ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দফতরের উপপরিচালকের বিরুদ্ধে টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ মহাখালীতে সওজের ২০০ কোটি টাকার সরকারি জমি ইস্টার্ন হাউজিংয়ের দখলে! পঞ্চগড়ে ইউএনওর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যে দাবি জানালেন নওগাঁর এমপি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের সময় ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা চীনের ভূমিধসে নিহত অন্তত ৮, নিখোঁজ ৩৪ নীলফামারীতে বিয়ে শেষে ফেরার পথে দুর্ঘটনা, মাইক্রোবাস খাদে পড়ে শিশুসহ নি’হ’ত ২ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে তারেক রহমানের উপহারের ত্রাণ ও ওষুধ বিতরন

বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে বেজার অধীনে, অধ্যাদেশ জারি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫১ বার পড়া হয়েছে

দেশে বিদ্যমান সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ বা বেজা’র নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। এজন্য ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন, ১৯৯৬’ বাতিল করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গতকাল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

নতুন এই অধ্যাদেশের ফলে ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে।

তবে অধ্যাদেশের ২ ধারায় বলা হয়েছে, রহিতকরণ সত্ত্বেও আগের আইনের অধীনে ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল কার্যাবলি বা গৃহীত ব্যবস্থা এই অধ্যাদেশের আওতায় সংরক্ষিত থাকবে।

অধ্যাদেশের ২(২-ক) ধারা অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এখন থেকে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০’-এর অধীনে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অঞ্চলের পরিচালনা ও তদারকি কার্যাবলি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেজা)’র ওপর ন্যস্ত থাকবে।

এছাড়া, আগের আইনের অধীনে প্রাপ্ত লাইসেন্সগুলো বৈধ থাকবে, ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন করে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে না। একইসঙ্গে বেসরকারি ইপিজেডগুলোতে বিদ্যমান বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধাগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে। তবে বেজা এসব অঞ্চলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশে জনবল ও প্রশাসনিক বিষয়ে বলা হয়, বেসরকারি ইপিজেড পরিচালনার জন্য গঠিত পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

নির্বাহী সেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি বেজা-তে বদলি হবেন এবং তাদের চাকরির পূর্বের শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান কোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম এখন থেকে বেজা’র আইনি কার্যক্রম হিসেবেই চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, দেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে ইপিজেড স্থাপনের সুযোগ দিয়ে তৎকালীন সরকার ওই আইনটি প্রণয়ন করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি রহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় এলাকাকে রক্ষা করতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করবে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে বেজার অধীনে, অধ্যাদেশ জারি

আপডেট সময় ০৩:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে বিদ্যমান সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ বা বেজা’র নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। এজন্য ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন, ১৯৯৬’ বাতিল করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গতকাল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

নতুন এই অধ্যাদেশের ফলে ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে।

তবে অধ্যাদেশের ২ ধারায় বলা হয়েছে, রহিতকরণ সত্ত্বেও আগের আইনের অধীনে ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল কার্যাবলি বা গৃহীত ব্যবস্থা এই অধ্যাদেশের আওতায় সংরক্ষিত থাকবে।

অধ্যাদেশের ২(২-ক) ধারা অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এখন থেকে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০’-এর অধীনে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অঞ্চলের পরিচালনা ও তদারকি কার্যাবলি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেজা)’র ওপর ন্যস্ত থাকবে।

এছাড়া, আগের আইনের অধীনে প্রাপ্ত লাইসেন্সগুলো বৈধ থাকবে, ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন করে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে না। একইসঙ্গে বেসরকারি ইপিজেডগুলোতে বিদ্যমান বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধাগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে। তবে বেজা এসব অঞ্চলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশে জনবল ও প্রশাসনিক বিষয়ে বলা হয়, বেসরকারি ইপিজেড পরিচালনার জন্য গঠিত পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

নির্বাহী সেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি বেজা-তে বদলি হবেন এবং তাদের চাকরির পূর্বের শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান কোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম এখন থেকে বেজা’র আইনি কার্যক্রম হিসেবেই চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, দেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে ইপিজেড স্থাপনের সুযোগ দিয়ে তৎকালীন সরকার ওই আইনটি প্রণয়ন করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি রহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।