়েছিল, আমরা ম্যাচে ফিরতে পারব। এরপর সমতা ফেরাই এবং শেষ পর্যন্ত জয়ও পাই।’

এই ম্যাচে গোল করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের অষ্টম এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২১তম গোলের দেখা পান মেসি। একই সঙ্গে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যান তিনি। নাটকীয় এই জয়ের সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্তিত্বহীন অফিসে গণপূর্তের ৩১১ কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে উঠেছে অভিযোগ

মিসরের বিপক্ষে জয়ের পর কেন কেঁদেছিলেন মেসি?

আপডেট সময় ০৯:৩২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তবে শেষ বাঁশি বাজার পর আনন্দের মাঝেও কান্নায় ভেঙে পড়েন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। পরে তিনি জানান, সেটি ছিল আনন্দের চেয়ে বেশি স্বস্তির অশ্রু।

আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মেসির নেওয়া একটি পেনাল্টিও দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবি। একসময় মনে হচ্ছিল, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে আর্জেন্টিনাকে, আর শেষ হয়ে যাচ্ছে ৩৯ বছর বয়সী মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ-যাত্রাও।

কিন্তু শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে লিওনেল স্কালোনির দল। ৭৯তম মিনিটে মেসির ক্রস থেকে গোল করেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। চার মিনিট পর নিজেই সমতাসূচক গোল করেন মেসি। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এঞ্জো ফার্নান্দেজ জয়সূচক গোল করলে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত মেসি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি ছিল এক ধরনের মুক্তি। সবার জন্যই এটি ছিল স্বস্তির মুহূর্ত। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা খুবই কঠিন ও হতাশার ছিল।’

তিনি বলেন, ‘এভাবে ২-০ পিছিয়ে থেকে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা সহজ নয়। এই বিশ্বকাপে কোনো দল কাউকে সহজে ছাড় দিচ্ছে না। তাই এই প্রত্যাবর্তন আমাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার।’

কান্নার কারণ ব্যাখ্যা করে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘এটি ছিল খাঁটি আনন্দ আর স্বস্তির মুহূর্ত। আমরা বিশ্বকাপে থাকতে চেয়েছিলাম। আমরা চাইনি আজই সব শেষ হয়ে যাক, আমরা বাড়ি ফিরতে চাইনি।’

ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত হিসেবে রোমেরোর গোলের কথা উল্লেখ করেন মেসি। তাঁর ভাষায়, ‘রোমেরোর গোলটাই আমাদের বিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়। তখনই মনে হয়েছিল, আমরা ম্যাচে ফিরতে পারব। এরপর সমতা ফেরাই এবং শেষ পর্যন্ত জয়ও পাই।’

এই ম্যাচে গোল করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের অষ্টম এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে ২১তম গোলের দেখা পান মেসি। একই সঙ্গে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও আরও শক্ত অবস্থানে পৌঁছে যান তিনি। নাটকীয় এই জয়ের সুবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।