ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দ্বিতীয় বিয়ের তিন মাসের মাথায় ভাঙনের মুখে বাদশার সংসার বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১ ট্রাইব্যুনালে ফেরদৌস-শাওন-সোমা ও আনিস আলমগীরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আ. লীগ ও বিএনপির রাজনীতির মধ্যে তফাৎ আছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী পরীক্ষা সংস্কারে নতুন পদক্ষেপ নিলেন নরেন্দ্র মোদি মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নিয়ম ভেঙে ১০৮ কোটি টাকার দরপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ভিসির বিরুদ্ধে বড়লেখায় সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

জেলের জালে ধরা পড়ল ৪০ কেজি ওজনের কচ্ছপ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক মণ ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কচ্ছপ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) রাতে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের আজমার খাল এলাকায় কচ্ছপটি ধরা পড়ে। স্থানীয় জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি মাছ ধরার উদ্দেশ্যে মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন। জাল টানার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ ভারী কিছু উঠতে থাকলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন।

শাহাবুদ্দিন মাঝি বলেন, মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেছিলাম। জাল তুলতে গিয়ে দেখি খুব ভারী কিছু আটকে আছে। পরে জাল তুলে দেখি বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপ। জীবনে এত বড় কচ্ছপ আগে কখনও দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, কচ্ছপটি তীরে আনার পর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করে। কচ্ছপটি দেখতে নদীর পাড়ে শত শত মানুষ জড়ো হয়।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. সৈকত বলেন, আগে কখনও এত বড় কচ্ছপ দেখিনি। আজ নিজের চোখে দেখলাম। কচ্ছপটি সত্যিই খুব বড় ছিল। মেঘনা নদীতে মাঝেমধ্যে কচ্ছপ দেখা গেলেও এত বড় আকারের কচ্ছপ খুবই বিরল। ফলে খবর ছড়িয়ে পড়তেই উৎসুক জনতা কচ্ছপটি এক নজর দেখতে নদীর পাড়ে ভিড় করেন।

এদিকে পরিবেশ সচেতন মহল মনে করছেন, কচ্ছপটি বিরল প্রজাতির হতে পারে। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে কচ্ছপটির সুরক্ষা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়। কচ্ছপটি বর্তমানে জেলের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বলেন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আইন অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। অবৈধ শিকার, পাচার কিংবা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি হয়-এমন যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

জেলের জালে ধরা পড়ল ৪০ কেজি ওজনের কচ্ছপ

আপডেট সময় ১২:০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক মণ ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কচ্ছপ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) রাতে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের আজমার খাল এলাকায় কচ্ছপটি ধরা পড়ে। স্থানীয় জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি মাছ ধরার উদ্দেশ্যে মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন। জাল টানার শেষ পর্যায়ে হঠাৎ ভারী কিছু উঠতে থাকলে তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেন।

শাহাবুদ্দিন মাঝি বলেন, মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেছিলাম। জাল তুলতে গিয়ে দেখি খুব ভারী কিছু আটকে আছে। পরে জাল তুলে দেখি বিশাল আকৃতির একটি কচ্ছপ। জীবনে এত বড় কচ্ছপ আগে কখনও দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, কচ্ছপটি তীরে আনার পর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করে। কচ্ছপটি দেখতে নদীর পাড়ে শত শত মানুষ জড়ো হয়।

এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. সৈকত বলেন, আগে কখনও এত বড় কচ্ছপ দেখিনি। আজ নিজের চোখে দেখলাম। কচ্ছপটি সত্যিই খুব বড় ছিল। মেঘনা নদীতে মাঝেমধ্যে কচ্ছপ দেখা গেলেও এত বড় আকারের কচ্ছপ খুবই বিরল। ফলে খবর ছড়িয়ে পড়তেই উৎসুক জনতা কচ্ছপটি এক নজর দেখতে নদীর পাড়ে ভিড় করেন।

এদিকে পরিবেশ সচেতন মহল মনে করছেন, কচ্ছপটি বিরল প্রজাতির হতে পারে। তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে কচ্ছপটির সুরক্ষা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়। কচ্ছপটি বর্তমানে জেলের হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল বলেন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে আইন অমান্য করার কোনো সুযোগ নেই। অবৈধ শিকার, পাচার কিংবা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি হয়-এমন যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।