সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

নেসকো’র নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ

নেসকো’র নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচি । বরাজশাহী ভিত্তিক বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি (নেসকো)-এর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন) আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার কারসাজি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগগুলোর তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব এ. জে. এম. এরশাদ আহসান হাবিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা এক অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নেসকোতে চলমান বিভিন্ন নিয়োগ ও বদলি কার্যক্রমে অনিয়মের মাধ্যমে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অর্থ লেনদেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং প্রভাব খাটিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, লিখিত পরীক্ষার মাত্র এক দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করে ২১৭ জনকে ভাইভার জন্য ডাকা হয়, যা নিয়ে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি প্রায় ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার চুক্তি করা হয়েছে।

এছাড়াও বদলি বাণিজ্য, পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা এবং অপছন্দের কর্মকর্তাদের দূরবর্তী এলাকায় বদলির অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, উৎকোচের বিনিময়ে পদায়ন ও বদলির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চালিয়ে আসছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজ নিয়মিত দরপত্র ছাড়াই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার ঘনিষ্ঠজনদের ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে।



এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বলা হয়, রাজশাহীতে বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট ও জমিসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহ। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্প ও উন্নয়ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে এসব সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চলমান সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

নেসকো’র নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

নেসকো’র নির্বাহী পরিচালকের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচি । বরাজশাহী ভিত্তিক বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি পিএলসি (নেসকো)-এর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন) আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার কারসাজি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগগুলোর তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব এ. জে. এম. এরশাদ আহসান হাবিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা এক অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নেসকোতে চলমান বিভিন্ন নিয়োগ ও বদলি কার্যক্রমে অনিয়মের মাধ্যমে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অর্থ লেনদেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং প্রভাব খাটিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, লিখিত পরীক্ষার মাত্র এক দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করে ২১৭ জনকে ভাইভার জন্য ডাকা হয়, যা নিয়ে নিয়োগপ্রত্যাশীদের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি প্রায় ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার চুক্তি করা হয়েছে।

এছাড়াও বদলি বাণিজ্য, পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা এবং অপছন্দের কর্মকর্তাদের দূরবর্তী এলাকায় বদলির অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, উৎকোচের বিনিময়ে পদায়ন ও বদলির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম চালিয়ে আসছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা।

টেন্ডার অনিয়মের অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজ নিয়মিত দরপত্র ছাড়াই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার ঘনিষ্ঠজনদের ব্যবহার করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে।



এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বলা হয়, রাজশাহীতে বহুতল ভবন, ফ্ল্যাট ও জমিসহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহ। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্প ও উন্নয়ন খাত থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে এসব সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চলমান সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে আবু হায়াত মোঃ রহমতুল্লাহর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।