ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

সমাজসেবা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদের দৌরাত্ম

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর ও রাঙ্গামাটি জেলায় সংযুক্ত সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ নিয়োগ সিন্ডিকেট পরিচালনা,নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস,জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করানো,৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর দাবি আদায়ের আন্দোলনের নামে অধিদপ্তরে বিশৃংখলা সৃষ্টি,অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের সময়ে বিএনপি তকমা লাগিয়ে বিগত ১৮ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে ঢাকায় অবস্থান করে পূর্বের ন্যায় তদবির বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, আওয়ামী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকায় রয়েছে তার একাধিক ফ্লাট,প্লট ও গাড়ি। বগুড়ায় রয়েছে প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ। যা তার জ্ঞাত আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ব্যাংকে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার এফডিআর। আব্দুর রশীদ ও তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে সম্পদ ও ব্যাংক ব্যালেন্স অনুসন্ধান করলে অভিযোগের প্রমান পাওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে,সমাজসেবা অধিদপ্তরের ”কিং অব নিয়োগ সিন্ডিকেট” খ্যাত আব্দুর রশীদ এর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনেক পুরাতন। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও দুদকে গণস্বাক্ষর যোগে অভিযোগ করা হয়েছিল। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে বহুরূপি আব্দুর রশীদ এর দলবাজি আর সিন্ডিকেটের কোন পরিবর্তন হয়না। আওয়ামী দোসর আব্দুর রশীদ সময়ের পরিবর্তনে এখন বিএনপি সাজার অপচেষ্টা করছেন।

সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদের রয়েছে দেশব্যাপি বিশাল নিয়োগ সিন্ডিকেট। সমাজসেবার নিয়োগ পরীক্ষা থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত তার ছিল নিয়ন্ত্রণ। সম্পদের দৌড়ে পিছিয়ে নেই আব্দুর রশীদ। নিয়োগ বাণিজ্য,জাল জালিয়াতি করে প্লট,ফ্লাট,ব্যাংক ব্যালেন্সসহ অঢেল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছেন। সমাজসেবায় সর্বত্র তার আত্মীয় স্বজন। আপন ভাই মো: ওবায়দুর রহমান জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মরত। অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে রয়েছে ভাতিজা বুলবুল (ড্রাইভার) সহ আরো ৭জন। ফলে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বিভিন্ন কার্যালয় এখন আব্দুর রশীদ এন্ড ফেমিলি দপ্তর নামে পরিচিতি পেয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর; বিগত ১৬ বছর আওয়ামী আলকেল্লা গায়ে জড়িয়ে নানা সুবিধা নেয়া রশিদ এখন বিএনপি-জামাতের পতাকা হাতে নিয়েছেন। নতুন করে পুরনো কায়দায় আবার নিয়োগ ও তদবির বানিজ্য করার জন্যে সিন্ডিকেট প্রস্তুত করেছেন ।

বিগত দিনে নিয়োগে প্রায় ২৫ কোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্য করেছে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ। অবৈধ টাকার গরমে এখন সমাজসেবা অফিসার্স এসোসিয়েসেনের সম্পাদকের পদ পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ।

সূত্রমতে,বিগত ০৮/০৮/২০২১ ইং তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ গ্রহন করা হয়। ঐ গণস্বাক্ষরিত অভিযোগে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তৎকালিন সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-২) আব্দুর রশিদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্নীতির ও নিয়োগ বাণিজ্যর অভিযোগ পাওয়া যায় এবং অভিযোগ দায়ের করা হয়। আব্দুর রশিদ ২০১৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রশাসন-২ শাখায় সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করার পর থেকে নিয়োগ বানিজ্যে সাথে জড়িত। যোগদানের পর হতে অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, গাড়ী চালক, ফিল্ড সুপারভাইজার, সহকারী হিসাবরক্ষক, বাবুর্চি পদে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। বরাবরই প্রতিটি নিয়োগ কমিটির সদস্য থাকেন আব্দুর রশিদ। নিয়োগ পরীক্ষার সময় মেয়েদের বেলায় বোরকা পড়ে বহু মেয়ে একজনের পরীক্ষা আরেক জনে দিয়েছে ও ছেলেদের বেলায়ও প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ার হিড়িক ছিল। আব্দুর রশিদের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে এই জালিয়াতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সূত্র জানায়,আব্দুর রশীদ পর্দার আড়াল থেকে নিয়োগের নাটক মঞ্চাস্থ করেছিলেন। রশীদের মূল নেটওয়ার্ক ৩টি। ১ম ধাপে সারা বাংলাদেশে থেকে সমাজসেবার অন্য অফিসারদের মাধ্যমে নিয়োগ আগ্রহীদের সংগ্রহ করতেন। রশীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্ত করতেন। সব ঠিকঠাক থাকলে মানে চুক্তির টাকা কর্নফার্ম হলে রশীদকে সিগনাল দিতেন একটি কোডের মাধ্যমে। রশীদ পরবর্তিতে ঐ কোড অনুসারে তথ্য পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছাতেন। মুল কারসাজিটা শুরু হত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে। যেখানে ছিল তার নিকটতম আত্মীয় ও বিশাল নেটওয়ার্ক বাহিনী। তারপর সহযোগি সমাজসেবা অধিদপ্তরের উচ্চমান সহাকরী কাম কম্পিউটার অপারেটর সেলিম ও রশীদের কারসাজির মাধ্যমে আতাতকৃত প্রার্থীকে পাস করিয়ে নিয়ে আসতেন। এই রশিদের কারণেই ২০১৯ সালে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল। ২০১৯ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় কয়েকটি ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগে প্রায় ৭ লাখ চাকরী প্রার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখন রশিদ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশানপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে এবং তৎকালীন ডিজি গাজী নুরুল কবির লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করেন। তাতে বিপাকে পড়েন ৭ লাখ চাকরী পরিক্ষার্থী। এমন ঘটনার পরেও রহস্যজনক কারনে রশিদ স্বপদে বহাল তবিয়তে ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

সমাজসেবা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদের দৌরাত্ম

আপডেট সময় ০২:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী দোসর ও রাঙ্গামাটি জেলায় সংযুক্ত সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ নিয়োগ সিন্ডিকেট পরিচালনা,নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস,জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করানো,৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর দাবি আদায়ের আন্দোলনের নামে অধিদপ্তরে বিশৃংখলা সৃষ্টি,অন্তর্বর্তীকালিন সরকারের সময়ে বিএনপি তকমা লাগিয়ে বিগত ১৮ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে ঢাকায় অবস্থান করে পূর্বের ন্যায় তদবির বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে, আওয়ামী রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঢাকায় রয়েছে তার একাধিক ফ্লাট,প্লট ও গাড়ি। বগুড়ায় রয়েছে প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ। যা তার জ্ঞাত আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ব্যাংকে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার এফডিআর। আব্দুর রশীদ ও তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে সম্পদ ও ব্যাংক ব্যালেন্স অনুসন্ধান করলে অভিযোগের প্রমান পাওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে,সমাজসেবা অধিদপ্তরের ”কিং অব নিয়োগ সিন্ডিকেট” খ্যাত আব্দুর রশীদ এর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনেক পুরাতন। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও দুদকে গণস্বাক্ষর যোগে অভিযোগ করা হয়েছিল। রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে বহুরূপি আব্দুর রশীদ এর দলবাজি আর সিন্ডিকেটের কোন পরিবর্তন হয়না। আওয়ামী দোসর আব্দুর রশীদ সময়ের পরিবর্তনে এখন বিএনপি সাজার অপচেষ্টা করছেন।

সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদের রয়েছে দেশব্যাপি বিশাল নিয়োগ সিন্ডিকেট। সমাজসেবার নিয়োগ পরীক্ষা থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত তার ছিল নিয়ন্ত্রণ। সম্পদের দৌড়ে পিছিয়ে নেই আব্দুর রশীদ। নিয়োগ বাণিজ্য,জাল জালিয়াতি করে প্লট,ফ্লাট,ব্যাংক ব্যালেন্সসহ অঢেল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছেন। সমাজসেবায় সর্বত্র তার আত্মীয় স্বজন। আপন ভাই মো: ওবায়দুর রহমান জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মরত। অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে রয়েছে ভাতিজা বুলবুল (ড্রাইভার) সহ আরো ৭জন। ফলে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বিভিন্ন কার্যালয় এখন আব্দুর রশীদ এন্ড ফেমিলি দপ্তর নামে পরিচিতি পেয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর; বিগত ১৬ বছর আওয়ামী আলকেল্লা গায়ে জড়িয়ে নানা সুবিধা নেয়া রশিদ এখন বিএনপি-জামাতের পতাকা হাতে নিয়েছেন। নতুন করে পুরনো কায়দায় আবার নিয়োগ ও তদবির বানিজ্য করার জন্যে সিন্ডিকেট প্রস্তুত করেছেন ।

বিগত দিনে নিয়োগে প্রায় ২৫ কোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্য করেছে সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ। অবৈধ টাকার গরমে এখন সমাজসেবা অফিসার্স এসোসিয়েসেনের সম্পাদকের পদ পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ।

সূত্রমতে,বিগত ০৮/০৮/২০২১ ইং তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনে গণস্বাক্ষরিত অভিযোগ গ্রহন করা হয়। ঐ গণস্বাক্ষরিত অভিযোগে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তৎকালিন সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-২) আব্দুর রশিদ এর বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্নীতির ও নিয়োগ বাণিজ্যর অভিযোগ পাওয়া যায় এবং অভিযোগ দায়ের করা হয়। আব্দুর রশিদ ২০১৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রশাসন-২ শাখায় সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করার পর থেকে নিয়োগ বানিজ্যে সাথে জড়িত। যোগদানের পর হতে অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, গাড়ী চালক, ফিল্ড সুপারভাইজার, সহকারী হিসাবরক্ষক, বাবুর্চি পদে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। বরাবরই প্রতিটি নিয়োগ কমিটির সদস্য থাকেন আব্দুর রশিদ। নিয়োগ পরীক্ষার সময় মেয়েদের বেলায় বোরকা পড়ে বহু মেয়ে একজনের পরীক্ষা আরেক জনে দিয়েছে ও ছেলেদের বেলায়ও প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ার হিড়িক ছিল। আব্দুর রশিদের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে এই জালিয়াতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সূত্র জানায়,আব্দুর রশীদ পর্দার আড়াল থেকে নিয়োগের নাটক মঞ্চাস্থ করেছিলেন। রশীদের মূল নেটওয়ার্ক ৩টি। ১ম ধাপে সারা বাংলাদেশে থেকে সমাজসেবার অন্য অফিসারদের মাধ্যমে নিয়োগ আগ্রহীদের সংগ্রহ করতেন। রশীদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্ত করতেন। সব ঠিকঠাক থাকলে মানে চুক্তির টাকা কর্নফার্ম হলে রশীদকে সিগনাল দিতেন একটি কোডের মাধ্যমে। রশীদ পরবর্তিতে ঐ কোড অনুসারে তথ্য পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছাতেন। মুল কারসাজিটা শুরু হত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে। যেখানে ছিল তার নিকটতম আত্মীয় ও বিশাল নেটওয়ার্ক বাহিনী। তারপর সহযোগি সমাজসেবা অধিদপ্তরের উচ্চমান সহাকরী কাম কম্পিউটার অপারেটর সেলিম ও রশীদের কারসাজির মাধ্যমে আতাতকৃত প্রার্থীকে পাস করিয়ে নিয়ে আসতেন। এই রশিদের কারণেই ২০১৯ সালে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হয়েছিল। ২০১৯ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় কয়েকটি ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগে প্রায় ৭ লাখ চাকরী প্রার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখন রশিদ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশানপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে এবং তৎকালীন ডিজি গাজী নুরুল কবির লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করেন। তাতে বিপাকে পড়েন ৭ লাখ চাকরী পরিক্ষার্থী। এমন ঘটনার পরেও রহস্যজনক কারনে রশিদ স্বপদে বহাল তবিয়তে ছিলেন।