সংবাদ শিরোনাম ::
আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী কুলির চরিত্রে পর্দায় ফিরছেন ওমর সানী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে উসকানির আভাস পাচ্ছি : রিজভী গ্যালারিতে বসে দেশসেরা খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন কমিশন গঠন সভা অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন

ভোলা সদর উপজেলা পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে টিআর কাবিটার তথ্য নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ 

ভোলা সদর উপজেলায় টিআর (টিন/টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা, কাবিটা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য/নগদ টাকা) প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য লুকানো ও তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
ভোলা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান এর বিরুদ্ধে টিআর কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম ও তথ্য লুকানোর অভিযোগ উঠে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার কাছে বাস্তবায়নাধীন, বাস্তবায়ন হয়েছে এমন টিআর, কাবিখা ও কাবিটার তালিকা চাইলে তিনি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। উল্লেখিত টিআর কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের কার্যক্রম এর তালিকা প্রকল্প ওয়েবসাইটে দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা প্রকাশ করেননি।
অভিযোগ উঠেছে, ধনিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মিলবাজার থেকে ব্যাপারী বাড়ির দরজার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মেরামত জন্য অফিসিয়ালি কাগজ-কলমে বরাদ্দ হলেও বাস্তবে এরকম কোন চিত্র দেখা যায়নি সরজমিনে।
পশ্চিম চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানে ০.৫০০ মে.টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরজমিন ঘুরে প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাহেবের চর হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসা নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানে সরকারের বরাদ্দকৃত খেজুর বরাদ্দ দেওয়া জন্য একটি আবেদন দেখা যায়।
এসব অনিয়ম যাচাই করতে ভোলা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান এর কাছে ২০২৪/২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের টিআর ও কাবিখা এবং কাবিটা প্রকল্পের তথ্য চাইতে গেলে তিনি লুকোচুরি করেন। ৭ দিন তথ্যের জন্য প্রকল্প অফিসে গেলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে তথ্য সরবরাহ করতে গড়িমসি করেন। নিয়ম অনুযায়ী ওয়েবসাইটে এ সকল তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা তিনি দেয়নি। কিন্তু গত ২ সপ্তাহে অনলাইনে তালিকা পাওয়া যায়নি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বের উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রের যে কোন তথ্য জনগণকে জানানো তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। উন্নয়নমূলক কোন কাজের তথ্য গোপন করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য গোপন করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে তার ভিতরে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি না হলে তথ্য গোপন করার কোন প্রয়োজনীয়তাই নেই। ভোলার সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তার ভেতরে নিশ্চয়ই কোন দুর্নীতি আছে‌, এজন্য সে এই তথ্যগুলো গোপন করতে চায়। যে সকল সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক তথ্য জনগণকে জানাতে অস্বীকৃতি জানায় তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।
তথ্য না দেওয়ার বিষয়টি ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান কে অবহিত করলে, তিনি তৎক্ষণাৎ মুঠোফোনে প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে টিয়ার কাবিখা ও কাবিটার তালিকা সাংবাদিকদের কে দেওয়ার জন্য বলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা বলার পরেও প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান তালিকা দেয়নি। বরং আজকাল করে দুই সপ্তাহ কালক্ষেপণ করেন।
উল্লেখ্য আওয়ামী সরকারের আমলে পিআইও জিয়াউর রহমান এর সাবেক কর্মস্থল বরগুনা সদর উপজেলায়
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে জন্য গেলে অপরাধ বিচিত্রার মফস্বল সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম কে তথ্য না দিয়ে উল্টো ঐ সাংবাদিককে হেনস্তা করে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকবাদী হয়ে ইতিমধ্যেই পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বরগুনা ঠিকাদার মনিরুজ্জামান মনির তখন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন,  পিআইও জিয়াউর রহমান আমার কাছ থেকে ৪২ লাখ টাকা নিয়েছে। এরমধ্যে ৮ লাখ টাকা চেকের মাধ্যমে দিয়েছি। সাংবাদিকদের নাম ভাঙিয়েও টাকা নিয়েছে তারা। এবার আমিও তার বিরুদ্ধে মামলা করবো।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চালু হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

ভোলা সদর উপজেলা পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে টিআর কাবিটার তথ্য নিয়ে লুকোচুরির অভিযোগ 

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
ভোলা সদর উপজেলায় টিআর (টিন/টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা, কাবিটা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য/নগদ টাকা) প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে তথ্য লুকানো ও তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
ভোলা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান এর বিরুদ্ধে টিআর কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম ও তথ্য লুকানোর অভিযোগ উঠে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার কাছে বাস্তবায়নাধীন, বাস্তবায়ন হয়েছে এমন টিআর, কাবিখা ও কাবিটার তালিকা চাইলে তিনি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। উল্লেখিত টিআর কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের কার্যক্রম এর তালিকা প্রকল্প ওয়েবসাইটে দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা প্রকাশ করেননি।
অভিযোগ উঠেছে, ধনিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মিলবাজার থেকে ব্যাপারী বাড়ির দরজার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মেরামত জন্য অফিসিয়ালি কাগজ-কলমে বরাদ্দ হলেও বাস্তবে এরকম কোন চিত্র দেখা যায়নি সরজমিনে।
পশ্চিম চরসামাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানে ০.৫০০ মে.টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরজমিন ঘুরে প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সাহেবের চর হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসা নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানে সরকারের বরাদ্দকৃত খেজুর বরাদ্দ দেওয়া জন্য একটি আবেদন দেখা যায়।
এসব অনিয়ম যাচাই করতে ভোলা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান এর কাছে ২০২৪/২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের টিআর ও কাবিখা এবং কাবিটা প্রকল্পের তথ্য চাইতে গেলে তিনি লুকোচুরি করেন। ৭ দিন তথ্যের জন্য প্রকল্প অফিসে গেলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে তথ্য সরবরাহ করতে গড়িমসি করেন। নিয়ম অনুযায়ী ওয়েবসাইটে এ সকল তথ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা তিনি দেয়নি। কিন্তু গত ২ সপ্তাহে অনলাইনে তালিকা পাওয়া যায়নি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর ভোলা জেলা সভাপতি মোবাশ্বের উল্লাহ চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রের যে কোন তথ্য জনগণকে জানানো তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। উন্নয়নমূলক কোন কাজের তথ্য গোপন করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য গোপন করতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে তার ভিতরে দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি না হলে তথ্য গোপন করার কোন প্রয়োজনীয়তাই নেই। ভোলার সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তার ভেতরে নিশ্চয়ই কোন দুর্নীতি আছে‌, এজন্য সে এই তথ্যগুলো গোপন করতে চায়। যে সকল সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক তথ্য জনগণকে জানাতে অস্বীকৃতি জানায় তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।
তথ্য না দেওয়ার বিষয়টি ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান কে অবহিত করলে, তিনি তৎক্ষণাৎ মুঠোফোনে প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে টিয়ার কাবিখা ও কাবিটার তালিকা সাংবাদিকদের কে দেওয়ার জন্য বলেন। নির্বাহী কর্মকর্তা বলার পরেও প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান তালিকা দেয়নি। বরং আজকাল করে দুই সপ্তাহ কালক্ষেপণ করেন।
উল্লেখ্য আওয়ামী সরকারের আমলে পিআইও জিয়াউর রহমান এর সাবেক কর্মস্থল বরগুনা সদর উপজেলায়
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে জন্য গেলে অপরাধ বিচিত্রার মফস্বল সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম কে তথ্য না দিয়ে উল্টো ঐ সাংবাদিককে হেনস্তা করে। ভুক্তভোগী সাংবাদিকবাদী হয়ে ইতিমধ্যেই পিআইও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
বরগুনা ঠিকাদার মনিরুজ্জামান মনির তখন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন,  পিআইও জিয়াউর রহমান আমার কাছ থেকে ৪২ লাখ টাকা নিয়েছে। এরমধ্যে ৮ লাখ টাকা চেকের মাধ্যমে দিয়েছি। সাংবাদিকদের নাম ভাঙিয়েও টাকা নিয়েছে তারা। এবার আমিও তার বিরুদ্ধে মামলা করবো।