ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ ভোলাহাটে সাংবাদিক রনি রজবের পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ বান্দরবান কৃষক দলের শীর্ষ পদে ‘হাইব্রিড’ নেতা অহিদুর! দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কেরালায় ‘যমজ’ বিয়ের আয়োজন, বর-কনে-পুরোহিত সবাই যমজ সমাজকে আলোকিত করতে যুব সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

শিগগিরই ঢাবির বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ কাজ শুরু

চীন সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ২৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। এই প্রকল্পের স্থান নির্ধারণের জন্য চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জগন্নাথ হল এলাকা পরিদর্শন করে।

পরিদর্শনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, চীনা রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়। উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য হল নির্মাণে সহযোগিতা করায় চীনের সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। আগামী ২/১ মাসের মধ্যে হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই ছাত্রী হল ছাড়াও অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশ কিছু হল নির্মাণ করা হবে। এসব হল নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ হাজার ৫০০ ছাত্রীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গত বছর ছাত্রীদের আবাসিক সংকটের বিষয়টি আমাকে অবহিত করেন। তখন থেকে আমরা এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধাসহ শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি

শিগগিরই ঢাবির বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ কাজ শুরু

আপডেট সময় ০৮:২৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

চীন সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় ২৪৪ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে। এই প্রকল্পের স্থান নির্ধারণের জন্য চীনের একটি বিশেষজ্ঞ দল আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) জগন্নাথ হল এলাকা পরিদর্শন করে।

পরিদর্শনকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, চীনা রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ দলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়। উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য হল নির্মাণে সহযোগিতা করায় চীনের সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। আগামী ২/১ মাসের মধ্যে হল নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এই ছাত্রী হল ছাড়াও অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশ কিছু হল নির্মাণ করা হবে। এসব হল নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ১ হাজার ৫০০ ছাত্রীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে।

এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গত বছর ছাত্রীদের আবাসিক সংকটের বিষয়টি আমাকে অবহিত করেন। তখন থেকে আমরা এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধাসহ শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।