ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুমিল্লায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ: কুমিল্লায় ১১ দলীয় ঐক্যের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ইন্টারপোলের কাছে বেনজীরের অবস্থান জানতে চেয়ে পুলিশের চিঠি পীরগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৭৫ শিক্ষার্থীকে ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশদ্ভূত তানভীর শাহনেওয়াজ কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝালকাঠিতে সুগন্ধা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত গাড়িচালক মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সিআই মৃত্যুঞ্জয়ের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আহমেদ বাওয়ানী একাডেমিতে অনিয়মের অভিযোগ পরিচালক আল ফাত্তাহকে ঘিরে ৩ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই ও আগস্ট মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকোপ বাড়লেও বর্তমানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন কমছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩ হাজার ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৭৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া বাকি ১২৪০ জন বহির্বিভাগে শনাক্ত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩ জন। এর মধ্যে ১ জন পুরুষ, ১ জন নারী ও ১ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া, হাসপাতালটির বহির্বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬ জন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ১ শিশু রয়েছে। একই সময়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ২ জনকে। এর মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারী রয়েছে। তবে ২৪ ঘণ্টায় কাউকে রেফার্ড করা হয়নি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে এখন ডেঙ্গু রোগী ভর্তির পরিমাণ কমেছে। তাই বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তির সংখ্যা কম। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীর বেশি অংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ ছাড়া, ক্রিটিক্যাল রোগীদের রাজশাহীতে রেফার্ড করা হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের সহোযোগিতায় মাইকিং কার্যক্রম চালু আছে। প্রতিটি মসজিদে জুমার দিনে ইমামদের মাধ্যমে মুসল্লিদের মাঝে সচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। আশা করছি, সাধারণ মানুষ সচেতন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুমিল্লায় মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বৃক্ষরোপণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজার

আপডেট সময় ০৩:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই ও আগস্ট মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকোপ বাড়লেও বর্তমানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন কমছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৩ হাজার ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৭৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া বাকি ১২৪০ জন বহির্বিভাগে শনাক্ত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।

হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৩ জন। এর মধ্যে ১ জন পুরুষ, ১ জন নারী ও ১ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া, হাসপাতালটির বহির্বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬ জন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ১ শিশু রয়েছে। একই সময়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ২ জনকে। এর মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারী রয়েছে। তবে ২৪ ঘণ্টায় কাউকে রেফার্ড করা হয়নি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে এখন ডেঙ্গু রোগী ভর্তির পরিমাণ কমেছে। তাই বর্তমানে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তির সংখ্যা কম। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীর বেশি অংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ ছাড়া, ক্রিটিক্যাল রোগীদের রাজশাহীতে রেফার্ড করা হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের সহোযোগিতায় মাইকিং কার্যক্রম চালু আছে। প্রতিটি মসজিদে জুমার দিনে ইমামদের মাধ্যমে মুসল্লিদের মাঝে সচেতনতামূলক প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। আশা করছি, সাধারণ মানুষ সচেতন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে।