আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই আসনে বিএনপি এখনো তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে নানা গুঞ্জন থাকলেও এরই মধ্যে মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আলামিন মাহমুদী।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর মানিকপুর ইউনিয়নের উলুকান্দী গ্রামের সন্তান আলামিন মাহমুদী বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব। স্থানীয় ও জাতীয় মিডিয়ায় আলোচিত এই তরুণ নেতা ইতিমধ্যে ট্রাক প্রতীক নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন।
ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি দোয়া ও সমর্থন চাইছেন। নিজের প্রার্থিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আলামিন মাহমুদী বলেন, ‘‘আমি বাঞ্ছারামপুরের মাটি ও মানুষের সন্তান। এই জনপদকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। এলাকাবাসী যদি আমাকে সমর্থন দিয়ে সংসদে পাঠান, তবে বাঞ্ছারামপুরকে ঢেলে সাজাব এবং সারা দেশের কাছে এই উপজেলাকে নতুনভাবে পরিচিত করব। আমি সবার সহযোগিতা নিয়ে আগামী নির্বাচনে লড়াই করতে চাই।’’
এদিকে, গত ৩ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬) ও সরাইল-আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) আসনে প্রার্থী ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। ঘোষিত তালিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে এম.এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে আব্দুল মান্নান মনোনয়ন পেয়েছেন।
বিএনপির এই দোদুল্যমান পরিস্থিতির সুযোগে এবং জোনায়েদ সাকির গুঞ্জনের মাঝেই বাঞ্ছারামপুরের মাঠে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মরিয়া গণঅধিকার পরিষদ ও তাদের প্রার্থী মাওলানা আলামিন মাহমুদী।
মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) 

























