ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পোর্টেবল সিগন্যাল লাইট ব্যবহার শুরু পুলিশের ঈদযাত্রায় ‘তেলের টেনশনে’ শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা সালমান আগার রান আউট বিতর্কে যা বলছে এমসিসি ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে নোয়াখালীতে র‍্যাবের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঈদযাত্রায় সাভারে সড়কে মানুষের ঢল, বেড়েছে গণপরিবহনের চাপ কক্সবাজার সৈকতে বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজায় পুণ্যার্থীর ঢল মতিঝিলে চোর-পুলিশ খেলা, গুলিস্তানে পুলিশের সামনে নতুন নোট বিক্রি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, দুই পরিবহনকে জরিমানা

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণে ৮৪ শতাংশ অগ্রগতি : এনসিটিবি

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ সম্পন্ন করে মহান বিজয় দিবসের আগেই দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১ জানুয়ারি প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী বই হাতে পায়। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগ সম্পন্নের কাছাকাছি রয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। অল্প সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ও ইবতেদায়ি স্তরের মোট ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যপুস্তকের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই স্তরের বইয়ের মধ্যে ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে।

শ্রেণিভিত্তিক সরবরাহের অগ্রগতির হিসাবে দেখা যায়, ইবতেদায়ি স্তরে ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠ্যবই পাওয়ার সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) সব স্তরের মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আপলোড করা হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় তদারকির ফলে চলমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছে এনসিটিবি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিকিটের অগ্নিমূল্যে যাত্রীদের নাভিশ্বাস

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই বিতরণে ৮৪ শতাংশ অগ্রগতি : এনসিটিবি

আপডেট সময় ০৫:২৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনসিটিবি জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ সম্পন্ন করে মহান বিজয় দিবসের আগেই দেশের সব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ১ জানুয়ারি প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী বই হাতে পায়। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া ইবতেদায়ি ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগ সম্পন্নের কাছাকাছি রয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। অল্প সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ও ইবতেদায়ি স্তরের মোট ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যপুস্তকের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই স্তরের বইয়ের মধ্যে ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছেছে।

শ্রেণিভিত্তিক সরবরাহের অগ্রগতির হিসাবে দেখা যায়, ইবতেদায়ি স্তরে ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, নবম শ্রেণিতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণিতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ পাঠ্যপুস্তক বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের সহজে পাঠ্যবই পাওয়ার সুবিধার্থে এনসিটিবির ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) সব স্তরের মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আপলোড করা হয়েছে।

মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও নিবিড় তদারকির ফলে চলমান অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলেও জানিয়েছে এনসিটিবি।