সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের ৪০ বছরের পুরোনো ৫টি গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার করেছেন জেডি। চিৎলা পাট বীজ খামারে যোগদান করার পর দূর্নীতি অনিয়মের অনেক সংবাদ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে।
অত্র খামারের যুগ্ন পরিচালকের প্রয়োজনে একটা একটা করে খামারের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা মূল্যর গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার বানাচ্ছেন। এর মধ্যে অত্র খামারের দক্ষিণ ব্লক থেকে ঢেপা, পাঁকুড়িয়া, বাগুন্দা গ্রামের রাস্তা পানে যেতে খামারের রাস্তার ২ পার্শ্বে ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ৩ টা সেগুণ গাছ কেটেছে, মধ্যে ব্লকের জমির ফসল মাড়াই করার খোলার কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ, উত্তর ব্লকে বাশঁবাড়িয়া দঃ পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর বাড়ির কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ কেটে গাছের গোড়াটা জেডির ফার্নিচার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে গেছে বাকি মোটা ডালপালা গুলো খামারের প্রয়োজনে কিছু কাজে লাগিয়েছে বাকি চিকন ডালপালা গুলো জেডির কাছের শ্রমিকদের কে দিয়ে দিয়েছে তারা বিক্রয় করে নিয়েছে।
এছাড়াও খামারের প্রয়োজনে ছোট বড় মেহগুনী, নীম, বাবলা অন্যান্য গাছ প্রতি বছরে নিয়মিত ভাবে খামারের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে আসছেন। এই গাছ কাটার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যায় যে, সরকারি গাছ কাটার যে নিয়মনীতি আছে সেই নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে খামারের গাছ কেটে থাকে জেডি সাহেব। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ বিভাগের জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি। এই খামারের কর্মকর্তা ও পাটবীজ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তারা ফোন ধরেন না।
বিশেষ প্রতিনিধি 























