ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

সীমান্তে ইয়াবা পাচারে ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ অস্ত্র, দুই যুবকের ভিডিও ভাইরাল

হাতে মরণঘাতী অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবা পাচার ও প্রতিপক্ষের ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাসহ মাদক কারবারি সিন্ডিকেটে জড়িতদের নিয়ে আলাপ করছেন দুই যুবক।

২৬ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমনি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তির হাতে এক নলা অত্যাধুনিক বন্দুক, অপর ব্যক্তির হাতে শর্টগান।

৪৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তি অপরজনকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলছেন, ‘আমাদের এখানে আনা হয়েছে। (নাফ নদীর জলসীমা) খালে যা জিনিস (ইয়াবা) পাব সব ছিনিয়ে নেব আর না হলে গুলি করব।’

স্থানীয় সূত্র বলছে, সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তির নাম রমজান আলী (৩৮), তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে। অপর ব্যক্তির নাম জানা না গেলেও সূত্রের দাবি তিনি রোহিঙ্গা যুবক।

ভিডিওতে নিজের সিন্ডিকেটের বেশ কয়েক জন সদস্যের নাম বলেছেন রমজান। তারা হলেন, সিন্ডিকেটের মূলহোতা পালংখালীর ৯নং ওয়ার্ডের বাইট্টার ছেলে ছৈয়দুল বশর প্রকাশ ছিছি বশর, একই এলাকার ছৈয়দ আকবরের ছেলে আবুল বশর প্রকাশ বুশু, আবুল কাশেম বলির ছেলে মোস্তাক আহমেদ ও স্থানীয় যুবক আবদুল আহাদ।

উখিয়া থানা পুলিশের তথ্য বলছে এসব ব্যক্তিদের অধিকাংশই মাদক কারবারে জড়িত এবং থানায় মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ভিডিও প্রসঙ্গে অনুসন্ধান করতে গিয়ে আব্দুল হামিদ নামে অপর এক তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির নাম পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, হামিদ এলাকায় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। কয়েকদিন আগে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা হামিদের ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা তার প্রতিপক্ষ অপর এক মাদক পাচার চক্র ছিনিয়ে নেয়। পরে হামিদ এ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে ‘ধরে’ এই ভিডিও প্রচার করে বলে শুনেছি।

কয়েক দিন ধরে, উখিয়ার মিয়ানমার সংলগ্ন নাফনদীর কাটাখাল জলসীমা লাগোয়া পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী, ধামনখালী, আঞ্জুমানপাড়া, রহমতেরবিলসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ইয়াবা পাচার বেড়েছে। গত ১৪ আগস্ট রাতে কাটাখাল সীমান্তে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবির উখিয়া ব্যাটেলিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

২৬টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে সীমান্তবর্তী উপজেলা উখিয়ায়, যেখানে বাস করে কমপক্ষে ৯ লক্ষাধিক মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া রোহিঙ্গা।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্প এলাকায় হত্যা, অপহরণ, মাদক পাচার, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘নতুন কৌশল’ গ্রহণ করেছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এসব নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ দমনে সমন্বিতভাবে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন পরিস্থিতিতে শংকিত স্থানীয়রা চূড়ান্ত প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা নিয়ন্ত্রণের দাবি করে আসছেন।

স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোসাইন বলেন, নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভিডিওতে দেখা যাওয়া ব্যক্তিদের সহ সীমান্ত কেন্দ্রিক মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে তৎপরতার কথা জানিয়েছে বিজিবি।

উখিয়া ব্যাটেলিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, চোরাচালান, মাদক কিংবা অবৈধ অস্ত্র-কোনো কিছুই সীমান্তে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিজিবি কঠোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে গত ২০ জুলাই থেকে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কাজ করছে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত ‘মাদক বিরোধী’ টাস্কফোর্স।

টাস্কফোর্সের সদস্যসচিব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ পরিচালক সোমেন মন্ডল বলেন, সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে টাস্কফোর্স মাদক পাচারকারীদের অবৈধ সাপ্লাই চেইন ধ্বংস করতে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গত ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে এই টাস্কফোর্স ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবা, ২ কেজি ৫৮৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ১৪৯২.৫ লিটার বাংলা মদ, ৭৩৫ ক্যান বিয়ার এবং ৩৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বলে জানান তিনি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সীমান্তে ইয়াবা পাচারে ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ অস্ত্র, দুই যুবকের ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ০১:০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

হাতে মরণঘাতী অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবা পাচার ও প্রতিপক্ষের ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাসহ মাদক কারবারি সিন্ডিকেটে জড়িতদের নিয়ে আলাপ করছেন দুই যুবক।

২৬ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমনি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তির হাতে এক নলা অত্যাধুনিক বন্দুক, অপর ব্যক্তির হাতে শর্টগান।

৪৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তি অপরজনকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলছেন, ‘আমাদের এখানে আনা হয়েছে। (নাফ নদীর জলসীমা) খালে যা জিনিস (ইয়াবা) পাব সব ছিনিয়ে নেব আর না হলে গুলি করব।’

স্থানীয় সূত্র বলছে, সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তির নাম রমজান আলী (৩৮), তিনি উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে। অপর ব্যক্তির নাম জানা না গেলেও সূত্রের দাবি তিনি রোহিঙ্গা যুবক।

ভিডিওতে নিজের সিন্ডিকেটের বেশ কয়েক জন সদস্যের নাম বলেছেন রমজান। তারা হলেন, সিন্ডিকেটের মূলহোতা পালংখালীর ৯নং ওয়ার্ডের বাইট্টার ছেলে ছৈয়দুল বশর প্রকাশ ছিছি বশর, একই এলাকার ছৈয়দ আকবরের ছেলে আবুল বশর প্রকাশ বুশু, আবুল কাশেম বলির ছেলে মোস্তাক আহমেদ ও স্থানীয় যুবক আবদুল আহাদ।

উখিয়া থানা পুলিশের তথ্য বলছে এসব ব্যক্তিদের অধিকাংশই মাদক কারবারে জড়িত এবং থানায় মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ভিডিও প্রসঙ্গে অনুসন্ধান করতে গিয়ে আব্দুল হামিদ নামে অপর এক তালিকাভুক্ত মাদক কারবারির নাম পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক সাংবাদিক বলেন, হামিদ এলাকায় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। কয়েকদিন আগে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা হামিদের ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা তার প্রতিপক্ষ অপর এক মাদক পাচার চক্র ছিনিয়ে নেয়। পরে হামিদ এ ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে ‘ধরে’ এই ভিডিও প্রচার করে বলে শুনেছি।

কয়েক দিন ধরে, উখিয়ার মিয়ানমার সংলগ্ন নাফনদীর কাটাখাল জলসীমা লাগোয়া পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী, ধামনখালী, আঞ্জুমানপাড়া, রহমতেরবিলসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ইয়াবা পাচার বেড়েছে। গত ১৪ আগস্ট রাতে কাটাখাল সীমান্তে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে বিজিবির উখিয়া ব্যাটেলিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

২৬টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে সীমান্তবর্তী উপজেলা উখিয়ায়, যেখানে বাস করে কমপক্ষে ৯ লক্ষাধিক মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া রোহিঙ্গা।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্প এলাকায় হত্যা, অপহরণ, মাদক পাচার, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘নতুন কৌশল’ গ্রহণ করেছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এসব নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপরাধ দমনে সমন্বিতভাবে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমন পরিস্থিতিতে শংকিত স্থানীয়রা চূড়ান্ত প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা নিয়ন্ত্রণের দাবি করে আসছেন।

স্থানীয় অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোসাইন বলেন, নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের অবাধ চলাচল বন্ধে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

ভিডিওতে দেখা যাওয়া ব্যক্তিদের সহ সীমান্ত কেন্দ্রিক মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে তৎপরতার কথা জানিয়েছে বিজিবি।

উখিয়া ব্যাটেলিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, চোরাচালান, মাদক কিংবা অবৈধ অস্ত্র-কোনো কিছুই সীমান্তে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিজিবি কঠোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে গত ২০ জুলাই থেকে কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কাজ করছে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত ‘মাদক বিরোধী’ টাস্কফোর্স।

টাস্কফোর্সের সদস্যসচিব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ পরিচালক সোমেন মন্ডল বলেন, সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে টাস্কফোর্স মাদক পাচারকারীদের অবৈধ সাপ্লাই চেইন ধ্বংস করতে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গত ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে এই টাস্কফোর্স ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবা, ২ কেজি ৫৮৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ১৪৯২.৫ লিটার বাংলা মদ, ৭৩৫ ক্যান বিয়ার এবং ৩৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বলে জানান তিনি।