ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাসী কায়দায় গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পিএসএলের বাকি অংশে খেলা হচ্ছে না নাহিদ-মুস্তাফিজের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বেরোবিতে আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আইইএলটিএস পরীক্ষা দিতে আসা তরুণীর লাশ মিলল হোটেলের বাথরুমে বড়লেখা উপজেলা পৌর ছাত্রদল ও বড়লেখা উপজেলা শাখার ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তনু হত্যায় গ্রেপ্তার হাফিজুরের ডিএনএর নমুনা সংগ্রহ বিসিকের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ! ঘোড়াশালে চাঁদাবাজ মহিউদ্দিনের দাপট, স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলের অভিযোগ কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ড যাচাইয়ে ইউএনও’র তৎপরতা, ভুল বোঝাবুঝির অবসান

অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের গাছ কাটার অভিযোগ জেডির বিরুদ্ধে

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০১:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬১০ বার পড়া হয়েছে

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের ৪০ বছরের পুরোনো ৫টি গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার করেছেন জেডি। চিৎলা পাট বীজ খামারে যোগদান করার পর দূর্নীতি অনিয়মের অনেক সংবাদ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে।

অত্র খামারের যুগ্ন পরিচালকের প্রয়োজনে একটা একটা করে খামারের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা মূল্যর গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার বানাচ্ছেন। এর মধ্যে অত্র খামারের দক্ষিণ ব্লক থেকে ঢেপা, পাঁকুড়িয়া, বাগুন্দা গ্রামের রাস্তা পানে যেতে খামারের রাস্তার ২ পার্শ্বে ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ৩ টা সেগুণ গাছ কেটেছে, মধ্যে ব্লকের জমির ফসল মাড়াই করার খোলার কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ, উত্তর ব্লকে বাশঁবাড়িয়া দঃ পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর বাড়ির কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ কেটে গাছের গোড়াটা জেডির ফার্নিচার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে গেছে বাকি মোটা ডালপালা গুলো খামারের প্রয়োজনে কিছু কাজে লাগিয়েছে বাকি চিকন ডালপালা গুলো জেডির কাছের শ্রমিকদের কে দিয়ে দিয়েছে তারা বিক্রয় করে নিয়েছে।

এছাড়াও খামারের প্রয়োজনে ছোট বড় মেহগুনী, নীম, বাবলা অন্যান্য গাছ প্রতি বছরে নিয়মিত ভাবে খামারের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে আসছেন। এই গাছ কাটার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যায় যে, সরকারি গাছ কাটার যে নিয়মনীতি আছে সেই নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে খামারের গাছ কেটে থাকে জেডি সাহেব। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ বিভাগের জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি। এই খামারের কর্মকর্তা ও পাটবীজ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তারা ফোন ধরেন না।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মনোহরগঞ্জে সন্ত্রাসী কায়দায় গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ

অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের গাছ কাটার অভিযোগ জেডির বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

সরকারের অনুমতি ছাড়ায় চিৎলা পাট বীজ খামারের ৪০ বছরের পুরোনো ৫টি গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার করেছেন জেডি। চিৎলা পাট বীজ খামারে যোগদান করার পর দূর্নীতি অনিয়মের অনেক সংবাদ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে।

অত্র খামারের যুগ্ন পরিচালকের প্রয়োজনে একটা একটা করে খামারের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা মূল্যর গাছ কেটে নিজের ফার্নিচার বানাচ্ছেন। এর মধ্যে অত্র খামারের দক্ষিণ ব্লক থেকে ঢেপা, পাঁকুড়িয়া, বাগুন্দা গ্রামের রাস্তা পানে যেতে খামারের রাস্তার ২ পার্শ্বে ৪০-৫০ বছরের পুরোনো ৩ টা সেগুণ গাছ কেটেছে, মধ্যে ব্লকের জমির ফসল মাড়াই করার খোলার কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ, উত্তর ব্লকে বাশঁবাড়িয়া দঃ পাড়ার মৃত আব্বাস আলীর বাড়ির কাছে ৪০ বছরের পুরোনো ১টি শিশু গাছ কেটে গাছের গোড়াটা জেডির ফার্নিচার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে গেছে বাকি মোটা ডালপালা গুলো খামারের প্রয়োজনে কিছু কাজে লাগিয়েছে বাকি চিকন ডালপালা গুলো জেডির কাছের শ্রমিকদের কে দিয়ে দিয়েছে তারা বিক্রয় করে নিয়েছে।

এছাড়াও খামারের প্রয়োজনে ছোট বড় মেহগুনী, নীম, বাবলা অন্যান্য গাছ প্রতি বছরে নিয়মিত ভাবে খামারের প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে গাছ কেটে আসছেন। এই গাছ কাটার বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে জানা যায় যে, সরকারি গাছ কাটার যে নিয়মনীতি আছে সেই নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে খামারের গাছ কেটে থাকে জেডি সাহেব। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য জেডির সাথে কথা বলার জন্য তার ব্যাক্তিগত মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি। এরপরে পাটবীজ বিভাগের জিএম এর সাথে মোবাইলে ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি। এই খামারের কর্মকর্তা ও পাটবীজ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তারা ফোন ধরেন না।