ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সবশেষ মামলায় জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক খাদ্য অধিদপ্তর ঠিকাদার সমিতির নতুন সভাপতি সাগর, সম্পাদক মাসুদ, সাংগঠনিক কোয়েল মহেশখালীতে এসএসসি ফলাফলে পাশের হারে আইল্যান্ড হাই স্কুল ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচিতে বেতাগীতে চারা বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক  নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়েছে মুরাদনগরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, পলাতক স্বামী খারিজের কারণ জানতে চাওয়ায় আইনজীবীকে হেনস্তা শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌনে ৪ কোটি টাকার সোনা ফেলে পালালেন চালক শিবগঞ্জে এসএসসিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু সালমান শাহকে হত্যায় ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি
অমোচনীয় কালি প্রসঙ্গে রাবি উপাচার্য

‘একটু শুকানোর সময় দেন, কালি উঠবে না’

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল ও সিনেট নির্বাচনে ভোটাদানে শিক্ষার্থীদের আঙুলে যে কালি দেওয়া হচ্ছে, সেটি ‘মুছে যাচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। এমন অভিযোগের প্রসঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, ‘আমি বলব, আপনি যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কালি লাগানো মাত্র ঘষাঘষি না করেন, একটু শুকানোর সময় দিন, কালি উঠবে না, ইনশাআল্লাহ।’

অন্যদিকে রাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ. নজরুল ইসলাম বলেছেন, অমোচনীয় কালি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। এটি শুধুমাত্র অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা অমোচনীয় কালি ব্যবহার করেছি মূলত ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। কেউ যদি চিহ্ন দেওয়ার পরপরই পানি বা কোনো রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে ঘষে, তাহলে কালি মুছে যেতে পারে। তবে আমরা চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি—যার মধ্যে ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারদের নাম ও ছবি মিলিয়ে দেখা, তাই জাল ভোট বা একাধিকবার ভোট দেওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে, ভোট দেওয়ার পরপরই কয়েকজন শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে দাবি করেন যে তাদের আঙুলে লাগানো কালি অমোচনীয় নয়।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী নিজের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার চিত্র দেখিয়ে অভিযোগ করেন, আমি হাবিবুর রহমান হলের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। দেখেন কালি মুছে গেছে। পানিও দিতে হয়নি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সবশেষ মামলায় জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক

অমোচনীয় কালি প্রসঙ্গে রাবি উপাচার্য

‘একটু শুকানোর সময় দেন, কালি উঠবে না’

আপডেট সময় ১১:৫৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল ও সিনেট নির্বাচনে ভোটাদানে শিক্ষার্থীদের আঙুলে যে কালি দেওয়া হচ্ছে, সেটি ‘মুছে যাচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদল ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। এমন অভিযোগের প্রসঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, ‘আমি বলব, আপনি যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কালি লাগানো মাত্র ঘষাঘষি না করেন, একটু শুকানোর সময় দিন, কালি উঠবে না, ইনশাআল্লাহ।’

অন্যদিকে রাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ. নজরুল ইসলাম বলেছেন, অমোচনীয় কালি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। এটি শুধুমাত্র অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা অমোচনীয় কালি ব্যবহার করেছি মূলত ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল। কেউ যদি চিহ্ন দেওয়ার পরপরই পানি বা কোনো রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে ঘষে, তাহলে কালি মুছে যেতে পারে। তবে আমরা চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি—যার মধ্যে ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারদের নাম ও ছবি মিলিয়ে দেখা, তাই জাল ভোট বা একাধিকবার ভোট দেওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে, ভোট দেওয়ার পরপরই কয়েকজন শিক্ষার্থী ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে দাবি করেন যে তাদের আঙুলে লাগানো কালি অমোচনীয় নয়।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী নিজের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার চিত্র দেখিয়ে অভিযোগ করেন, আমি হাবিবুর রহমান হলের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। দেখেন কালি মুছে গেছে। পানিও দিতে হয়নি।