ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্বাধীনবাংলা সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলী ঘোষণা (২০২৭–২০২৮) সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সমন্বিত মানবিক সহায়তা কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত কলেজ শিক্ষকের কাছে ডাকযোগে কাফনের কাপড়, তদন্তে পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জের আতাহারে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’: বছরে দুবার ফলন ও রপ্তানির স্বপ্নে বিভোর পলাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াত সহ ১১ দলীয় জোটের  বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের আয়-ব্যয়ের হিসেব দিলেন প্রশাসক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের কিং কোবরা সাপ উদ্ধার বয়সভিত্তিক দলে বিদেশি কোচ ও বিদেশে প্রস্তুতি ম্যাচের পরিকল্পনা

ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর এবং দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিল ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। ১২ এপ্রিল দুটি অভিযোগ জমা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে অবৈধভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী শাসন আমলে তিনি মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে এ পদোন্নতি গ্রহণ করেন।
নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার চাকরির অভিজ্ঞতা ৭ বছরেরও কম ছিল।
এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে করে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন—
১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,
২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,
৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ময়মনসিংহের ডিডি হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন সব ঘটনা বলবে সচিব স্যার। তিনি সবই জানেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭৫ কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে চসিক

ময়মনসিংহে উপপরিচালক হারুনের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ১০:৫০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর এবং দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিল ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। ১২ এপ্রিল দুটি অভিযোগ জমা হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে অবৈধভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আওয়ামী শাসন আমলে তিনি মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে এ পদোন্নতি গ্রহণ করেন।
নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার চাকরির অভিজ্ঞতা ৭ বছরেরও কম ছিল।
এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে করে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন—
১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,
২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,
৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ময়মনসিংহের ডিডি হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন সব ঘটনা বলবে সচিব স্যার। তিনি সবই জানেন।