গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম ডিভিশন-১০, ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হালিমের নাম সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। স্থানীয় সূত্র এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, হালিমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে সরকারি সম্পদে অনিয়ম, প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত অর্থ-সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। কুষ্টিয়ার বটতৈল এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সূত্র পর্যন্ত সবাই তাকে নিয়ে নানা ধরনের কণ্ঠবোধ প্রকাশ করছেন, যার ফলে বিষয়টি একটি জাতীয় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আবদুল হালিমের পারিবারিক পটভূমি স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী সাধারণ জীবনযাপন ও সীমিত অর্থ-সম্পদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তার বাবা আনোয়ার হোসেন ছিলেন পিডিবির সিকিউরিটি গার্ড এবং জীবনের অধিকাংশ সময় কষ্টে কাটিয়েছেন। বটতৈল এলাকার গ্রামের মানুষদের তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেনের পরিবার খুব সাধারণ জীবনযাপন করত। তাদের পৈত্রিক বাড়ি নোয়াখালী জেলায় হলেও চাকরির কারণে কুষ্টিয়ায় বসবাস শুরু করেন। গ্রামের মানুষদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কখনো সম্পদের মালিক হতে পারেননি এবং তার পুত্র আব্দুল হালিমের অদূর ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের কোনও পূর্বাভাস ছিল না।
সরকারি চাকরিতে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে আব্দুল হালিমের আর্থিক অবস্থার তীব্র পরিবর্তন ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বল্প সময়ের মধ্যে হালিম দেশের বিভিন্ন জেলায় জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গাড়ি ক্রয় করেন। ঢাকায় তার দুইটি বাড়ি রয়েছে, যার একটি মোহাম্মদপুরে। এই বাড়ি ও জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ১০০ কোটি টাকার উপরে। এই দ্রুত আর্থিক উত্থান সাধারণ মানুষকে হতবাক করেছে, বিশেষ করে যারা আগে তাকে দেখে খুব সাধারণ জীবনযাপনকারী হিসেবে চিহ্নিত করত। গ্রামের মানুষ এখন তাকে ‘মন্ত্রী’ উপাধিতে ডাকেন, যা মূলত তার অর্জিত সম্পদ ও প্রভাবের কারণে স্থানীয়ভাবে প্রতীকীভাবে প্রদত্ত নাম।
রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, হালিম সাবেক সংসদ সদস্য হানিফ এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই ঘনিষ্ঠতার কারণে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও দীর্ঘদিন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পায়নি। প্রকল্প বরাদ্দ, টেন্ডার বিতরণ, কর্মী নিয়োগ—সব ক্ষেত্রে তার প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, হালিমের মতো প্রভাবশালী প্রকৌশলীরা তাদের রাজনৈতিক সংযোগের কারণে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও কেউ মুখ খুলতে পারছে না।
প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। হালিম যে প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, সেখানে ভুয়া বিল, নিম্নমানের কাজ, ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ এবং উপরের কর্মকর্তাদের উৎকোচ বা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ও শহরবাসী সূত্রে জানা যায়, হালিম বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থে নিজের ব্যক্তিগত খরচ চালিয়েছেন। এ ধরনের অভিযোগের কারণে তার প্রকল্প বাস্তবায়নের মান ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লিফট সংযোজন প্রকল্পটি হালিমের নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিম্নমানের লিফট স্থাপনের কারণে বারবার ত্রুটি দেখা দেয়। ২০২৪ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করে এবং এক ঘটনায় রোগী লিফটে আটকে পড়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্তের পর হালিমকে দোষী প্রমাণিত হলেও, অভিযোগ অনুযায়ী তিনি মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সক্ষম হন। এমন ঘটনায় দেখানো হয়েছে, তার রাজনৈতিক সংযোগ ও প্রভাবের কারণে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
কুষ্টিয়ার বটতৈল এলাকার স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, হালিমের এই আর্থিক এবং সামাজিক প্রভাব গ্রামে ও শহরে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ এবং ব্যক্তিগত খরচের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষদের মাঝে প্রভাব বিস্তার করেছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষদের চোখে, যিনি একসময় নুন আনতে পান্তা ঘুরাতেন, আজ তার ছেলে শত শত কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এই দ্রুত পরিবর্তন এবং তার রাজনৈতিক সংযোগের কারণে গ্রামের মানুষ তার বাবাকে ‘ভূমি মন্ত্রী’ হিসেবে সম্বোধন করতে শুরু করেছেন।
সরকারি নথি অনুযায়ী, হালিমের নামে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় দুটি বাড়ি ও জমি রয়েছে। একটির হোল্ডিং নম্বর ১৭৫/৩০০, খতিয়ান নম্বর ১২৪১৪, দাগ নম্বর ২১; জমির পরিমাণ ৪১/৯১ কাঠা। আরেকটি জমির হোল্ডিং নম্বর ১৭৯/২৪০, খতিয়ান নম্বর ৭৩৯৩২, দাগ নম্বর ২/২৩; জমির পরিমাণ ২৭.৭২ কাঠা। মোট জমি দুইটির পরিমাণ ৭৫.৩৬ কাঠা। বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকারও বেশি। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পরপরই হালিম দেশের বিভিন্ন জেলায় এবং ঢাকায় জমি ক্রয় ও বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন এবং অন্যান্য তদন্ত সংস্থার নজর এ বিষয়ে কেন্দ্রীয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হালিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা রয়েছে। ঢাকা জেলার সিএমএম আদালতে তার নামে মামলা নথিভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে অভিযোগ ১৪৭, ১৪৮, ৩২৬, ৩০৭, ৫০৬ ও ৩৪ ধারায় রয়েছে। সেইসাথে দুদকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সংযোগের কারণে দীর্ঘদিন এই মামলাগুলোর কার্যকর তদন্ত সম্ভব হয়নি।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা, যারা নাম প্রকাশ করতে চাইছেন না, জানিয়েছেন, হালিমের মতো প্রভাবশালী প্রকৌশলীরা সরকারি প্রকল্প, তহবিল বরাদ্দ এবং কর্মী নিয়োগ সবকিছুতে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। এটি প্রশাসনিক সংস্কার এবং দায়বদ্ধতার পথকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মকর্তারা জানান, প্রকৌশলীরা এমন প্রভাবশালী যে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না।
আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আছে তার মধ্যে রয়েছে দুটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, হত্যা মামলাগুলোও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন স্থগিত রাখা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণহত্যা মামলার আসামি থাকা সত্ত্বেও হালিম প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি এখনও সরকারি পদে বহাল রয়েছেন।
হালিমের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ, প্রকল্প বরাদ্দের সঙ্গে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া সব মিলিয়ে তাকে দেশের সবচেয়ে বিতর্কিত সরকারি প্রকৌশলীদের একজনে পরিণত করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্তের আওতায় আসতে পারলে প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হতে পারে। সরকারি ও স্থানীয় সূত্র বলছে, হালিমের প্রকল্পের বরাদ্দ এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়মিতভাবে দেখলে, সরকারি তহবিলের অনিয়ম এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের সত্যি চিত্র সামনে আসতে বাধ্য।
স্থানীয়রা জানান, হালিমের এই সম্পদের দ্রুত বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রভাব গ্রামে ও শহরে অমিমাংসিত প্রশ্ন তুলেছে। তিনি সরকারি চাকরিতে যোগদানের পরপরই এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন অংশে জমি ক্রয় করেছেন। এই বিষয়গুলো দেখে গ্রামের সাধারণ মানুষজন হতবাক, কারণ যারা আগে তিনবেলা খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাত, তারা আজ স্থানীয়ভাবে রাজনৈতিক এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী পরিবারের সঙ্গে যুক্ত একজনের সন্তানকে ‘মন্ত্রী’ বলে সম্বোধন করছেন।
হালিমের কার্যক্রম এবং প্রভাব দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজের ভিতরেও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, প্রভাবশালী প্রকৌশলীরা প্রশাসনিক নিয়ম এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা প্রভাবিত করছে। এটি দেশের বড় প্রকল্পের কার্যকারিতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের মান এবং সরকারি তহবিলের নিরাপত্তা সবকিছুতে প্রভাব ফেলছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, হালিমের মতো প্রভাবশালী প্রকৌশলীরা সরকারি প্রকল্প, তহবিল বরাদ্দ এবং কর্মী নিয়োগ সবকিছুতে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। এটি প্রশাসনিক সংস্কার এবং দায়বদ্ধতার পথকে বাধাগ্রস্ত করে। কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, প্রকৌশলীরা এমন প্রভাবশালী যে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না।
সমস্যাগুলি শুধু আর্থিক এবং প্রশাসনিক নয়, তা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবেও প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, হালিমের পদ এবং সম্পদ গ্রামের দারিদ্র্য এবং অর্থনৈতিক অসাম্যকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। গ্রামের মানুষ এখন তার পরিবারকে সম্ভাব্য ক্ষমতা ও অর্থের প্রতীক হিসেবে দেখে, যেখানে তার বাবা একসময় সাধারণ জীবনযাপন করতেন।
এই প্রেক্ষাপটে, হালিমের কর্মকাণ্ড এবং তার প্রভাব নিয়ে সরকারী এবং স্বাধীন তদন্ত সংস্থাগুলোর মনোযোগ বাড়ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংস্থা বিষয়টি নজরে রাখছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই অব্যাহত বিতর্কের ফলে দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজের ভিতরেও এক ধরনের ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠলেও কোনও প্রতিকার পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, হালিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা চলমান থাকলেও রাজনৈতিক সংযোগের কারণে তার প্রভাব অটুট রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এখনও সরকারি পদে বহাল আছেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত। এর ফলে জনগণ এবং স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছে, দেশের সরকারি প্রকৌশল ব্যবস্থা কতটা স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল।
হালিমের সম্পদ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সরকারি প্রকল্পে তার অনিয়ম দেশের জন্য একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, তার কর্মকাণ্ড এবং অর্জিত সম্পদ দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজে একটি নতুন ধরণের প্রভাব প্রতিফলিত করছে। এই প্রভাব সরাসরি সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন, তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক সংস্কারকে প্রভাবিত করছে।
এই প্রসঙ্গে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, হালিমের মতো প্রভাবশালী প্রকৌশলীরা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নিজের প্রভাব বিস্তৃত করার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেন। তারা সরকারি প্রকল্পের তহবিল, কর্মী নিয়োগ এবং প্রকল্প বরাদ্দে প্রভাব খাটান। এটি দেশের প্রশাসনিক সংস্কার এবং দায়বদ্ধতার পথকে বাধাগ্রস্ত করছে।
স্থানীয় এবং সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, হালিমের কর্মকাণ্ড এবং তার সম্পদের দ্রুত বৃদ্ধি দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজে এক নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও রাজনৈতিক সংযোগের কারণে দীর্ঘদিন কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সর্বশেষ, হালিমের কর্মকাণ্ড, তার অর্জিত সম্পদ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজে বিতর্ক এবং প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এই প্রসঙ্গে, দেশের সরকারি প্রকৌশলী সমাজ এবং জনগণ আশা করছে, হালিমের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত হবে এবং দেশের সরকারি প্রকৌশলী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
মোঃ মামুন হোসেন 
























