চিকিৎসকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা ডিউটি ফাঁকি দেওয়া গুরুতর দায়িত্ব অবহেলা, যা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত অপরাধ । এমন ই এক অভিযোগ উঠেছে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট ডা.ফয়সল আল আহসানের বিরুদ্ধে। তিনি আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চেম্বার করেন না, শুক্রবার ব্যতিত সপ্তাহে ছয় দিন চেম্বার করার কথা থাকলে তিনি এক দিনও চেম্বার করেন না তারপর ও তার হাজিরা খাতায় নাম উঠে।
জানা যায় সে মাঝে মাঝে মনে চাইলে সরকারি হাসপাতালে যায় নয়তো যায় না। মনগড়া মতো আসা যাওয়া করা যেটা সরকারি নিয়ম নীতে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখানো।
ফলে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ অসহায় রোগীরা। আবার প্রায় অনেক ক্ষেত্রে ই দেখা যায় চিকিৎসকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেন, যা সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা।
সরেজমিনে খোজ নিতে গিয়ে আরো জানা যায়,ডাক্তার ফয়সল আল আহসান তার ক্ষমতার প্রভাবের বলে সরকারি ডিউটি ফাকি দিচ্ছেন। এবং প্রত্যেক রোগীদের সাথে অসাদাচরন করেন। আরো জানা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত যারা আছেন তারাও তার ভয়ে অপকর্মের কথা মুখ খুলেন বলেন না।
এই বিষয়ে জানতে ফয়সল আল আহসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি সাংবাদিকের সাথে অসোভন আচরণ করেন।অপকর্মের কথা জানতে চাইলে তিনি হামলা মামলার ভয় দেখান।
আরো তার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে যে তিনি বিগত সরকারের আমলে আওয়ামীলীগ প্রন্থী ডাক্তার দের সংগঠন স্বাচিপের নেতা ছিলেন। যার ফলে তার দ্বারা ফ্যাসিবাদের সময়ে অনেক মানুষ অত্যাচারীত হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জলিল কায়সার খোকন তার দ্বায় এড়িয়ে যান।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন ডা.মোঃ নোমান মিয়া বলেন,বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।সরকারি ডিউটি ফাকি দেওয়া অন্যায়। সে অন্যায় কাজ করবে কেন।আমি বিষয় টা দেখছি একটু সময় দেন।
আশিকুর রহমান রনি 
























