ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেসি বনাম সালাহ: লড়াই নাকি অসহায় আত্মসমর্পণ? ট্রাম্পকে ব্যঙ্গ করে মাঠেই নাচ বেলজিয়াম ফুটবলারদের পানির নিচে রেললাইন, আটকে আছে কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে রামেবির জাওয়াদুল হক শ্বেতহস্তী কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে অপচয় ও অনিয়মের অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জে অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন বিতরণ অতিবৃষ্টিতে সড়কে উপড়ে পড়া গাছ অপসারণে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির দায়ে জরিমানা গুনল আগোরা এমবাপেকে বর্ণবাদী আক্রমণ প্যারাগুয়ে সিনেটরের, আইনি ব্যবস্থা নেবে ফ্রান্স সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

পীরগঞ্জে সেচযন্ত্রের ঝামেলা মেটাতে ইউএনও আবারও তদন্তের পদক্ষেপ!

রংপুরের পীরগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কতৃক ভূগর্ভস্থ পানির সেচযন্ত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা না নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবারও তদন্ত করার নির্দেশ দিয়ে বিবাদীর পক্ষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের ঘোষপুর গ্রামে পানি ব্যবস্থাপনা বিধি উপেক্ষা করে কমান্ডিং এরিয়ায় দুটি সেচযন্ত্র স্থাপন করায় অভিযোগ করা হয়েছিল। গত ১০ বছর ধরে ঘটনাটির বিবাদী এভাবেই তদন্ত কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অধীনে পীরগঞ্জের শানেরহাট ইউনিয়নের রাউৎপাড়া গ্রামের ফজলুল বারী মন্ডল ২০১৪ সালে একটি গভীর নলকূপের লাইসেন্স (লাইসেন্স নং ১৪৭, দাগ নং- ২২১৯) গ্রহণ করেন। এরপর তারই কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে পার্শ্ববর্তী ঘোষপুরের মনোয়ার হোসেন মন্ডল তথ্য গোপন করে বিএডিসি থেকে একটি গভীর নলকুপের লাইসেন্স (নং -৭৫৩, দাগ নং ২১৮৫) নেন। ওই লাইসেন্সের অধীনে মনোয়ার হোসেন আরও একটি নলকুপ দিয়ে সেচ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ফজলুল হক মন্ডলের নলকুপের পাশে তার নলকুপটি স্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পৃথক দুটি বিদ্যুৎ এর মিটার (হিসাব নং ৩৭০/১৪২২ এবং ৩৭০/৭০৩৫) নিয়েছেন। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত সেচযন্ত্রের মালিক ফজলুল হক ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করলে ৩ সদস্যের কমিটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান এবং বলা হয় ২০১৯ সালের সেচ নীতিমালার পরিপন্থী ও স্থাপিত সেচযন্ত্র দুটি কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যেই। কমিটির দেয়া প্রতিবেদনের আলোকে ইউএনও ১৮ মার্চের মধ্যে কারণ দর্শানোর জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী মনোয়ার হোসেনকে নির্দেশ দিলেও বিবাদী তা দেয়নি। গতকাল বুধবার বাদী ফজলুল হক ইউএনও’র কাছে বিষয়টি জানতে গেলে তিনি জানান , আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এ প্রসঙ্গে ফজলুল হক বলেন, তদন্তে প্রমানিত অবৈধ লাইসেন্স দুটি বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ২০১৪ সাল থেকে বিএডিসি কার্যালয়ে অনেক ঘুরছি,এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, ইউএনও স্যার আবারও তদন্ত কমিটি করে বিবাদীকে সুযোগ দিচ্ছে। আমি আরও কত ঘুরবো ? আমি কি বিচার পাবো না?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসি বনাম সালাহ: লড়াই নাকি অসহায় আত্মসমর্পণ?

পীরগঞ্জে সেচযন্ত্রের ঝামেলা মেটাতে ইউএনও আবারও তদন্তের পদক্ষেপ!

আপডেট সময় ১১:৪৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের পীরগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কতৃক ভূগর্ভস্থ পানির সেচযন্ত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা না নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবারও তদন্ত করার নির্দেশ দিয়ে বিবাদীর পক্ষ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের ঘোষপুর গ্রামে পানি ব্যবস্থাপনা বিধি উপেক্ষা করে কমান্ডিং এরিয়ায় দুটি সেচযন্ত্র স্থাপন করায় অভিযোগ করা হয়েছিল। গত ১০ বছর ধরে ঘটনাটির বিবাদী এভাবেই তদন্ত কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অধীনে পীরগঞ্জের শানেরহাট ইউনিয়নের রাউৎপাড়া গ্রামের ফজলুল বারী মন্ডল ২০১৪ সালে একটি গভীর নলকূপের লাইসেন্স (লাইসেন্স নং ১৪৭, দাগ নং- ২২১৯) গ্রহণ করেন। এরপর তারই কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যে পার্শ্ববর্তী ঘোষপুরের মনোয়ার হোসেন মন্ডল তথ্য গোপন করে বিএডিসি থেকে একটি গভীর নলকুপের লাইসেন্স (নং -৭৫৩, দাগ নং ২১৮৫) নেন। ওই লাইসেন্সের অধীনে মনোয়ার হোসেন আরও একটি নলকুপ দিয়ে সেচ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ফজলুল হক মন্ডলের নলকুপের পাশে তার নলকুপটি স্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পৃথক দুটি বিদ্যুৎ এর মিটার (হিসাব নং ৩৭০/১৪২২ এবং ৩৭০/৭০৩৫) নিয়েছেন। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত সেচযন্ত্রের মালিক ফজলুল হক ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করলে ৩ সদস্যের কমিটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান এবং বলা হয় ২০১৯ সালের সেচ নীতিমালার পরিপন্থী ও স্থাপিত সেচযন্ত্র দুটি কমান্ডিং এরিয়ার মধ্যেই। কমিটির দেয়া প্রতিবেদনের আলোকে ইউএনও ১৮ মার্চের মধ্যে কারণ দর্শানোর জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী মনোয়ার হোসেনকে নির্দেশ দিলেও বিবাদী তা দেয়নি। গতকাল বুধবার বাদী ফজলুল হক ইউএনও’র কাছে বিষয়টি জানতে গেলে তিনি জানান , আবারও তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এ প্রসঙ্গে ফজলুল হক বলেন, তদন্তে প্রমানিত অবৈধ লাইসেন্স দুটি বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ২০১৪ সাল থেকে বিএডিসি কার্যালয়ে অনেক ঘুরছি,এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, ইউএনও স্যার আবারও তদন্ত কমিটি করে বিবাদীকে সুযোগ দিচ্ছে। আমি আরও কত ঘুরবো ? আমি কি বিচার পাবো না?