ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম থামেনি স্বপ্ন, ৪৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন কাঠমিস্ত্রি নাসিমুল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৪ কেজি গাঁ’জা ও ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ১ ওদুুদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় বালিয়া থেকে গোল্ডেন এ প্লাস পেল মেধাবী ছাত্র রাকিব ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০ কেজি গাঁ’জা’সহ অটোরিকশা জব্দ, গ্রেপ্তার ১ জিপিএ-৫ পেয়েও আনন্দ নেই, শিহাবের কৃতিত্বে কাঁদছে শোকাহত পরিবার বয়সকে হার মানিয়ে ৫৪ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন আলী আকবর যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন: ডা. শফিকুর রহমান সবশেষ মামলায় জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক

মাদক সেবন ও লেনদেনের জেরে মেহেদিকে হত্যা করে তিন বন্ধু!

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক যুবক হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদক সেবন ও টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশাহ আলম। এর আগে বিকেলে অভিযুক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝাড়াবর্ষা গ্রামের নিরঞ্জনের ছেলে স্বয়ন, আকবরের ছেলে শিপন ও গোপালের ছেলে উজ্জ্বল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ঝাড়াবর্ষা গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান তার বন্ধুদের সঙ্গে নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেন। নেশা করা অবস্থায় মাদক কেনাবেচার টাকা নিয়ে মেহেদীর সঙ্গে তার বন্ধুদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে তারা শ্বাসরোধ করে মেহেদীকে হত্যা করে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করার জন্য নিহতের বড় ভাই বেল্লাল হোসেনের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত কক্ষে দরজার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। পরদিন (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের মুখে জানতে পারে, হত্যার রাতে স্বয়ন, শিপন ও উজ্জ্বল মেহেদীর সঙ্গে ছিলেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
ওসি বাদশাহ আলম বলেন, হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়াও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল : তামিম

মাদক সেবন ও লেনদেনের জেরে মেহেদিকে হত্যা করে তিন বন্ধু!

আপডেট সময় ১০:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় মেহেদী হাসান (২৪) নামের এক যুবক হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মাদক সেবন ও টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশাহ আলম। এর আগে বিকেলে অভিযুক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ঝাড়াবর্ষা গ্রামের নিরঞ্জনের ছেলে স্বয়ন, আকবরের ছেলে শিপন ও গোপালের ছেলে উজ্জ্বল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ঝাড়াবর্ষা গ্রামের এনামুল হকের ছেলে মেহেদী হাসান তার বন্ধুদের সঙ্গে নেশা জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করেন। নেশা করা অবস্থায় মাদক কেনাবেচার টাকা নিয়ে মেহেদীর সঙ্গে তার বন্ধুদের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে একপর্যায়ে তারা শ্বাসরোধ করে মেহেদীকে হত্যা করে এবং ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রমাণ করার জন্য নিহতের বড় ভাই বেল্লাল হোসেনের বসতবাড়ির পরিত্যক্ত কক্ষে দরজার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। পরদিন (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের মুখে জানতে পারে, হত্যার রাতে স্বয়ন, শিপন ও উজ্জ্বল মেহেদীর সঙ্গে ছিলেন। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে সাঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
ওসি বাদশাহ আলম বলেন, হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন বন্ধুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়াও এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।