টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই খেলতে হবে। আজ সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং শেষে বিসিবিকে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে আইসিসি।
এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিসিবিকে নিতে হবে, ভারতে খেলতে যাবে কিনা। এ জন্য বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিসিবি এ সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে কিংবা খেলতে রাজি না হলে স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারে।
তবে যে শঙ্কার কারণে ভারতে খেলতে যেতে রাজি নয় বাংলাদেশ, সেই নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে বিসিবিকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে আইসিসি। জানিয়েছে, ভারতে বাংলাদেশের জন্য কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বোর্ড সভা শেষে আজ এক বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে আইসিসি।
সঙ্গে জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের ভেন্যু ও সূচি কিছুই পরিবর্তন করা হবে না।
আইসিসির এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কয়েক সপ্তাহ ধরে বিসিবির সঙ্গে ধারাবাহিক ও গঠনমূলক আলোচনায় করেছে আইসিসি। এই সময়ে আইসিসি স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন, ভেন্যুভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা এবং আয়োজক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তাসহ বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেছে। এসব মূল্যায়নে ধারাবাহিকভাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা বা সুরক্ষার ক্ষেত্রে ভারতে কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য হুমকি নেই।
আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার বিষয়টা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলে জানিয়েছেন সেই মুখপাত্র। তিনি বলেছেন, ‘এমন প্রচেষ্টার পরেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি বিসিবি। এক খেলোয়াড়ের একটি ঘরোয়া লিগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকে একটি একক, বিচ্ছিন্ন ও অসংশ্লিষ্ট ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিষয়টির সঙ্গে টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা কাঠামো বা আইসিসির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই।’ সব ধরনের নিরাপত্তা মূল্যায়ন, স্বাধীন পর্যালোচনা বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।
মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ভারতের কোনো ভেন্যুতেই কোনো ধরনের হুমকি নেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়, গণমাধ্যমকর্মী, কর্মকর্তা কিংবা সমর্থকদের জন্য। আইসিসি আরো জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরুর সময় কাছাকাছি হওয়ায় সূচি পরিবর্তন করা বাস্তবসম্মত নয়। তা ছাড়া কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকা সত্ত্বে সূচি পরিবর্তন করলে ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টগুলোর পবিত্রতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। সঙ্গে বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে আইসিসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে—এমন এক নজির সৃষ্টি হতে পারে।
ক্রীড়া ডেস্ক 
























