ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি তেল নিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান আত্রাই ইউএনও মনিরুজ্জামানের সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘ঢাকা প্রতিদিন’-এর সাংবাদিক শফিক গ্রেফতার, তীব্র নিন্দা ও মুক্তির দাবি স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ফতুল্লায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ, আহত ৮ চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা সারা বাংলাদেশের ২০২৫ এবং ২০২৬ এর টিসিবি ডিলারদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী আন্দোলন থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক তনু হত্যা মামলায় আরও ২ সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব শুরু, খেলাধুলাই পারে জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক  হোসেনপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

‘নব্বইয়ের গানগুলোই শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে’

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৬ বার পড়া হয়েছে

তাসনিম আনিকা। তারকা কণ্ঠশিল্পী। দেশ-বিদেশের মঞ্চে শো করার পাশাপাশি বিভিন্ন টিভি আয়োজনে পারফর্ম করে চলেছেন তিনি। একই সঙ্গে আয়োজন করে যাচ্ছেন নতুন গানের। এ সময়ে ব্যস্ততা, সংগীত নিয়ে নিজস্ব ভাবনা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রাসেল আজাদ বিদ্যুৎ

প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, কোথাও না কোথাও ছুটছেন। স্টেজ শোর কারণেই কি এত ছোটাছুটি?
ঠিক ধরেছেন, স্টেজ শোর কারণে আজ চট্টগ্রাম, কাল ঢাকা, পরশু সিলেট- এভাবেই দেশের নানা প্রান্তে ছুটতে হচ্ছে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি– এই সময়টা দেশি শিল্পীদের মঞ্চের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এই যেমন এখন ছুটে এসেছি কক্সবাজার, টানা তিন দিন শো করেই ফিরব ঢাকায়। সেখানেও কয়েকটি শোর শিডিউল দেওয়া আছে। একে একে সেসব আয়োজনে পারফর্ম করতে হবে। আপাতত এটাই রুটিন।

একের পর এক শো করে চলেছেন, কখনও ক্লান্তি ভর করে না?
ক্লান্ত হই না, এমন দাবি করব না। দিনমান কাজ করে গেলে যে কেউ ক্লান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা যারা শিল্পী বা মিউজিশিয়ান, তাদের বেলায় একটি ম্যাজিক্যাল বিষয় চোখে পড়ে। যখন তারা মঞ্চে উঠে গান গাওয়া শুরু করেন আর দর্শক-শ্রোতা উচ্ছ্বাস, উল্লাসে মেতে উঠতে থাকেন, তখন সব ক্লান্তি মুহূর্তে উধাও হয়ে যায়। এমন অভিজ্ঞতা আমারও বহুবার হয়েছে। তাই একই দিনে একাধিক শো করার পরও মনটা প্রফুল্ল থেকে গেছে শুধু দর্শক-শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারায়।

শুনলাম, দীর্ঘ সংগীত সফরের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন?
এ কথা সত্যি, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে কথার্বাতা চলছে। যেখানে সংগীত পরিচালক ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের ব্যান্ড ‘এফএনএফ’-এর সঙ্গে পারফর্ম করব। ২০১৯ সাল থেকে এই ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত আছি। এর মধ্যে ফুয়াদ ভাই যখন জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রে এফএনএফের শো করবে, আমি যেন প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। তবে কনসার্টের দিন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তাই কবে যুক্তরাষ্ট্রে ট্যুর করব, তা এখুনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।

এফএনএফ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাহলে ‘আনিকা অ্যান্ড রকবাজ’ নামে দল গঠনের কারণ কী?
‘আনিকা অ্যান্ড রকবাজ’ ঠিক ব্যান্ড নয়; বলা যায়, এটি স্টেজ পারফরম্যান্সের একটি মিউজিক্যাল সেটআপ। যারা সদস্যদের নিয়ে নিজের মতো করে পারফর্ম করি। অন্যদিকে এফএনএফ পুরোপুরি ফুয়াদ আল মুক্তাদির পরিচালিত একটি ব্যান্ড। যার প্রতিটি আয়োজনে থাকে ফুয়াদ ভাইয়ের সিগনেচার।

পপ-রক শিল্পী হিসেবে আপনার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কী পরিকল্পনা ছিল, এ ধরনের গানই গাইবেন?
অবচেতন মনে হয়তো পপ-রক গান গাওয়ারই ইচ্ছা ছিল। কারণ আমার বেড়ে ওঠা নব্বই দশকে; যখন দেশজুড়ে পপ ও রক গানের ব্যান্ডগুলো রাজত্ব করেছে। তাদের গানগুলো কোনো না কোনোভাবে মনে প্রভাব ফেলেছে। পপ-রক ছাড়াও সে সময় অসংখ্য মেলোডি গান তৈরি হয়েছে। এখনও সেই গানগুলো মুগ্ধ হয়ে শুনি, গুনগুন করে গাই। এককথায়, নব্বইয়ের গানগুলোই শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে আমাকে। এরপর যখন বাস্তবেই গানে পা রাখার সুযোগ হলো, তখন চেষ্টা করেছি ভার্সেটাইল শিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার। তারপরও পপ-রক গানগুলোকে প্রাধান্য দিতে হয়েছে শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণের তাগিদে। কারণ তারা মনে করেন, আমার কণ্ঠে এ ধরনের গান মানানসই।

মঞ্চে যতটা ব্যস্ত দেখা যায়, স্টুডিওতে ততটা নয়। নতুন গান তৈরি ও প্রকাশনা অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে কেন?
সমসাময়িক শিল্পীদের চেয়ে আমি কিছুটা উদাসীন। অলস বললেও ভুল হবে না। রেকর্ডিং স্টুডিও বসে দিনের পর দিন কথা-সুরের কাটাছেঁড়া করে যাওয়া, এরপর গান তৈরি হলে কণ্ঠ রেকর্ড করা, গানের প্রচার-প্রচারণা পর্ব শেষ করে প্রকাশনায় হাত দেওয়া– অনেক ধৈর্যের বিষয়। এমন নয় যে, গান প্রকাশ করা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছি। যখন খুব তৃষ্ণায় কাতর হই, তখন সৃষ্টির নেশা চেপে বসে। মন-প্রাণ উজাড় করে কাজ করে যাই। তখনই আসলে উপলব্ধি করি সৃষ্টির নেশাটা কী এবং কেমন। গানকে এখনও পণ্য ভাবতে পারিনি। এজন্য হয়তো অনেকের মতো কদিন পরপর গান প্রকাশ করা হয়ে ওঠে না। সৃষ্টির তাগিদেই সৃষ্টি উঠে আসবে– এটাই বিশ্বাস করি।

গানের পাশাপাশি এক সময় অভিনয়ে দেখা গেছে আপনাকে। এখন কেন দেখা যাচ্ছে না?
আমি তো অভিনেত্রী নই। তাই পর্দায় নিয়মিত কিংবা মাঝেমধ্যে দেখা যাবে– এমন প্রত্যাশা রাখা যাবে না। মানছি, ‘দেখা, না দেখা’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করেছি। কিছু শখে আর পরিচালক ইভান মনোয়ারের প্রশ্রয়ে অভিনয়টা করে ফেলেছি। কাজটা সহজ ছিল এ কারণে যে, সেখানে কণ্ঠশিল্পী আনিকা রূপেই তুলে ধরা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, অভিনয়ের ইচ্ছা এখনও কিছুটা আছে; যদি পছন্দসই গল্প ও চরিত্র মেলে। তবে তার জন্য অবশ্যই আমাকে অভিনয়ের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এসব চাহিদা মেনে কেউ অভিনয়ের সুযোগ দিলে তাহলে অবশ্যই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেল নিয়ে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান আত্রাই ইউএনও মনিরুজ্জামানের

‘নব্বইয়ের গানগুলোই শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে’

আপডেট সময় ১২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

তাসনিম আনিকা। তারকা কণ্ঠশিল্পী। দেশ-বিদেশের মঞ্চে শো করার পাশাপাশি বিভিন্ন টিভি আয়োজনে পারফর্ম করে চলেছেন তিনি। একই সঙ্গে আয়োজন করে যাচ্ছেন নতুন গানের। এ সময়ে ব্যস্ততা, সংগীত নিয়ে নিজস্ব ভাবনা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন রাসেল আজাদ বিদ্যুৎ

প্রায়ই দেখা যাচ্ছে, কোথাও না কোথাও ছুটছেন। স্টেজ শোর কারণেই কি এত ছোটাছুটি?
ঠিক ধরেছেন, স্টেজ শোর কারণে আজ চট্টগ্রাম, কাল ঢাকা, পরশু সিলেট- এভাবেই দেশের নানা প্রান্তে ছুটতে হচ্ছে। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি– এই সময়টা দেশি শিল্পীদের মঞ্চের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এই যেমন এখন ছুটে এসেছি কক্সবাজার, টানা তিন দিন শো করেই ফিরব ঢাকায়। সেখানেও কয়েকটি শোর শিডিউল দেওয়া আছে। একে একে সেসব আয়োজনে পারফর্ম করতে হবে। আপাতত এটাই রুটিন।

একের পর এক শো করে চলেছেন, কখনও ক্লান্তি ভর করে না?
ক্লান্ত হই না, এমন দাবি করব না। দিনমান কাজ করে গেলে যে কেউ ক্লান্ত হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা যারা শিল্পী বা মিউজিশিয়ান, তাদের বেলায় একটি ম্যাজিক্যাল বিষয় চোখে পড়ে। যখন তারা মঞ্চে উঠে গান গাওয়া শুরু করেন আর দর্শক-শ্রোতা উচ্ছ্বাস, উল্লাসে মেতে উঠতে থাকেন, তখন সব ক্লান্তি মুহূর্তে উধাও হয়ে যায়। এমন অভিজ্ঞতা আমারও বহুবার হয়েছে। তাই একই দিনে একাধিক শো করার পরও মনটা প্রফুল্ল থেকে গেছে শুধু দর্শক-শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারায়।

শুনলাম, দীর্ঘ সংগীত সফরের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন?
এ কথা সত্যি, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে কথার্বাতা চলছে। যেখানে সংগীত পরিচালক ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের ব্যান্ড ‘এফএনএফ’-এর সঙ্গে পারফর্ম করব। ২০১৯ সাল থেকে এই ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত আছি। এর মধ্যে ফুয়াদ ভাই যখন জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রে এফএনএফের শো করবে, আমি যেন প্রস্তুতি নিয়ে থাকি। তবে কনসার্টের দিন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তাই কবে যুক্তরাষ্ট্রে ট্যুর করব, তা এখুনি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।

এফএনএফ ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাহলে ‘আনিকা অ্যান্ড রকবাজ’ নামে দল গঠনের কারণ কী?
‘আনিকা অ্যান্ড রকবাজ’ ঠিক ব্যান্ড নয়; বলা যায়, এটি স্টেজ পারফরম্যান্সের একটি মিউজিক্যাল সেটআপ। যারা সদস্যদের নিয়ে নিজের মতো করে পারফর্ম করি। অন্যদিকে এফএনএফ পুরোপুরি ফুয়াদ আল মুক্তাদির পরিচালিত একটি ব্যান্ড। যার প্রতিটি আয়োজনে থাকে ফুয়াদ ভাইয়ের সিগনেচার।

পপ-রক শিল্পী হিসেবে আপনার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কী পরিকল্পনা ছিল, এ ধরনের গানই গাইবেন?
অবচেতন মনে হয়তো পপ-রক গান গাওয়ারই ইচ্ছা ছিল। কারণ আমার বেড়ে ওঠা নব্বই দশকে; যখন দেশজুড়ে পপ ও রক গানের ব্যান্ডগুলো রাজত্ব করেছে। তাদের গানগুলো কোনো না কোনোভাবে মনে প্রভাব ফেলেছে। পপ-রক ছাড়াও সে সময় অসংখ্য মেলোডি গান তৈরি হয়েছে। এখনও সেই গানগুলো মুগ্ধ হয়ে শুনি, গুনগুন করে গাই। এককথায়, নব্বইয়ের গানগুলোই শিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে আমাকে। এরপর যখন বাস্তবেই গানে পা রাখার সুযোগ হলো, তখন চেষ্টা করেছি ভার্সেটাইল শিল্পী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার। তারপরও পপ-রক গানগুলোকে প্রাধান্য দিতে হয়েছে শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণের তাগিদে। কারণ তারা মনে করেন, আমার কণ্ঠে এ ধরনের গান মানানসই।

মঞ্চে যতটা ব্যস্ত দেখা যায়, স্টুডিওতে ততটা নয়। নতুন গান তৈরি ও প্রকাশনা অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে কেন?
সমসাময়িক শিল্পীদের চেয়ে আমি কিছুটা উদাসীন। অলস বললেও ভুল হবে না। রেকর্ডিং স্টুডিও বসে দিনের পর দিন কথা-সুরের কাটাছেঁড়া করে যাওয়া, এরপর গান তৈরি হলে কণ্ঠ রেকর্ড করা, গানের প্রচার-প্রচারণা পর্ব শেষ করে প্রকাশনায় হাত দেওয়া– অনেক ধৈর্যের বিষয়। এমন নয় যে, গান প্রকাশ করা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছি। যখন খুব তৃষ্ণায় কাতর হই, তখন সৃষ্টির নেশা চেপে বসে। মন-প্রাণ উজাড় করে কাজ করে যাই। তখনই আসলে উপলব্ধি করি সৃষ্টির নেশাটা কী এবং কেমন। গানকে এখনও পণ্য ভাবতে পারিনি। এজন্য হয়তো অনেকের মতো কদিন পরপর গান প্রকাশ করা হয়ে ওঠে না। সৃষ্টির তাগিদেই সৃষ্টি উঠে আসবে– এটাই বিশ্বাস করি।

গানের পাশাপাশি এক সময় অভিনয়ে দেখা গেছে আপনাকে। এখন কেন দেখা যাচ্ছে না?
আমি তো অভিনেত্রী নই। তাই পর্দায় নিয়মিত কিংবা মাঝেমধ্যে দেখা যাবে– এমন প্রত্যাশা রাখা যাবে না। মানছি, ‘দেখা, না দেখা’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমায় অভিনয় করেছি। কিছু শখে আর পরিচালক ইভান মনোয়ারের প্রশ্রয়ে অভিনয়টা করে ফেলেছি। কাজটা সহজ ছিল এ কারণে যে, সেখানে কণ্ঠশিল্পী আনিকা রূপেই তুলে ধরা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, অভিনয়ের ইচ্ছা এখনও কিছুটা আছে; যদি পছন্দসই গল্প ও চরিত্র মেলে। তবে তার জন্য অবশ্যই আমাকে অভিনয়ের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এসব চাহিদা মেনে কেউ অভিনয়ের সুযোগ দিলে তাহলে অবশ্যই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াব।