ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ জাল পুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

বুড়িরবাধ এলাকায় প্রায় ৬ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ৭০টি অবৈধ চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন। পরে জব্দকৃত জালগুলো মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।

শনিবার (২৩ আগস্ট) ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বুড়িরবাধ এলাকার বিভিন্ন স্থানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদী থেকে অবৈধ চায়না রিং জাল জব্দ করার পাশাপাশি নদীর আশে পাশের বিভিন্ন স্থান থেকেও এসব অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জালগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়।

অভিযানে ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সারোয়ারে আলম খান প্রমূখ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, রিং জাল কিনবা কারেন্ট জাল সবরকম মাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জালে বিশেষত দেশীয় ছোটমাছ ও মাছের পোনা সহজেই আটকা পড়ে এবং অনেক মাছ ও পোনা মারা যায়। এগুলো আমাদের মাছের জন্য অনেক ক্ষতিকর।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর থেকেই বুড়িরবাধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদীতে এবং নদীর আশে পাশে পাতানো মাছ ধরার নিষিদ্ধ ৭০টি জাল জব্দ করা হয়। আগেই টের পেয়ে জাল মালিকেরা পালিয়ে যায়। পরে জব্দকৃত জালগুলো মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পুলিশ, মেম্বার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এছারাও এসব জাল তৈরি, ক্রয় বিক্রয়, গুদাম ও বাজারজাতকরনে আমাদের নজরদারি সোচ্চার রয়েছে। এর আগে, সদর উপজেলার বেষ কয়েকটি গুদামে আমরা অভিজান পরিচালনা করেছি এবং আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ জাল পুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

বুড়িরবাধ এলাকায় প্রায় ৬ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে ৭০টি অবৈধ চায়না রিং জাল ও কারেন্ট জাল জব্দ করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন। পরে জব্দকৃত জালগুলো মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।

শনিবার (২৩ আগস্ট) ভোর থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বুড়িরবাধ এলাকার বিভিন্ন স্থানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নদী থেকে অবৈধ চায়না রিং জাল জব্দ করার পাশাপাশি নদীর আশে পাশের বিভিন্ন স্থান থেকেও এসব অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জালগুলো পুড়িয়ে দেয়া হয়।

অভিযানে ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ, সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সারোয়ারে আলম খান প্রমূখ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, রিং জাল কিনবা কারেন্ট জাল সবরকম মাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জালে বিশেষত দেশীয় ছোটমাছ ও মাছের পোনা সহজেই আটকা পড়ে এবং অনেক মাছ ও পোনা মারা যায়। এগুলো আমাদের মাছের জন্য অনেক ক্ষতিকর।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাইরুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর থেকেই বুড়িরবাধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদীতে এবং নদীর আশে পাশে পাতানো মাছ ধরার নিষিদ্ধ ৭০টি জাল জব্দ করা হয়। আগেই টের পেয়ে জাল মালিকেরা পালিয়ে যায়। পরে জব্দকৃত জালগুলো মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পুলিশ, মেম্বার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এছারাও এসব জাল তৈরি, ক্রয় বিক্রয়, গুদাম ও বাজারজাতকরনে আমাদের নজরদারি সোচ্চার রয়েছে। এর আগে, সদর উপজেলার বেষ কয়েকটি গুদামে আমরা অভিজান পরিচালনা করেছি এবং আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।