সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ইরান ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে কী হবে? ফিফার নিয়ম যা বলছে

  • ক্রীড়া ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৬০৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বলেছিলেন, “এই আক্রমণ ও নিষ্ঠুরতার পর আমরা বিশ্বকাপের দিকে আশাবাদী দৃষ্টিতে তাকাতে পারি না।” একই সঙ্গে তিনি ঘরোয়া লিগ স্থগিতের ঘোষণা দেন।

ইরান টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তারা গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে এবং আরেকটি সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ফিফা মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, তবে এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করা একটু তড়িঘড়ি হয়ে যাবে।

ফিফার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ প্রত্যাহার নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপের নিয়মাবলির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়ালে ফিফা নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। অর্থাৎ ইরান সরে গেলে তাদের জায়গায় অন্য কোনো দলকে নেওয়ার ক্ষমতা ফিফার রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এমন হলে এশিয়া অঞ্চল থেকেই বিকল্প দল নেওয়া হতে পারে। ইতোমধ্যে আটটি এশীয় দল ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। আরও একটি দল প্লে-অফ জিতে সুযোগ পেতে পারে।

অলিম্পিকে বয়কটের নজির থাকলেও বিশ্বকাপে এখনো কোনো দল রাজনৈতিক কারণে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়নি। ১৯৫০ বিশ্বকাপে কয়েকটি দল আর্থিক বা অন্যান্য কারণে সরে দাঁড়িয়েছিল।

তবে ১৯৯২ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে যুদ্ধের কারণে যুগোস্লাভিয়াকে বাদ দিয়ে ডেনমার্ককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ডেনমার্ক শেষ পর্যন্ত ঐ আসরে শিরোপা জেতার কৃতিত্ব দেখায়।

এ ছাড়া ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ার ক্লাব ও জাতীয় দলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ রেখেছে ফিফা ও উয়েফা। ইরানের খেলার ব্যপারে এ মুহূর্তে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ায়নি, আর ফিফাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত হলেও বাতিল হয়নি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

ইরান ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে কী হবে? ফিফার নিয়ম যা বলছে

আপডেট সময় ১২:২০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বলেছিলেন, “এই আক্রমণ ও নিষ্ঠুরতার পর আমরা বিশ্বকাপের দিকে আশাবাদী দৃষ্টিতে তাকাতে পারি না।” একই সঙ্গে তিনি ঘরোয়া লিগ স্থগিতের ঘোষণা দেন।

ইরান টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তারা গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে এবং আরেকটি সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। ফিফা মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, তবে এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করা একটু তড়িঘড়ি হয়ে যাবে।

ফিফার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ প্রত্যাহার নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপের নিয়মাবলির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশ ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়ালে ফিফা নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। অর্থাৎ ইরান সরে গেলে তাদের জায়গায় অন্য কোনো দলকে নেওয়ার ক্ষমতা ফিফার রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এমন হলে এশিয়া অঞ্চল থেকেই বিকল্প দল নেওয়া হতে পারে। ইতোমধ্যে আটটি এশীয় দল ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। আরও একটি দল প্লে-অফ জিতে সুযোগ পেতে পারে।

অলিম্পিকে বয়কটের নজির থাকলেও বিশ্বকাপে এখনো কোনো দল রাজনৈতিক কারণে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়নি। ১৯৫০ বিশ্বকাপে কয়েকটি দল আর্থিক বা অন্যান্য কারণে সরে দাঁড়িয়েছিল।

তবে ১৯৯২ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে যুদ্ধের কারণে যুগোস্লাভিয়াকে বাদ দিয়ে ডেনমার্ককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। ডেনমার্ক শেষ পর্যন্ত ঐ আসরে শিরোপা জেতার কৃতিত্ব দেখায়।

এ ছাড়া ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ার ক্লাব ও জাতীয় দলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ রেখেছে ফিফা ও উয়েফা। ইরানের খেলার ব্যপারে এ মুহূর্তে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ায়নি, আর ফিফাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত হলেও বাতিল হয়নি।