সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

মিঠাপুকুরে খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জবরদখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে নীরব প্রশাসন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পাগলার হাট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (যা পূর্বে এ.এস.বি. ব্রিক্স নামে পরিচিত ছিল)| বৈধ দলিল ও স্বাক্ষরযুক্ত মালিকানা হস্তান্তরের পরও এক সংঘবদ্ধ চক্র পেশীশক্তির মাধ্যমে ইটভাটি দখল এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বৈধ মালিক মোঃ খায়রুল ইসলাম।
২০২৫ সালের ৯ই মার্চ, ভাটার পূর্ববর্তী মালিক মোছাঃ ছালেহা খাতুন নোটারি পাবলিকের উপস্থিতিতে এবং পূর্ব ক্রেতা আহসান হাবিব রুমনের সম্মতিসহ মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে ইটভাটার মালিকানা হস্তান্তর করেন। এমনকি রুমনের পাওনাদারকে ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে এবং ১লা জুন তারিখে ভাটাটি দখলে অপচেষ্টা চালিয়েছেন একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, পদহীন স্থানীয় তথাকথিত নেতা শেখ রেজওয়ান, রিপন, আলমগীর ও চান্দু মিয়ার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দল ভাটাটিতে হামলা চালায়। অস্ত্রের মুখে ভাটার ম্যানেজার লিটন মিয়াসহ কর্মচারীদের জিম্মি করে মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। তারা মালিকের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক খায়রুল ইসলাম দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে নিশ্চিত করেন, “আমার কাছে আইনি মালিকানা সংক্রান্ত সকল বৈধ কাগজপত্র, চুক্তিপত্র ও যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে। পূর্বের ক্রেতা রুমনের স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করার ভিডিও ফুটেজও সংরক্ষিত আছে। তবুও একটি তথাকথিত নেতা গোষ্ঠী প্রশাসনের নীরবতাকে কাজে লাগিয়ে জোরপূর্বক ভাটা দখল এবং আমাকে অপমান-অপদস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা শুধু চাঁদাবাজি করছে না, বরং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সু-কৌশলে পরিচিত একজন ভিকটিমকে ব্যবহার করে আমার নামে মিথ্যা নির্যাতনের মামলাও দায়ের করেছে।”
পূর্বের নাম এ.এস.বি. ব্রিক্স থাকা সত্ত্বেও, বর্তমান নাম খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ হয়ে গেছে এবং সমস্ত আইনি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম এই নামে পরিচালিত হচ্ছে।
এএসবির প্রথম মালিক সালেহা বেগম ভাটাটি খায়রুল ইসলামের নামে লিখে দেন। সে সময় তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল, যা খায়রুল ইসলাম ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এমটিবি ব্যাংকের চেক নং CDC 3746556 এর মাধ্যমে পরিশোধ করেন। যদিও সালেহা বেগমের দেবর রিপন মিয়া এগ্রিমেন্টকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেন, বাস্তবে ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে সালেহা বেগম ও রিপন মিয়া উভয়ে উক্ত টাকা উঠিয়ে নেন। ফলে ভাটার মালিকানা নিয়ে সালেহা বেগম বা রুমনের কোনো দাবিই গ্রহণযোগ্য নয়। বৈধ এগ্রিমেন্ট, চেক লেনদেন ও প্রমাণাদি সবই খায়রুল ইসলামের পক্ষে বিদ্যমান।
ভাটার বৈধ মালিক খায়রুল ইসলাম হওয়া সত্ত্বেও একাধিক ব্যক্তি তার ভাটায় গিয়ে চাঁদাবাজি, দখল ও ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে—তাদের মূল উদ্দেশ্য শুধু অর্থ আত্মসাৎ নয়, বরং বৈধ মালিককে অপমানিত ও অপদস্ত করা। এতে ব্যবসায়িক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং একজন উদ্যোক্তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চলছে।
মেসার্স খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ম্যানেজার লিটন মিয়া মিঠাপুকুর থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তবে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া ও সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিশ্চিত করেন, অভিযুক্তরা তথাকথিত নেতা ও তাদের সঙ্গীরা রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশীশক্তি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে ইটভাটার উপর নিজের নিয়ম জারি করছে, চাঁদাবাজি করছে এবং খায়রুলকে বারবার অপমানিত করছে। প্রশাসনের নিরবতা আইনের শাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আহসান হাবিব রুমন, শেখ রেজওয়ান, রিপন, আলমগীর ও চান্দু মিয়া একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য, যারা ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে এবং ভিকটিম ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে বৈধ মালিককে সামাজিকভাবে অপদস্ত করার চেষ্টা করছে।
প্রশ্ন রয়ে যায়—আইনের শাসন কি তবে তথাকথিত নেতা ও তাদের মব শক্তির কাছে জিম্মি?
একটি স্বাধীন দেশে যেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনি অধিকার নিশ্চিত থাকার কথা, সেখানে এই ধরনের ঘটনা শুধু ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং গোটা সমাজ ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এখন সময় এসেছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার—অন্যথায় আইনের শাসন শুধুই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

মিঠাপুকুরে খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জবরদখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে নীরব প্রশাসন

আপডেট সময় ০৮:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পাগলার হাট এলাকায় অবস্থিত মেসার্স খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (যা পূর্বে এ.এস.বি. ব্রিক্স নামে পরিচিত ছিল)| বৈধ দলিল ও স্বাক্ষরযুক্ত মালিকানা হস্তান্তরের পরও এক সংঘবদ্ধ চক্র পেশীশক্তির মাধ্যমে ইটভাটি দখল এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বৈধ মালিক মোঃ খায়রুল ইসলাম।
২০২৫ সালের ৯ই মার্চ, ভাটার পূর্ববর্তী মালিক মোছাঃ ছালেহা খাতুন নোটারি পাবলিকের উপস্থিতিতে এবং পূর্ব ক্রেতা আহসান হাবিব রুমনের সম্মতিসহ মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে ইটভাটার মালিকানা হস্তান্তর করেন। এমনকি রুমনের পাওনাদারকে ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে এবং ১লা জুন তারিখে ভাটাটি দখলে অপচেষ্টা চালিয়েছেন একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, পদহীন স্থানীয় তথাকথিত নেতা শেখ রেজওয়ান, রিপন, আলমগীর ও চান্দু মিয়ার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দল ভাটাটিতে হামলা চালায়। অস্ত্রের মুখে ভাটার ম্যানেজার লিটন মিয়াসহ কর্মচারীদের জিম্মি করে মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। তারা মালিকের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক খায়রুল ইসলাম দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি কে নিশ্চিত করেন, “আমার কাছে আইনি মালিকানা সংক্রান্ত সকল বৈধ কাগজপত্র, চুক্তিপত্র ও যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে। পূর্বের ক্রেতা রুমনের স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করার ভিডিও ফুটেজও সংরক্ষিত আছে। তবুও একটি তথাকথিত নেতা গোষ্ঠী প্রশাসনের নীরবতাকে কাজে লাগিয়ে জোরপূর্বক ভাটা দখল এবং আমাকে অপমান-অপদস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা শুধু চাঁদাবাজি করছে না, বরং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সু-কৌশলে পরিচিত একজন ভিকটিমকে ব্যবহার করে আমার নামে মিথ্যা নির্যাতনের মামলাও দায়ের করেছে।”
পূর্বের নাম এ.এস.বি. ব্রিক্স থাকা সত্ত্বেও, বর্তমান নাম খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ হয়ে গেছে এবং সমস্ত আইনি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম এই নামে পরিচালিত হচ্ছে।
এএসবির প্রথম মালিক সালেহা বেগম ভাটাটি খায়রুল ইসলামের নামে লিখে দেন। সে সময় তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল, যা খায়রুল ইসলাম ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এমটিবি ব্যাংকের চেক নং CDC 3746556 এর মাধ্যমে পরিশোধ করেন। যদিও সালেহা বেগমের দেবর রিপন মিয়া এগ্রিমেন্টকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেন, বাস্তবে ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে সালেহা বেগম ও রিপন মিয়া উভয়ে উক্ত টাকা উঠিয়ে নেন। ফলে ভাটার মালিকানা নিয়ে সালেহা বেগম বা রুমনের কোনো দাবিই গ্রহণযোগ্য নয়। বৈধ এগ্রিমেন্ট, চেক লেনদেন ও প্রমাণাদি সবই খায়রুল ইসলামের পক্ষে বিদ্যমান।
ভাটার বৈধ মালিক খায়রুল ইসলাম হওয়া সত্ত্বেও একাধিক ব্যক্তি তার ভাটায় গিয়ে চাঁদাবাজি, দখল ও ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে—তাদের মূল উদ্দেশ্য শুধু অর্থ আত্মসাৎ নয়, বরং বৈধ মালিককে অপমানিত ও অপদস্ত করা। এতে ব্যবসায়িক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং একজন উদ্যোক্তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চলছে।
মেসার্স খায়রুল ব্রিকস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ম্যানেজার লিটন মিয়া মিঠাপুকুর থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তবে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া ও সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিশ্চিত করেন, অভিযুক্তরা তথাকথিত নেতা ও তাদের সঙ্গীরা রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশীশক্তি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে ইটভাটার উপর নিজের নিয়ম জারি করছে, চাঁদাবাজি করছে এবং খায়রুলকে বারবার অপমানিত করছে। প্রশাসনের নিরবতা আইনের শাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আহসান হাবিব রুমন, শেখ রেজওয়ান, রিপন, আলমগীর ও চান্দু মিয়া একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সদস্য, যারা ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে এবং ভিকটিম ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে বৈধ মালিককে সামাজিকভাবে অপদস্ত করার চেষ্টা করছে।
প্রশ্ন রয়ে যায়—আইনের শাসন কি তবে তথাকথিত নেতা ও তাদের মব শক্তির কাছে জিম্মি?
একটি স্বাধীন দেশে যেখানে প্রতিটি নাগরিকের আইনি অধিকার নিশ্চিত থাকার কথা, সেখানে এই ধরনের ঘটনা শুধু ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং গোটা সমাজ ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এখন সময় এসেছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার—অন্যথায় আইনের শাসন শুধুই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।