ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

নওগাঁয় চালককে হত্যা, পাঁচজনের যাবজ্জীবন

নওগাঁয় ভজন দেবনাথ সজল নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালত এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মো. কায়সারুল ইসলাম এ রায় দেন। রায়ের সময় ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত এবং একজন পলাতক ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মুনছুর আলী দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার আরজি-নওগাঁ মন্ডলপাড়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে জুয়েল ওরফে জাহের আলী (পলাতক), উত্তরপাড়া পবা মসজিদ এলাকার হাসান মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া, বেদারুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম, চকপ্রসাদ মাদ্রাসাপাড়া এলাকার আ. সাত্তারের ছেলে রতন মন্ডল এবং বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার খানপুর এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে আব্দুর রশিদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভজন দেবনাথ সজল একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার নিজের অটোরিকশাটি নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় ভাড়ায় চালানোর জন্য নিজ বাড়ি হতে বাইরে যায়। তারপর ওই রাত্রিতে সে আর বাড়িতে ফিরে আসে না। পরে স্বজনরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায় না।

পরের দিন ১৭ নভেম্বর সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি গোটার বিলে পাকা রাস্তা সংলগ্ন কাঁদা পানিতে কচুরি পানার মধ্যে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার বাবা ভূপেনন্দ্রাথ দেবনাথ বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ মামলায় ১৩ জন সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নওগাঁয় চালককে হত্যা, পাঁচজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৪:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

নওগাঁয় ভজন দেবনাথ সজল নামে এক অটোরিকশা চালককে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালত এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মো. কায়সারুল ইসলাম এ রায় দেন। রায়ের সময় ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত এবং একজন পলাতক ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মুনছুর আলী দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার আরজি-নওগাঁ মন্ডলপাড়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে জুয়েল ওরফে জাহের আলী (পলাতক), উত্তরপাড়া পবা মসজিদ এলাকার হাসান মিয়ার ছেলে সুরুজ মিয়া, বেদারুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম, চকপ্রসাদ মাদ্রাসাপাড়া এলাকার আ. সাত্তারের ছেলে রতন মন্ডল এবং বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার খানপুর এলাকার মৃত শাহজাহানের ছেলে আব্দুর রশিদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভজন দেবনাথ সজল একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার নিজের অটোরিকশাটি নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় ভাড়ায় চালানোর জন্য নিজ বাড়ি হতে বাইরে যায়। তারপর ওই রাত্রিতে সে আর বাড়িতে ফিরে আসে না। পরে স্বজনরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায় না।

পরের দিন ১৭ নভেম্বর সকালে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি গোটার বিলে পাকা রাস্তা সংলগ্ন কাঁদা পানিতে কচুরি পানার মধ্যে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার বাবা ভূপেনন্দ্রাথ দেবনাথ বাদী হয়ে নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ মামলায় ১৩ জন সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।