সংবাদ শিরোনাম ::
অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ করলো আমিরাত বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলফামারীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সম্মাননা দেয়া হলো তিনটি স্কুলকে আত্রাইয়ে ৫০ জাতের দেশীয় ফলের প্রদর্শনী নিয়ে ব্যতিক্রমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত নি’হ’ত নন্দিনীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছুটে গেলেন ত্রাণমন্ত্রী ঝালকাঠি পৌর প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় ৯নং ওয়ার্ডের জয় কালিহাতীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

শ্রীলঙ্কায় তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কর্মশালা

বৃহস্পতিবার কলম্বোর শ্রীলঙ্কা প্রেস ইনস্টিটিউটে (এসএলপিআই) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক এক বিশেষ কর্মশালা। আধুনিক ডিজিটাল যুগে সংবাদপেশায় সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মশালায় অংশ নেন প্রায় ৩০ জন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতা।

বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় মূল বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান। তিনি একই সঙ্গে পোল্যান্ডের লোডজ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এবং ভারতের চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়–এর অতিথি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কা প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুমার লোপেজ, ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কুমার নাদেসান।

মূল আলোচনায় ড. কাবিল খান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে তথ্যের পরিবেশ বদলে দিচ্ছে, সংবাদকর্মীদের জন্য এর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ কী এবং ভুয়া সংবাদ সনাক্তে কোন কোন কৌশল কার্যকর হতে পারে—তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংবাদ যাচাই ও তথ্য বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

কর্মশালার অংশগ্রহণকারীরা জানান, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে এই প্রশিক্ষণ তাদের বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে। অনেকের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের জন্য এক অত্যন্ত সময়োপযোগী ও অনুপ্রেরণাদায়ক উদ্যোগ।

আয়োজকেরা জানান, সংবাদ পরিবেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভুয়া তথ্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও সাংবাদিক ও গণমাধ্যম পেশাজীবীদের নিয়ে এমন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের

শ্রীলঙ্কায় তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কর্মশালা

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বৃহস্পতিবার কলম্বোর শ্রীলঙ্কা প্রেস ইনস্টিটিউটে (এসএলপিআই) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক এক বিশেষ কর্মশালা। আধুনিক ডিজিটাল যুগে সংবাদপেশায় সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই কর্মশালায় অংশ নেন প্রায় ৩০ জন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতা।

বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় মূল বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান। তিনি একই সঙ্গে পোল্যান্ডের লোডজ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এবং ভারতের চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়–এর অতিথি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কা প্রেস ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুমার লোপেজ, ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কুমার নাদেসান।

মূল আলোচনায় ড. কাবিল খান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে তথ্যের পরিবেশ বদলে দিচ্ছে, সংবাদকর্মীদের জন্য এর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ কী এবং ভুয়া সংবাদ সনাক্তে কোন কোন কৌশল কার্যকর হতে পারে—তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংবাদ যাচাই ও তথ্য বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

কর্মশালার অংশগ্রহণকারীরা জানান, তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে এই প্রশিক্ষণ তাদের বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে। অনেকের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের জন্য এক অত্যন্ত সময়োপযোগী ও অনুপ্রেরণাদায়ক উদ্যোগ।

আয়োজকেরা জানান, সংবাদ পরিবেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভুয়া তথ্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও সাংবাদিক ও গণমাধ্যম পেশাজীবীদের নিয়ে এমন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।