সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী আড়াল ভেঙে ফিরছেন বুবলী মাদক কারবারিদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এলাকাবাসী ‘আমার সঙ্গী তো আর্জেন্টিনারই’ স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে রোনালদোর রসিকতা জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৬ শতাংশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৩ গ্রামের সংঘর্ষ খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

মিঠাপুকুরে এবতেদায়ী মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণচেষ্টার অভিযোগ 

রংপুরের মিঠাপুকুরে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের
ঘর নির্মাণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের গিলাঝুঁকি গ্রামে ৫৮ শতক জমির ওপর গিলাঝুকি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসাটি ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি অনুদানভুক্ত হয়। সেই থেকে খুঁড়ে খুঁড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। গত বছর (২০২৫ সালে) এবতেদায়ী মাদ্রাসা লাগোয়া একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা স্থাপিত হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী আবুল কালাম আজাদ, রিপুল মিয়া, আমিনুর রহমান ও বুলু মিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার জায়গা দখল করে হাফিজিয়া মাদ্রাসার ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ লক্ষে তাঁরা শ্রমিক দিয়ে মাদ্রাসার জায়গায় খোঁড়াখোঁড়ির কাজ শুরু করেছেন। ঘর নির্মাণের জন্য ইট,বালুসহ নির্মাণ সামগ্রী মাদ্রাসার মাঠে নিয়ে এসেছেন। তাঁদের অবৈধ দখল চেষ্টায় বাধা দিলে প্রভাবশালীরা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছেন। স্থানীয় তহিদুল ইসলাম, আলমগীর মিয়া ও পলাশ মিয়া বলেন, ‘মাদ্রাসার পাশেই তারা (দখলদাররা) একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা করেছেন- ভালো কথা। কিন্তু, মাদ্রাসার জমিতে কেনো অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘর তুলতে হবে?এটা তারা ঠিক করছেননা। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’ গিলাঝুকি এবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আকমল হোসেন ও সহকারী সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল আলম বাবুল বলেন,দখলদার ব্যক্তিরা একপাল্লাভুক্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা জোর করে আমাদের মাদ্রাসার জমি দখল করতে চাচ্ছে। বাধা দিলে আমাদের সাথে মারমুখি আচরণ করে, হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।’
অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ,রিপুল মিয়া, ‘আমিনুর রহমান ও বুলু মিয়া বলেন,এবতেদায়ী মাদ্রাসায় পড়ালেখা হয়না। তাই,হাফিজিয়া মাদ্রাসার জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে,প্রশাসনের নির্দেশে এখন নির্মাণকাজ বন্ধ আছে।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখল করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে ঘর তোলা অন্যায়। গিলাঝুকি স্বতন্ত্র মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি।’
মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ‘
Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

মিঠাপুকুরে এবতেদায়ী মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণচেষ্টার অভিযোগ 

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুরে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের
ঘর নির্মাণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের গিলাঝুঁকি গ্রামে ৫৮ শতক জমির ওপর গিলাঝুকি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসাটি ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি অনুদানভুক্ত হয়। সেই থেকে খুঁড়ে খুঁড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। গত বছর (২০২৫ সালে) এবতেদায়ী মাদ্রাসা লাগোয়া একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা স্থাপিত হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী আবুল কালাম আজাদ, রিপুল মিয়া, আমিনুর রহমান ও বুলু মিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার জায়গা দখল করে হাফিজিয়া মাদ্রাসার ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ লক্ষে তাঁরা শ্রমিক দিয়ে মাদ্রাসার জায়গায় খোঁড়াখোঁড়ির কাজ শুরু করেছেন। ঘর নির্মাণের জন্য ইট,বালুসহ নির্মাণ সামগ্রী মাদ্রাসার মাঠে নিয়ে এসেছেন। তাঁদের অবৈধ দখল চেষ্টায় বাধা দিলে প্রভাবশালীরা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে খারাপ আচরণ করেছেন। তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছেন। স্থানীয় তহিদুল ইসলাম, আলমগীর মিয়া ও পলাশ মিয়া বলেন, ‘মাদ্রাসার পাশেই তারা (দখলদাররা) একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা করেছেন- ভালো কথা। কিন্তু, মাদ্রাসার জমিতে কেনো অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘর তুলতে হবে?এটা তারা ঠিক করছেননা। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।’ গিলাঝুকি এবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. আকমল হোসেন ও সহকারী সহকারী শিক্ষক মঞ্জুরুল আলম বাবুল বলেন,দখলদার ব্যক্তিরা একপাল্লাভুক্ত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। তারা জোর করে আমাদের মাদ্রাসার জমি দখল করতে চাচ্ছে। বাধা দিলে আমাদের সাথে মারমুখি আচরণ করে, হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।’
অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ,রিপুল মিয়া, ‘আমিনুর রহমান ও বুলু মিয়া বলেন,এবতেদায়ী মাদ্রাসায় পড়ালেখা হয়না। তাই,হাফিজিয়া মাদ্রাসার জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে,প্রশাসনের নির্দেশে এখন নির্মাণকাজ বন্ধ আছে।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিক জামান বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি দখল করে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে ঘর তোলা অন্যায়। গিলাঝুকি স্বতন্ত্র মাদ্রাসার জমিতে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি।’
মিঠাপুকুর থানার ওসি নুরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ‘