ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার : মন্ত্রী বছরে রাষ্ট্রের ক্ষতি শতকোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই, তারা আস্থা অর্জনে ব্যর্থ কোটালীপাড়ায় হামের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জনগণ আতঙ্কে  তুলে ধরা হলো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আয়-ব্যয় ও উন্নয়ন অগ্রগতি কীর্তনখোলায় ফুল ভাসিয়ে ববি’র চাকমা শিক্ষার্থীদের ‘ফুল বিজু’ উদযাপন এবার আ.লীগপন্থী দুই শিক্ষকের দখলে থাকছে বেরোবির বইমেলার দায়িত্ব ২০ দিনের ছুটি নিয়ে তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালক সিসি ক্যামেরায় ৫ লাখ টাকার ঘুষ গ্রহণের দৃশ্য, ঢাকায় কোটি টাকার ফ্ল্যাট সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা মডেল থানায় জিডি

এবার আ.লীগপন্থী দুই শিক্ষকের দখলে থাকছে বেরোবির বইমেলার দায়িত্ব

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বারের মতো আয়োজিতো বই মেলার দায়িত্বও দেয়া হয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীলদলের দুই সদস্যকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আগামী ১২ এপ্রিল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে চার দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, চৈত্র সংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখ ও শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা আয়োজক কমিটির আব্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও জনসংযোগ পরিচালক মো. মাসুদ রানা।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. মাসুদ রানা নীল দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এছাড়াও তিনি নীল দলের প্যানেল থেকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন । সর্বশেষ ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় অংশগ্রহণ করে আলোচনায় আসেন।
এছাড়া সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় নীল দলের আরেক সদস্য রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন আল রশিদকে।
হারুন আল রশিদ বর্তমান নীল দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া নীল দলের প্যানেল থেকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষও নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিরও সদস্য ছিলেন ।
জানা যায়, গত বছরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নীল দলের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি ড.আপেল মাহমুদকেও এ দায়িত্ব দিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বারবার একই ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার : মন্ত্রী

এবার আ.লীগপন্থী দুই শিক্ষকের দখলে থাকছে বেরোবির বইমেলার দায়িত্ব

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বারের মতো আয়োজিতো বই মেলার দায়িত্বও দেয়া হয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীলদলের দুই সদস্যকে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আগামী ১২ এপ্রিল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে চার দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, চৈত্র সংক্রান্তি, পহেলা বৈশাখ ও শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা আয়োজক কমিটির আব্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও জনসংযোগ পরিচালক মো. মাসুদ রানা।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া মো. মাসুদ রানা নীল দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এছাড়াও তিনি নীল দলের প্যানেল থেকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন । সর্বশেষ ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় অংশগ্রহণ করে আলোচনায় আসেন।
এছাড়া সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় নীল দলের আরেক সদস্য রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন আল রশিদকে।
হারুন আল রশিদ বর্তমান নীল দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া নীল দলের প্যানেল থেকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষও নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিরও সদস্য ছিলেন ।
জানা যায়, গত বছরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নীল দলের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি ড.আপেল মাহমুদকেও এ দায়িত্ব দিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বারবার একই ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।
এসব বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।