সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

২০২৫ সালে মসজিদে কুবায় ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি মুসল্লির আগমন

  • ধর্ম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম প্রতিষ্ঠিত মসজিদ হিসেবে পরিচিত মদিনার কুবা মসজিদ। ২০২৫ সালে এই মসজিদে ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি মানুষ ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য সমবেত হয়েছেন। বিপুল এই দর্শনার্থীর উপস্থিতি মসজিদটির ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বেরই প্রতিফলন।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মদিনার কুবা মসজিদে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা ইসলামের প্রথম মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বিশেষ আধ্যাত্মিক অনুভূতি লাভ করেন। দর্শনার্থীদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে মসজিদটিকে ঘিরে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, যা ইবাদতকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

২০২৫ সালজুড়ে কুবা মসজিদে ব্যাপক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ পরিচালিত হয়। মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এসব কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় নতুন করে ২ হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়িয়ে ১৬০ টনের বেশি করা হয়েছে।

দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে মসজিদের বাইরে ১৫০টিরও বেশি ছাউনি স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নীত করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম, যেখানে স্থাপন করা হয়েছে ১৬০টি স্পিকার। মসজিদের আঙিনাজুড়ে ৩ হাজার বর্গমিটার এলাকায় নতুন কার্পেট বিছানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে ইবাদত করতে পারেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব উন্নয়নকাজ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অংশ। এর লক্ষ্য হলো কুবা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আগত সব দর্শনার্থীর জন্য আরও উন্নত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। কুবা মসজিদ আজও ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে আছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

২০২৫ সালে মসজিদে কুবায় ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি মুসল্লির আগমন

আপডেট সময় ১২:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম প্রতিষ্ঠিত মসজিদ হিসেবে পরিচিত মদিনার কুবা মসজিদ। ২০২৫ সালে এই মসজিদে ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি মানুষ ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য সমবেত হয়েছেন। বিপুল এই দর্শনার্থীর উপস্থিতি মসজিদটির ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বেরই প্রতিফলন।

সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মদিনার কুবা মসজিদে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা ইসলামের প্রথম মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বিশেষ আধ্যাত্মিক অনুভূতি লাভ করেন। দর্শনার্থীদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে মসজিদটিকে ঘিরে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে, যা ইবাদতকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

২০২৫ সালজুড়ে কুবা মসজিদে ব্যাপক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ পরিচালিত হয়। মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে এসব কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় নতুন করে ২ হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়। পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়িয়ে ১৬০ টনের বেশি করা হয়েছে।

দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে মসজিদের বাইরে ১৫০টিরও বেশি ছাউনি স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নীত করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম, যেখানে স্থাপন করা হয়েছে ১৬০টি স্পিকার। মসজিদের আঙিনাজুড়ে ৩ হাজার বর্গমিটার এলাকায় নতুন কার্পেট বিছানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে ইবাদত করতে পারেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব উন্নয়নকাজ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অংশ। এর লক্ষ্য হলো কুবা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আগত সব দর্শনার্থীর জন্য আরও উন্নত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। কুবা মসজিদ আজও ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে আছে।