ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

ক্যাশিয়ার অলির গ্রেপ্তারের দাবিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিজান উল্লাহর ফেসবুক লাইভে

চট্টগ্রামে আলোচিত-সমালোচিত আকবর শাহ থানার অলিখিত ক্যাশিয়ার ওলি ওরফে চাঁদাবাজ অলি সাম্প্রতিক সময়ে নানা গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছেন। থানার বর্তমান ওসি আরিফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই অলি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসলেও এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন।

বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় চাঁদাবাজ অলির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হলেও আকবর শাহ থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক মহল। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, অলিকে আড়াল করছেন কিনা থানা পুলিশ কিংবা ওসি মহোদয় স্বয়ং।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিজান উল্লাহ সমরকন্দী বৃহস্পতিবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে কঠোর বক্তব্য দেন। তিনি বলেন—
“আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্যাশিয়ার অলিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অলির গ্রেপ্তার নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। তাই দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্যাশিয়ার অলির বিষয়টি তারা অবগত আছেন এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ মনে করছেন, যদি আকবর শাহ থানা পুলিশ অলিকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়, তাহলে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, মাত্র আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে ‘থানার ক্যাশিয়ার’ বনে যাওয়া অলি একসময় রেলস্টেশনের টোকাই ছিলেন। আজ তিনি চাঁদাবাজির মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। ফলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুলছেন— কার ছত্রছায়ায় এতদিন অলি আইনের বাইরে রয়ে গেছেন?

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

ক্যাশিয়ার অলির গ্রেপ্তারের দাবিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিজান উল্লাহর ফেসবুক লাইভে

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামে আলোচিত-সমালোচিত আকবর শাহ থানার অলিখিত ক্যাশিয়ার ওলি ওরফে চাঁদাবাজ অলি সাম্প্রতিক সময়ে নানা গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছেন। থানার বর্তমান ওসি আরিফুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই অলি দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসলেও এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন।

বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় চাঁদাবাজ অলির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশিত হলেও আকবর শাহ থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক মহল। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, অলিকে আড়াল করছেন কিনা থানা পুলিশ কিংবা ওসি মহোদয় স্বয়ং।

এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি মিজান উল্লাহ সমরকন্দী বৃহস্পতিবার বিকালে ফেসবুক লাইভে এসে কঠোর বক্তব্য দেন। তিনি বলেন—
“আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্যাশিয়ার অলিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো। চট্টগ্রাম সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অলির গ্রেপ্তার নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ চরমে উঠেছে। তাই দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ক্যাশিয়ার অলির বিষয়টি তারা অবগত আছেন এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ মনে করছেন, যদি আকবর শাহ থানা পুলিশ অলিকে গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়, তাহলে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, মাত্র আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে ‘থানার ক্যাশিয়ার’ বনে যাওয়া অলি একসময় রেলস্টেশনের টোকাই ছিলেন। আজ তিনি চাঁদাবাজির মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন। ফলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুলছেন— কার ছত্রছায়ায় এতদিন অলি আইনের বাইরে রয়ে গেছেন?