সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

সবাই বলছিল তুমি বড় ম্যাচ জেতাতে যাচ্ছ : অভিষেক

টি-টোয়েন্টির শীর্ষ র‍্যাংকিংধারী ব্যাটার হিসেবে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে বাজে অভিজ্ঞতা হয় অভিষেক শর্মার। টানা তিন ম্যাচ ডাক মারেন। ব্যাটে ছিল রানখরা। ভারতীয় ওপেনারকে ফাইনালে বাদ দেওয়ার জোর দাবি উঠেছিল। কিন্তু কোচ ও অধিনায়ক তার ওপর আস্থা হারাননি। তারই প্রতিদান দিলেন ফাইনালে হাফ সেঞ্চুরির এক ঝকঝকে ইনিংস খেলে।

২১ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৫২ রান করে দারুণ শুরু এনে দেন অভিষেক। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমি এটি আগেও শেয়ার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আজ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সবচেয়ে উপযুক্ত দিন: কোচ এবং ক্যাপ্টেনের আমার ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল। এমনকি আমি নিজেও নিজেকে নিয়ে সন্দেহ করছিলাম কারণ এই টুর্নামেন্টটি আমার জন্য সহজ ছিল না। আমি এর আগে এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাইনি—আমার প্রথম বিশ্বকাপ খেলছি।’

কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার তাকে সাহস দিয়েছেন, ‘কিন্তু সবাই বলছিল যে, তুমি একটি বড় ম্যাচ জিতিয়ে দেবে, একটি বড় ম্যাচ। তাই আমি আমার প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করছিলাম। কিন্তু একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে এটি ততটা সহজ ছিল না, ভারতীয় দলে মাত্র এক বা দুই বছর কাটানোর পর এই ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়া। তবে এই দলটিকে আমি ভালোবাসি, যেভাবে তারা সেই দিনগুলোতে আমার সাথে আচরণ করেছে; আমি আগে কখনো এমন অনুভব করিনি।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুপার এইটে নিজের সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটার। ​নিজের মধ্যে ভালো করার বিশ্বাস তৈরি করতে সংগ্রাম করেছেন তিনি, ‘এটি আমার জন্য সহজ ছিল না। আমি সারা বছর ভালো করছিলাম কিন্তু বড় মঞ্চে আমি ভালো করতে পারছিলাম না। তবে খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফরা যে বিশ্বাস এবং আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন। আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম– আমি সবকটি ম্যাচে সঠিকভাবে ভালো করতে চেয়েছিলাম। তখন আমি কোচ এবং ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলাম, যারা আমাকে বলেছিলেন যে তুমি আমাদের বড় ম্যাচ জেতাতে যাচ্ছ এবং আমার শুধু সেই দিনটির জন্য অপেক্ষা করা উচিত।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

সবাই বলছিল তুমি বড় ম্যাচ জেতাতে যাচ্ছ : অভিষেক

আপডেট সময় ০৩:৪২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টির শীর্ষ র‍্যাংকিংধারী ব্যাটার হিসেবে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে বাজে অভিজ্ঞতা হয় অভিষেক শর্মার। টানা তিন ম্যাচ ডাক মারেন। ব্যাটে ছিল রানখরা। ভারতীয় ওপেনারকে ফাইনালে বাদ দেওয়ার জোর দাবি উঠেছিল। কিন্তু কোচ ও অধিনায়ক তার ওপর আস্থা হারাননি। তারই প্রতিদান দিলেন ফাইনালে হাফ সেঞ্চুরির এক ঝকঝকে ইনিংস খেলে।

২১ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৫২ রান করে দারুণ শুরু এনে দেন অভিষেক। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘আমি এটি আগেও শেয়ার করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আজ এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সবচেয়ে উপযুক্ত দিন: কোচ এবং ক্যাপ্টেনের আমার ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল। এমনকি আমি নিজেও নিজেকে নিয়ে সন্দেহ করছিলাম কারণ এই টুর্নামেন্টটি আমার জন্য সহজ ছিল না। আমি এর আগে এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাইনি—আমার প্রথম বিশ্বকাপ খেলছি।’

কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার তাকে সাহস দিয়েছেন, ‘কিন্তু সবাই বলছিল যে, তুমি একটি বড় ম্যাচ জিতিয়ে দেবে, একটি বড় ম্যাচ। তাই আমি আমার প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করছিলাম। কিন্তু একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে এটি ততটা সহজ ছিল না, ভারতীয় দলে মাত্র এক বা দুই বছর কাটানোর পর এই ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়া। তবে এই দলটিকে আমি ভালোবাসি, যেভাবে তারা সেই দিনগুলোতে আমার সাথে আচরণ করেছে; আমি আগে কখনো এমন অনুভব করিনি।’

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুপার এইটে নিজের সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটার। ​নিজের মধ্যে ভালো করার বিশ্বাস তৈরি করতে সংগ্রাম করেছেন তিনি, ‘এটি আমার জন্য সহজ ছিল না। আমি সারা বছর ভালো করছিলাম কিন্তু বড় মঞ্চে আমি ভালো করতে পারছিলাম না। তবে খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফরা যে বিশ্বাস এবং আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন। আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম– আমি সবকটি ম্যাচে সঠিকভাবে ভালো করতে চেয়েছিলাম। তখন আমি কোচ এবং ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বলতে চেয়েছিলাম, যারা আমাকে বলেছিলেন যে তুমি আমাদের বড় ম্যাচ জেতাতে যাচ্ছ এবং আমার শুধু সেই দিনটির জন্য অপেক্ষা করা উচিত।’