ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসেম্বরে নয়, পারলে দেশে এখনই আসেন, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি বিশ্বমানের পর্যটনশিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বিআরটিএ ট্রাস্ট বোর্ডের চেক হস্তান্তর শিবগঞ্জে পদ্মার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন বাংলাদেশকে দাস রাষ্ট্রে পরিণত করার দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ইয়াবা উদ্ধারের পর থানা ঘেরাও, চাপের মুখে আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ জমি বিরোধে রাতের আঁধারে কৃষকের ‘সর্বনাশ’ করলেন কৃষক লীগ নেতা আমাদের জীবন থেকে ১৭ বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে: পানিসম্পদমন্ত্রী ঢাকা-সিলেট ছয় লেনের কাজ শেষ হবে কবে, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণে ৮৪ শতাংশ অগ্রগতি : এনসিটিবি

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ সম্পন্ন করে মহান বিজয় দিবসের আগেই দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১ জানুয়ারি প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী বই হাতে পায়। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগ সম্পন্নের কাছাকাছি রয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। অল্প সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ও ইবতেদায়ি স্তরের মোট ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যপুস্তকের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই স্তরের বইয়ের মধ্যে ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে।

শ্রেণিভিত্তিক সরবরাহের অগ্রগতির হিসাবে দেখা যায়, ইবতেদায়ি স্তরে ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠ্যবই পাওয়ার সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) সব স্তরের মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আপলোড করা হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় তদারকির ফলে চলমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছে এনসিটিবি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরে নয়, পারলে দেশে এখনই আসেন, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণে ৮৪ শতাংশ অগ্রগতি : এনসিটিবি

আপডেট সময় ০৫:২৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ সম্পন্ন করে মহান বিজয় দিবসের আগেই দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১ জানুয়ারি প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী বই হাতে পায়। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগ সম্পন্নের কাছাকাছি রয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। অল্প সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ও ইবতেদায়ি স্তরের মোট ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যপুস্তকের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই স্তরের বইয়ের মধ্যে ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে।

শ্রেণিভিত্তিক সরবরাহের অগ্রগতির হিসাবে দেখা যায়, ইবতেদায়ি স্তরে ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠ্যবই পাওয়ার সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) সব স্তরের মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আপলোড করা হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় তদারকির ফলে চলমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছে এনসিটিবি।