ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন ‘জি এম তো নাই’ হেসে বললেন স্পিকার, বাতিল হলো প্রশ্ন সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ১ লাখ ৪২ হাজার ভারতীয় ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার-১২ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের কাছে নথি চায় দুদক শাবনূরকে বিয়ে করা প্রসঙ্গে যা বলেছিলেন সালমান শাহর বাবা মনোহরগঞ্জে ভাতের হোটেল থেকে ইয়াবাসহ ২জন আটক

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি গনমুখী দল

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার উদ্যোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমীর আল্লামা সৈয়দ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর “রাজনৈতিক দর্শন” -শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-কে গনমুখী দল হিসেবে রূপ দিয়েছেন পীর সাহেব চরমোনাই রহ.। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতির স্বতন্ত্র গতিপথ সৃষ্টি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রহ. রাজনীতিকে রূহানিয়াতের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। কারণ তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন ক্ষমতার মোহ, টাকার বিনিময়ে নীতি-আদর্শের স্বস্তা বেচা-কেনা, দামানেউঠানো, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও বিভেদ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো রাজনীতিতে রূহানিয়াত না থাকা। আবার রাজনীতিতে জিহাদী চেতনা না থাকলে বিরাট একটি কাফেলাও অঙ্কুরে কিংবা মাঝপথে গতিধারা বন্ধ হয়ে যেত পারে। সেজন্য তিনি রাজনীতিতে রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনীতির শ্রেণী বিভাগে জাতিকে অনিশ্চিত গন্তব্যে ধাবিত হতে দেখে তিনি ইসলামী আন্দোলনকে গনমুখী দল হিসেবে রূপ দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করতেন, শুধুমাত্র শাসক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কোন জাতির কাঙ্খিত মুক্তি আসতে পারে না। শাসক ভালো কিন্তু শাসনতন্ত্র ভালো না, শাসনতন্ত্র ভালো কিন্তু শাসক ভালো না। এভাবে জাতির কল্যাণ আসতে পারে না। এজন্য তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলতেন “শুধু নেতা নয়; নীতিরও পরিবর্তন চাই”।
তিনি আরও বলেন, হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রহ.-ই প্রথম, যিনি বাংলাদেশে সমন্বিত রাজনীতির নতুন ধারা সূচনা করেন। সাধারণত যারা সুফীবাদী ইসলাম পালন করেন, তাঁরা রাজনীতিতে আসতে চায় না। আবার যারা রাজনৈতিক ইসলাম পালন করে তাঁরা আধ্যাতিকতা পলনে বেশি সচেষ্ট না। যারা সাধারণ রাজনীতি করে তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখায় না। তিনি এ দেশের ইসলামী রাজনীতির স্বতন্ত্র ধারা ও গতিপথ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তি ও সমাজ পরিবর্তনের রাজনীতিকে একত্রে করেছেন। কারণ তিনি মনে করতেন ব্যক্তি দ্বারা সমাজ প্রভাবিত হয় এবং সমাজ দ্বারা ব্যক্তি প্রভাবিত হয়। শিক্ষা ও তাসাউফ ছাড়া যেমন ব্যক্তি সংশোধন করা যায় না তেমনি ভাল রাজনীতি ছাড়া একটি সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন করা যায় না।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ সভাপতি এম এইচ মোস্তফা।
প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কে এম নাসির উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দাওয়াহ ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ডেমরা থানা শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ মনিরুস সালেহীন।
বার্তা প্রেরক

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি গনমুখী দল

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওতাধীন ডেমরা থানা শাখার উদ্যোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমীর আল্লামা সৈয়দ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর “রাজনৈতিক দর্শন” -শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-কে গনমুখী দল হিসেবে রূপ দিয়েছেন পীর সাহেব চরমোনাই রহ.। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ইসলামী রাজনীতির স্বতন্ত্র গতিপথ সৃষ্টি করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রহ. রাজনীতিকে রূহানিয়াতের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। কারণ তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন ক্ষমতার মোহ, টাকার বিনিময়ে নীতি-আদর্শের স্বস্তা বেচা-কেনা, দামানেউঠানো, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও বিভেদ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো রাজনীতিতে রূহানিয়াত না থাকা। আবার রাজনীতিতে জিহাদী চেতনা না থাকলে বিরাট একটি কাফেলাও অঙ্কুরে কিংবা মাঝপথে গতিধারা বন্ধ হয়ে যেত পারে। সেজন্য তিনি রাজনীতিতে রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী রাজনীতির শ্রেণী বিভাগে জাতিকে অনিশ্চিত গন্তব্যে ধাবিত হতে দেখে তিনি ইসলামী আন্দোলনকে গনমুখী দল হিসেবে রূপ দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করতেন, শুধুমাত্র শাসক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কোন জাতির কাঙ্খিত মুক্তি আসতে পারে না। শাসক ভালো কিন্তু শাসনতন্ত্র ভালো না, শাসনতন্ত্র ভালো কিন্তু শাসক ভালো না। এভাবে জাতির কল্যাণ আসতে পারে না। এজন্য তিনি দীপ্ত কণ্ঠে বলতেন “শুধু নেতা নয়; নীতিরও পরিবর্তন চাই”।
তিনি আরও বলেন, হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রহ.-ই প্রথম, যিনি বাংলাদেশে সমন্বিত রাজনীতির নতুন ধারা সূচনা করেন। সাধারণত যারা সুফীবাদী ইসলাম পালন করেন, তাঁরা রাজনীতিতে আসতে চায় না। আবার যারা রাজনৈতিক ইসলাম পালন করে তাঁরা আধ্যাতিকতা পলনে বেশি সচেষ্ট না। যারা সাধারণ রাজনীতি করে তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখায় না। তিনি এ দেশের ইসলামী রাজনীতির স্বতন্ত্র ধারা ও গতিপথ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তি ও সমাজ পরিবর্তনের রাজনীতিকে একত্রে করেছেন। কারণ তিনি মনে করতেন ব্যক্তি দ্বারা সমাজ প্রভাবিত হয় এবং সমাজ দ্বারা ব্যক্তি প্রভাবিত হয়। শিক্ষা ও তাসাউফ ছাড়া যেমন ব্যক্তি সংশোধন করা যায় না তেমনি ভাল রাজনীতি ছাড়া একটি সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন করা যায় না।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ সভাপতি এম এইচ মোস্তফা।
প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কে এম নাসির উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দাওয়াহ ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ডেমরা থানা শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ মনিরুস সালেহীন।
বার্তা প্রেরক