ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে দুই পরিচালক (চঃ দাঃ) এর খুঁটির জোর কোথায়? এখনো বহাল তবিয়তে শফিকুল ইসলাম ও নাঈম গোলদার তেহরানে শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলা ‘আপনারা কাদা ছোঁড়াছুড়ি করবেন না’ প্রধানমন্ত্রী রাজপ্রাসাদে অফিস না করে সচিবালয়ে এসে অফিস করেন চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি, গলে যাচ্ছে রাস্তার পিচ লক্ষ্মীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু এলপি গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা শত্রুরা স্থল হামলার চেষ্টা করলে একজনও যেন বাঁচতে না পারে মায়ের দাফন,ভাইয়ে’র জানাযায় দাফন,যেতে পারেননি ১৭ বছর নির্যাতিত বিএনপি নেতা মনোয়ার হাসান জীবন গড়তে চান চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ‘মডেল’ ওয়ার্ড লামায় শিক্ষকের হাতে মারধর ৬ বছরের শিশু শিক্ষার্থী অজ্ঞান : এলাকায় জুড়ে সমালোচনার ঝড়

মায়ের দাফন,ভাইয়ে’র জানাযায় দাফন,যেতে পারেননি ১৭ বছর নির্যাতিত বিএনপি নেতা মনোয়ার হাসান জীবন গড়তে চান চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ‘মডেল’ ওয়ার্ড

রাজনীতির কঠিন পথ পাড়ি দিতে গিয়ে জীবন হারিয়েছেন অনেক কিছু। বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনে অসংখ্য মামলা আর প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে দিতেই কেটে গেছে জীবনের সোনালী সময় গুলো,এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নিজের মায়ের মৃত্যুতে দাফনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি,ভাইয়ের জানাযা দাফন থাকতে পারেনি,জুলাই আগসক ছাত্র জনতা আন্দোলনে গুম থাকা অবস্থায় সন্তান হারিয়েজে আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনোয়ার হাসান জীবন। তবুও হার মানেননি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই লড়াকু নেতা। দলের প্রতি অবিচল থেকে সব ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করে আজ তিনি আদাবর এলাকার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মনোয়ার হাসান জীবন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নং ওয়ার্ড নিয়ে তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি ঘোষণা করেন, ৩০ নং ওয়ার্ডকে ঢাকার মধ্যে একটি অন্যতম সেরা আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেখানে থাকবে না কোনো মাদক, দখলবাজি কিংবা চাঁদাবাজি। বিশেষ করে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা চাঁদাবাজি করে, তবে তার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। নারীদের নিরাপত্তায় ইভটিজিং মুক্ত এলাকা গড়ারও অঙ্গীকার করেন তিনি।
মনোয়ার হাসান জীবনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৪ সালে যখন আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনে দেশ উত্তাল, তখন যে ৫ জন ব্যক্তি রাজপথে ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিলেন, তাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান, রুহুল কবির রিজভী এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সে’সময়র যুবদলনেতা জীবনের নামও তখন আলোচনায় আসে। দলের দুঃসময়ে রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর যখন সাবেক ফেসিস প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান,তখন আদাবর এলাকায় বিশৃঙ্খলা রোধে এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন জীবন। তিনি আদাবরের সকল সহযোগী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপিকে একটি সুশৃঙ্খল পরিবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক আদর্শ প্রসঙ্গে মনোয়ার হাসান জীবন বলেন,আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আমাদের শিখিয়েছেন মানুষকে ভালোবাসতে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময় ন্যায়ের পথে লড়তে শিখিয়েছেন। সেই আদর্শের কর্মী হিসেবে আমি কখনোই দলের বদনাম হতে দেব না।
৩০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “আমি পদের লোভে রাজনীতি করি না। সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চেয়েছি। আল্লাহর ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। ৩০ নং ওয়ার্ডের মানুষ যদি চায়, তবে আমি একটি ‘মডেল সিটি’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।”
আদাবরের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, মনোয়ার হাসান জীবনের মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত সৎ নেতারা নেতৃত্বে থাকলে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের জেল-জুলুম গুম আর বঞ্চনা সয়েও মাঠ না ছাড়া এই নেতার প্রতি জনসমর্থন এখন তুঙ্গে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে দুই পরিচালক (চঃ দাঃ) এর খুঁটির জোর কোথায়? এখনো বহাল তবিয়তে শফিকুল ইসলাম ও নাঈম গোলদার

মায়ের দাফন,ভাইয়ে’র জানাযায় দাফন,যেতে পারেননি ১৭ বছর নির্যাতিত বিএনপি নেতা মনোয়ার হাসান জীবন গড়তে চান চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত ‘মডেল’ ওয়ার্ড

আপডেট সময় ০৩:০৫:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

রাজনীতির কঠিন পথ পাড়ি দিতে গিয়ে জীবন হারিয়েছেন অনেক কিছু। বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনে অসংখ্য মামলা আর প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে দিতেই কেটে গেছে জীবনের সোনালী সময় গুলো,এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নিজের মায়ের মৃত্যুতে দাফনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি,ভাইয়ের জানাযা দাফন থাকতে পারেনি,জুলাই আগসক ছাত্র জনতা আন্দোলনে গুম থাকা অবস্থায় সন্তান হারিয়েজে আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনোয়ার হাসান জীবন। তবুও হার মানেননি তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই লড়াকু নেতা। দলের প্রতি অবিচল থেকে সব ঝড়-ঝাপটা মোকাবিলা করে আজ তিনি আদাবর এলাকার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মনোয়ার হাসান জীবন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নং ওয়ার্ড নিয়ে তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তিনি ঘোষণা করেন, ৩০ নং ওয়ার্ডকে ঢাকার মধ্যে একটি অন্যতম সেরা আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যেখানে থাকবে না কোনো মাদক, দখলবাজি কিংবা চাঁদাবাজি। বিশেষ করে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা চাঁদাবাজি করে, তবে তার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে। নারীদের নিরাপত্তায় ইভটিজিং মুক্ত এলাকা গড়ারও অঙ্গীকার করেন তিনি।
মনোয়ার হাসান জীবনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৪ সালে যখন আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনে দেশ উত্তাল, তখন যে ৫ জন ব্যক্তি রাজপথে ও গণমাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিলেন, তাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান, রুহুল কবির রিজভী এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সে’সময়র যুবদলনেতা জীবনের নামও তখন আলোচনায় আসে। দলের দুঃসময়ে রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর যখন সাবেক ফেসিস প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান,তখন আদাবর এলাকায় বিশৃঙ্খলা রোধে এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন জীবন। তিনি আদাবরের সকল সহযোগী সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপিকে একটি সুশৃঙ্খল পরিবার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক আদর্শ প্রসঙ্গে মনোয়ার হাসান জীবন বলেন,আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আমাদের শিখিয়েছেন মানুষকে ভালোবাসতে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময় ন্যায়ের পথে লড়তে শিখিয়েছেন। সেই আদর্শের কর্মী হিসেবে আমি কখনোই দলের বদনাম হতে দেব না।
৩০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “আমি পদের লোভে রাজনীতি করি না। সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চেয়েছি। আল্লাহর ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। ৩০ নং ওয়ার্ডের মানুষ যদি চায়, তবে আমি একটি ‘মডেল সিটি’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।”
আদাবরের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, মনোয়ার হাসান জীবনের মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত সৎ নেতারা নেতৃত্বে থাকলে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের জেল-জুলুম গুম আর বঞ্চনা সয়েও মাঠ না ছাড়া এই নেতার প্রতি জনসমর্থন এখন তুঙ্গে।