ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দ্বিতীয় বিয়ের তিন মাসের মাথায় ভাঙনের মুখে বাদশার সংসার বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১ ট্রাইব্যুনালে ফেরদৌস-শাওন-সোমা ও আনিস আলমগীরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আ. লীগ ও বিএনপির রাজনীতির মধ্যে তফাৎ আছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী পরীক্ষা সংস্কারে নতুন পদক্ষেপ নিলেন নরেন্দ্র মোদি মেধাবী ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গড়ে তোলা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নিয়ম ভেঙে ১০৮ কোটি টাকার দরপত্র অনুমোদনের অভিযোগ ভিসির বিরুদ্ধে বড়লেখায় সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

কাঠের বোটে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে ২৭৩ জন উদ্ধার

সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৭৩ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তাদের মধ্য অধিকাংশ রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। এ সময় ১০ দালালকেও আটক করা হয়।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। আজ রোববার বিকেলে নৌবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ঙ্গোপসাগরে টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা স্বাধীনতা’ সেন্টমার্টিন্স দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ২৭৩ জন এবং একটি কাঠের বোট উদ্ধার করে।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি কাঠের বোটের সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে। নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে বোটটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি না থেমে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে নৌবাহিনীর তাৎক্ষণিক ধাওয়ায় বোটটি আটক করা হয়। পার বোট থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৭৩ জনকে উদ্ধার করেছে। তাদের মধ্য অধিকাংশ রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। এ সময় ১০ দালালকেও আটক করা হয়।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দালালচক্রের মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেছিল। বোটটিতে দালালচক্রের ১০ জন সদস্যও ছিল। আটক বোট ও উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনী জানায়, আটক বোটটিতে ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানি কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এ অবস্থায় গভীর সমুদ্রে যাত্রা অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা ছিল। নৌবাহিনীর সময়োচিত ও কার্যকর পদক্ষেপে সেই বিপর্যয় প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবপাচার ও চোরাচালান রোধ এবং সমুদ্রপথে সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বদা দৃঢ় ও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

কাঠের বোটে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে ২৭৩ জন উদ্ধার

আপডেট সময় ০৭:৫০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৭৩ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তাদের মধ্য অধিকাংশ রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। এ সময় ১০ দালালকেও আটক করা হয়।

গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়। আজ রোববার বিকেলে নৌবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

ঙ্গোপসাগরে টহলরত নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা স্বাধীনতা’ সেন্টমার্টিন্স দ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ২৭৩ জন এবং একটি কাঠের বোট উদ্ধার করে।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে প্রায় ৩০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি কাঠের বোটের সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসে। নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে বোটটিকে থামার সংকেত দেওয়া হলে সেটি না থেমে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে নৌবাহিনীর তাৎক্ষণিক ধাওয়ায় বোটটি আটক করা হয়। পার বোট থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৭৩ জনকে উদ্ধার করেছে। তাদের মধ্য অধিকাংশ রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। এ সময় ১০ দালালকেও আটক করা হয়।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দালালচক্রের মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেছিল। বোটটিতে দালালচক্রের ১০ জন সদস্যও ছিল। আটক বোট ও উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনী জানায়, আটক বোটটিতে ন্যূনতম জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানি কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এ অবস্থায় গভীর সমুদ্রে যাত্রা অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা ছিল। নৌবাহিনীর সময়োচিত ও কার্যকর পদক্ষেপে সেই বিপর্যয় প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানবপাচার ও চোরাচালান রোধ এবং সমুদ্রপথে সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বদা দৃঢ় ও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়।