চট্টগ্রামে আলোচিত-সমালোচিত আকবর শাহ থানার অলিখিত ক্যাশিয়ার ওলি ওরফে চাঁদাবাজ অলি সাম্প্রতিক সময়ে নানা গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছেন। থানার বর্তমান ওসি আরিফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই অলি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসলেও এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন।
বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় চাঁদাবাজ অলির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হলেও আকবর শাহ থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক মহল। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, অলিকে আড়াল করছেন কিনা থানা পুলিশ কিংবা ওসি মহোদয় স্বয়ং।
এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিজান উল্লাহ সমরকন্দী বৃহস্পতিবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে কঠোর বক্তব্য দেন। তিনি বলেন—
“আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্যাশিয়ার অলিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অলির গ্রেপ্তার নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। তাই দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্যাশিয়ার অলির বিষয়টি তারা অবগত আছেন এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ মনে করছেন, যদি আকবর শাহ থানা পুলিশ অলিকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়, তাহলে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, মাত্র আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে ‘থানার ক্যাশিয়ার’ বনে যাওয়া অলি একসময় রেলস্টেশনের টোকাই ছিলেন। আজ তিনি চাঁদাবাজির মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। ফলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুলছেন— কার ছত্রছায়ায় এতদিন অলি আইনের বাইরে রয়ে গেছেন?
নিজস্ব প্রতিবেদক: 























