ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন  জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন

উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ, তিন কর্মচারীকে শোকজ

  • সিলেট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬১৫ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিন কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

এর আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক তরুণী। গত বৃহস্পতিবার ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে উপজেলা চেয়ারম্যানের আসনে বসে গানের সঙ্গে এক তরুণীকে ঠোঁট মিলিয়ে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী প্রবাসে চলে যান। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হলে প্রশাসকের দায়িত্ব পান গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এর পর থেকে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল। সেই কক্ষে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের কয়েজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা পরিষদে দুই তরুণী জন্মনিবন্ধনের কাজে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের তালাবদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করে টিকটক ভিডিওটি ধারণ করেন তাঁরা। ওই কক্ষের মূল দরজাটি তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের আরেকটি কক্ষ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা যায়।

উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও মিলটন চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, টিকটক ভিডিওটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে আজ তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান

উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ, তিন কর্মচারীকে শোকজ

আপডেট সময় ০৬:৪০:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণের অভিযোগে তিন কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেই সঙ্গে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

এর আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আসনে বসে টিকটক ভিডিও ধারণ করেন এক তরুণী। গত বৃহস্পতিবার ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে উপজেলা চেয়ারম্যানের আসনে বসে গানের সঙ্গে এক তরুণীকে ঠোঁট মিলিয়ে অভিনয় করতে দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মনজুর কাদির শাফি চৌধুরী প্রবাসে চলে যান। তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণ করা হলে প্রশাসকের দায়িত্ব পান গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এর পর থেকে কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল। সেই কক্ষে টিকটক ভিডিও ধারণের ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের কয়েজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলা পরিষদে দুই তরুণী জন্মনিবন্ধনের কাজে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের তালাবদ্ধ কক্ষে প্রবেশ করে টিকটক ভিডিওটি ধারণ করেন তাঁরা। ওই কক্ষের মূল দরজাটি তালাবদ্ধ থাকলেও পাশের আরেকটি কক্ষ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা যায়।

উপজেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেও চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও মিলটন চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, টিকটক ভিডিওটি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রধান করে আজ তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।