সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কঠিন বিপদে বাংলাদেশ এনবিআর কর্মকর্তা সম্পদের পাহাড় গড়ে হাজার কোটি টাকা লুট করে পালালেন শহিদুল যমুনা অয়েলে গণবদলি নিয়ে আলোচনা, তালিকায় নেই আওয়ামী পন্থী দেলোয়ার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোহনপুরে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ উদ্বোধন কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে দেশে ফেরত এলেন ২২১ জন ভোলায় গৃহবধূ মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী-শাশুড়িসহ ৩ আসামী গ্রেফতার চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড আদেশ দিল আদালত আত্রাইয়ে রেলওয়ে লাইনের পাশ থেকে শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

মধ্যরাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী মোড়ে এ কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি। এরপর জিরো পয়েন্টে এসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।

এ সময় বিক্ষোভকারীদের ‘আমার ভাই আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের বিচার, করতে হবে-করতে হবে’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘আমার ভাই মার খায়, প্রশাসন ঘুমায়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

জিরো পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রশাসনের প্রতি ৪ দফা দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। দাবিগুলো হলো- ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা চৌকি বসানো, সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা ও হানিফ গংকে গ্রেফতার করা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাহিত্য সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, গতকালের ঘটনায় আমাদের অর্ধশতাধিক ভাই আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ৩০ জনের ওপরে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন গুরুতর আহত। আমরা রাতের মধ্যে আমাদের বোনের গায়ে হাত তোলা দারোয়ানকে গ্রেফতারের দাবি জানাই। কিন্তু প্রশাসন তা করতে পারেনি। আজকের দিনের মধ্যে আমরা আমাদের ওপর আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

শাখা শিবিরের প্রচার সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া বলেন, রাতের ঘটনায় আমাদের প্রথম প্রায়োরিটি হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা। কিন্তু আমরা দেখেছি প্রশাসন তা নিশ্চিত করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। গতকালের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি হাটহাজারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দায়ী করবো। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।

গত মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এক নারী শিক্ষার্থী রাতের বেলায় দেরি করে তার বাসায় প্রবেশ করলে তাকে মারধর করে বাসার দারোয়ান। এর জেরে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে সংঘর্ষ হয়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কঠিন বিপদে বাংলাদেশ

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:১৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

মধ্যরাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী মোড়ে এ কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি। এরপর জিরো পয়েন্টে এসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।

এ সময় বিক্ষোভকারীদের ‘আমার ভাই আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সন্ত্রাসীদের বিচার, করতে হবে-করতে হবে’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘আমার ভাই মার খায়, প্রশাসন ঘুমায়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

জিরো পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রশাসনের প্রতি ৪ দফা দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। দাবিগুলো হলো- ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশদ্বারে নিরাপত্তা চৌকি বসানো, সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস সিসিটিভির আওতায় আনা ও হানিফ গংকে গ্রেফতার করা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাহিত্য সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, গতকালের ঘটনায় আমাদের অর্ধশতাধিক ভাই আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ৩০ জনের ওপরে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ৬ জন গুরুতর আহত। আমরা রাতের মধ্যে আমাদের বোনের গায়ে হাত তোলা দারোয়ানকে গ্রেফতারের দাবি জানাই। কিন্তু প্রশাসন তা করতে পারেনি। আজকের দিনের মধ্যে আমরা আমাদের ওপর আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

শাখা শিবিরের প্রচার সম্পাদক ইসহাক ভূঁইয়া বলেন, রাতের ঘটনায় আমাদের প্রথম প্রায়োরিটি হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা। কিন্তু আমরা দেখেছি প্রশাসন তা নিশ্চিত করতে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। গতকালের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি হাটহাজারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দায়ী করবো। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।

গত মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এক নারী শিক্ষার্থী রাতের বেলায় দেরি করে তার বাসায় প্রবেশ করলে তাকে মারধর করে বাসার দারোয়ান। এর জেরে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে সংঘর্ষ হয়।