ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন ‘জি এম তো নাই’ হেসে বললেন স্পিকার, বাতিল হলো প্রশ্ন সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ১ লাখ ৪২ হাজার ভারতীয় ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার-১২ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চায় দুদক শাবনূরকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন সালমান শাহর বাবা মনোহরগঞ্জে ভাতের হোটেল থেকে ইয়াবাসহ ২জন আটক
এম সাখাওয়াত হোসেন

নদী-পরিবেশ দূষণকারী হোটেলকে শুধু জরিমানা নয় বন্ধও করে দেওয়া উচিত

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘নদী পরিবেশের প্রাণ। পরিবেশ বাঁচাতে হলে নদীর দখল ও দূষণমুক্ত করতে হবে। কক্সবাজারে যেসব হোটেলের নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই, তারা নদী দূষণ করছে। সেটা প্রমাণ পেলে শুধু ফাইন করা হয়।’

শনিবার (৩০ আগস্ট) কক্সবাজার সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক বাঁকখালী নদী দখলমুক্তকরণের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমেদসহ জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর দখলদারদের সমন্বিত তালিকা তৈরি করে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হবে। গত ২৪ আগস্ট কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে নদীটি আগামী ছয়মাসের মধ্যে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা ও সে মোতাবেক ব্যবস্থাপনা নেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু সৈকতের বালুচর নয়, বাঁকখালী নদীও পর্যটনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠবে এমন পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দেশের বৃহত্তর জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার মাঝামাঝি এ স্থান ঘিরে পরিকল্পনায় এগুনো গেলে পর্যটনের অন্যতম স্পট করা সম্ভব।’

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর

এম সাখাওয়াত হোসেন

নদী-পরিবেশ দূষণকারী হোটেলকে শুধু জরিমানা নয় বন্ধও করে দেওয়া উচিত

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘নদী পরিবেশের প্রাণ। পরিবেশ বাঁচাতে হলে নদীর দখল ও দূষণমুক্ত করতে হবে। কক্সবাজারে যেসব হোটেলের নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই, তারা নদী দূষণ করছে। সেটা প্রমাণ পেলে শুধু ফাইন করা হয়।’

শনিবার (৩০ আগস্ট) কক্সবাজার সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে হাইকোর্টের আদেশ মোতাবেক বাঁকখালী নদী দখলমুক্তকরণের লক্ষ্যে বিশেষ সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমেদসহ জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর দখলদারদের সমন্বিত তালিকা তৈরি করে উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হবে। গত ২৪ আগস্ট কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালীর সীমানায় থাকা সব দখলদারের তালিকা তৈরি করে আগামী চার মাসের মধ্যে উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে নদীটি আগামী ছয়মাসের মধ্যে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা ও সে মোতাবেক ব্যবস্থাপনা নেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘শুধু সৈকতের বালুচর নয়, বাঁকখালী নদীও পর্যটনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠবে এমন পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দেশের বৃহত্তর জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকার মাঝামাঝি এ স্থান ঘিরে পরিকল্পনায় এগুনো গেলে পর্যটনের অন্যতম স্পট করা সম্ভব।’