ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় হোতাসহ গ্রেপ্তার ৭

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় হোতাসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- মো. সোহাগ মন্ডল, মিন্টু, মোশাররফ, জসিম, আমিনুল, আনোয়ার, ময়নাল।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত ১৮ আগস্ট ভোর রাতে ঘাটাইলের চকপাকুটিয়ার স্বর্ণকার অমল বণিকের বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অমল বণিকের মা কৃষ্ণা রাণীকে ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা, সোনা, রূপা, পিতলের প্রতিমা ও মোবাইল ফোন সেটসহ ছয় লাখ টাকার মালামাল লুট করে। ডাকাতির সময় অমল বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে ‍কুপিয়ে আহত করে। এলাকার লোকজন অমলের ডাক চিৎকারে টের পেলে ডাকাতরা আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, অমর বণিক বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করলে ২৪ আগস্ট রাতে কালিয়াকৈরের সফিপুর থেকে ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মো. সোহাগ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোতা মিন্টুকে মঙ্গলবার নেত্রকোনার কেন্দুয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, মিন্টুর তথ্যের ভিত্তিতে অন্য পাঁচ আসামিদের গাজীপুর কোনাবাড়ি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং লুণ্ঠিত মালামাল সোনা ও রুপা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার সাত আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল, ৫ রত্তি সোনা ও ৩৪ ভরি রূপা উদ্ধার করা হয়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় হোতাসহ গ্রেপ্তার ৭

আপডেট সময় ০৪:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্বর্ণকারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় হোতাসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- মো. সোহাগ মন্ডল, মিন্টু, মোশাররফ, জসিম, আমিনুল, আনোয়ার, ময়নাল।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত ১৮ আগস্ট ভোর রাতে ঘাটাইলের চকপাকুটিয়ার স্বর্ণকার অমল বণিকের বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অমল বণিকের মা কৃষ্ণা রাণীকে ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা, সোনা, রূপা, পিতলের প্রতিমা ও মোবাইল ফোন সেটসহ ছয় লাখ টাকার মালামাল লুট করে। ডাকাতির সময় অমল বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে ‍কুপিয়ে আহত করে। এলাকার লোকজন অমলের ডাক চিৎকারে টের পেলে ডাকাতরা আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, অমর বণিক বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করলে ২৪ আগস্ট রাতে কালিয়াকৈরের সফিপুর থেকে ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মো. সোহাগ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। পরে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়। পরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোতা মিন্টুকে মঙ্গলবার নেত্রকোনার কেন্দুয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সুপার বলেন, মিন্টুর তথ্যের ভিত্তিতে অন্য পাঁচ আসামিদের গাজীপুর কোনাবাড়ি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং লুণ্ঠিত মালামাল সোনা ও রুপা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার সাত আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল, ৫ রত্তি সোনা ও ৩৪ ভরি রূপা উদ্ধার করা হয়।