ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

এক দশক পর কারামুক্ত ফারাবী

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর অবশেষে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী লেখক ও ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবী। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার সময় তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। । তিনি জানান, জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছলে তা যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, হাইকোর্টের বিচারপতি বেঞ্চ শফিউর রহমান ফারাবীর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী এসএম শাহজাহান এবং মুহাম্মাদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান। তাদের বক্তব্য ছিল, চলতি মামলার চার আসামির স্বীকারোক্তি শফিউরের বিরুদ্ধে নেই, কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী তার নাম উল্লেখ করেননি এবং নিজে কোনো স্বীকারোক্তি দেননি। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

এরপর চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের জামিন স্থগিতের আবেদনের শুনানি শেষে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন। ফলে হাইকোর্টের আগের জামিন আদেশ বহাল থাকে। উল্লেখ, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণ থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় অভিজিৎকে। হামলায় অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদও গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এই মামলায় ২৮ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

এই মামলায় ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রায় দেন। রায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক আসামিকে (শফিউর রহমান ফারাবী) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরই হাইকোর্টে আপিল করেন ফারাবী।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

এক দশক পর কারামুক্ত ফারাবী

আপডেট সময় ০৫:০৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর অবশেষে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী লেখক ও ব্লগার শফিউর রহমান ফারাবী। শুক্রবার (২২ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার সময় তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। । তিনি জানান, জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছলে তা যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় মুক্তি দেওয়া হয়।

জানা গেছে, হাইকোর্টের বিচারপতি বেঞ্চ শফিউর রহমান ফারাবীর জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে তার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী এসএম শাহজাহান এবং মুহাম্মাদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান। তাদের বক্তব্য ছিল, চলতি মামলার চার আসামির স্বীকারোক্তি শফিউরের বিরুদ্ধে নেই, কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী তার নাম উল্লেখ করেননি এবং নিজে কোনো স্বীকারোক্তি দেননি। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

এরপর চেম্বার আদালত রাষ্ট্রপক্ষের জামিন স্থগিতের আবেদনের শুনানি শেষে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন। ফলে হাইকোর্টের আগের জামিন আদেশ বহাল থাকে। উল্লেখ, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণ থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় অভিজিৎকে। হামলায় অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদও গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এই মামলায় ২৮ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

এই মামলায় ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান রায় দেন। রায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং এক আসামিকে (শফিউর রহমান ফারাবী) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরই হাইকোর্টে আপিল করেন ফারাবী।