ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে জোরপূর্বক নির্মাণ করা ঘর জবরদখলের অভিযোগ উঠে আপন মামার বিরুদ্ধে। এই নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
অভিযোগকারী আকতার জানান, আমার মায়ের আপন ছোট ভাই, আমার সম্পর্কে মামা হন। তিনি কোথাও থাকার জায়গা নাই বলে, আমার মা তাকে দীর্ঘদিন আমাদের ঘরে থাকতে দেয়। এইভাবে থাকার পর আমার মা আমাদের বাড়ীতে নির্মাণ করা একটি ঘর ছিলো, তাকে ও তার স্ত্রীকে ওই ঘরে থাকতে দেন। শর্ত ছিলো ৫ বছর পর আমাদের ঘরটি ছেড়ে অন্যথায় চলে যাবেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও মামা এখনো জায়গা ছেড়ে না দিয়ে উল্টো ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জায়গাটি জবরদখল করে রেখেছেন। ঘরটি খালি করার জন্য বললে আমার বাবার কাছ থেকে জমি ক্রয় করছেন বলে দাবি করেন।
এমনকি এই বিষয় কোন প্রকার কথা বললে মামলা দেওয়ার হুমকি দেন। স্হানীয় ভাবে সালিশিতে বসলে, আমার বাবা তার কাছে ঘরটি বিক্রয় করেছে এমন কোন ডকুমেন্ট তিনি দেখাতে পারেনি। কোন ধরনের সালিশ বিচারের তোয়াক্কাও তিনি করেননা। আমাদের ঘরটি তাকে খালি করতে বললে, উল্টো তিনি মারধর করতে আসেন। এই পর্যন্ত আমার পরিবারের নামে ৭/৮ টি মামলা করেন। থানা থেকে তদন্ত এসে স্হানীয় মানুষদের জিজ্ঞেস করে, একটা মামলাও টিকেনাই। কেউ সত্য কথা বললে তাকে মিথ্যা মামলা দিবে বলে হুমকি দেন। আমরা কার কাছে বিচার চাইবো? ভুক্তভোগী পরিবার স্হানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলামের কাছে উপরোক্ত বিষয় জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি তার বোনের জামাইয়ের কাছ থেকে উক্ত জমি ক্রয় করেছেন। তবে এখনো তাকে কোনো বৈধ দলিল প্রদান করা হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ৩ লাখ টাকার মতো নেন। আমার টাকা আমাকে এখন ফেরত দিয়ে দেউক, আমি এখনই ঘর ছেড়ে চলে যাবো।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা সংক্রান্ত এ বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে। ঘটনাটি দ্রুত নিরসন না হল যে কোন সময় তাদের উভয় মধ্যে খুন খারাপির মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
ভোলা প্রতিনিধি। 






















