সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

রমজানে দুই পবিত্র মসজিদের মুসল্লিদের সেবায় বিশেষ কার্যক্রম ঘোষণা

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬১৩ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষ। মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদতকারীদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে ১০টি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ অপারেশনাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে রয়েছে শতাধিক উদ্যোগ ও বিভিন্ন শিক্ষা, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শমূলক কর্মসূচি।

সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে জানানো হয়, রমজান মাসে মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে আগত মুসল্লি ও জিয়ারতকারীদের জন্য সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষা ও দাওয়াহ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা এবং রমজানের উপযোগী কর্মসূচির মাধ্যমে মুসল্লিদের আত্মিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা। এ জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে, পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষা ও অনুবাদ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মুসল্লিরাও সহজে উপকৃত হতে পারেন।

এই কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকছে নিয়মিত ধর্মীয় পাঠ, কোরআন মুখস্থকরণ কর্মসূচি, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ সেবা এবং ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য নির্ধারিত বিশেষ চ্যানেল।

এ ছাড়া ধর্মীয় ও চিন্তাগত সচেতনতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় মুসল্লিদের মাঝে পবিত্র কোরআন, শিক্ষামূলক পুস্তিকা ও সচেতনতামূলক বার্তা বিতরণ করা হবে, যা তাদের ধর্মীয় জ্ঞান ও আত্মিক বিকাশে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মানবসম্পদ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে রমজানে আগত হাজি ও মুসল্লিরা যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

রমজানে দুই পবিত্র মসজিদের মুসল্লিদের সেবায় বিশেষ কার্যক্রম ঘোষণা

আপডেট সময় ০১:০১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে পূর্ণ প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষ। মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে ইবাদতকারীদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে ১০টি কৌশলগত স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ অপারেশনাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে রয়েছে শতাধিক উদ্যোগ ও বিভিন্ন শিক্ষা, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শমূলক কর্মসূচি।

সৌদি প্রেস এজেন্সির খবরে জানানো হয়, রমজান মাসে মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববীতে আগত মুসল্লি ও জিয়ারতকারীদের জন্য সার্বিক সেবা নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো দুই পবিত্র মসজিদের শিক্ষা ও দাওয়াহ কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা এবং রমজানের উপযোগী কর্মসূচির মাধ্যমে মুসল্লিদের আত্মিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা। এ জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে, পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষা ও অনুবাদ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যাতে ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মুসল্লিরাও সহজে উপকৃত হতে পারেন।

এই কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকছে নিয়মিত ধর্মীয় পাঠ, কোরআন মুখস্থকরণ কর্মসূচি, দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ সেবা এবং ধর্মীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য নির্ধারিত বিশেষ চ্যানেল।

এ ছাড়া ধর্মীয় ও চিন্তাগত সচেতনতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় মুসল্লিদের মাঝে পবিত্র কোরআন, শিক্ষামূলক পুস্তিকা ও সচেতনতামূলক বার্তা বিতরণ করা হবে, যা তাদের ধর্মীয় জ্ঞান ও আত্মিক বিকাশে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ধর্মবিষয়ক কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মানবসম্পদ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে রমজানে আগত হাজি ও মুসল্লিরা যেন নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ইবাদত ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।