সংবাদ শিরোনাম ::
‎ সুন্দরবনে অস্ত্র-গুলিসহ জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক তালাক ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে, কাজীর ভূমিকা ও ফৌজদারি অভিযোগ যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা? কুমিল্লা মহাসড়কে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর: ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ পলাশে গাঁজার গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার  পুলিশ সুপারের কালিয়াকৈর থানা বার্ষিক পরিদর্শন প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বরগুনায় অনুষ্ঠিত হলো ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ বৃক্ষরোপণ করে বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের বনবিভাগের মালি বাউন্ডারি শহিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা সম্পাদক পদে প্রার্থী তাওহীদুল ইসলাম

আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাওহীদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে আসা এই শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে এক অনন্য আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন।

২০২০ সাল থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি আইটি সোসাইটির সভাপতি ও অন্যতম এডমিন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গড়ে তোলা “মেধামিল” প্রজেক্টের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং এখন এককভাবে এর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

“মেধামিল” প্রকল্পের মাধ্যমে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য মিলের ব্যবস্থা করে আসছেন তাওহীদ। ইতিমধ্যেই প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী এ উদ্যোগ থেকে উপকৃত হয়েছেন। এলামনাইদের সহযোগিতায় গড়ে ওঠা এই কার্যক্রমে প্রতি মাসে ১৫-২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রকল্পের উপকারভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা হয় এবং প্রাপ্ত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নিয়মিতভাবে সহযোগীদের কাছে তুলে ধরা হয়।

শুধু খাদ্য সহায়তাই নয়, ভর্তি কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা খরচ, চাকরির বই কেনা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা প্রদান— গত চার বছর ধরে বিভিন্ন সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকেছেন তাওহীদ। তার উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কাছে ভরসার আরেক নাম হয়ে উঠেছে।

ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেখানে অনেকেই হঠাৎ সেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সেখানে তাওহীদ আগেই নিজেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন। তার গড়ে তোলা নেটওয়ার্ক এখনও তার ওপর আস্থা রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

নির্বাচন নিয়ে তাওহীদ সমর্থকদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে তিনি আরো বৃহৎ পরিসরে কাঠামোর ভেতর থেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতে পারবেন। তবে তিনি নির্বাচিত না হলেও পূর্বের মতোই নিজের উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

তাওহীদুল ইসলামের নিজ জেলা সংগঠন, হল, বিভাগ, আইটি সোসাইটি, বাঁধন ও স্কাউটসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীরা তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমাজসেবা সম্পাদক পদে তাওহীদুল ইসলামের প্রার্থিতা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও আস্থার জায়গা তৈরি করবে।

তাওহিদুল ইসলাম বলেন তিনি নির্বাচিত হতে পারলে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী সমাধান নিয়ে আসবে যাতে করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জীবনে অর্থের চিন্তা করতে না হয়। যাতে করে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় সঠিক ভাবে মনোনিবেশ করতে পারে। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে তিনি বিশেষ পদক্ষেপ নিবেন যাতে করে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ক্যাম্পাসে চলাচল ও বসবাস করতে পারে। সকলের মতামত নিয়ে ক্যাম্পাসের সকল সমাজসেবা মূলক কাজ এগিয়ে নেতি চান তাওহিদুল ইসলাম।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ সুন্দরবনে অস্ত্র-গুলিসহ জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা সম্পাদক পদে প্রার্থী তাওহীদুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে সমাজসেবা সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাওহীদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে আসা এই শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে এক অনন্য আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন।

২০২০ সাল থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদের মডারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তিনি আইটি সোসাইটির সভাপতি ও অন্যতম এডমিন। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গড়ে তোলা “মেধামিল” প্রজেক্টের অন্যতম উদ্যোক্তা এবং এখন এককভাবে এর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

“মেধামিল” প্রকল্পের মাধ্যমে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য মিলের ব্যবস্থা করে আসছেন তাওহীদ। ইতিমধ্যেই প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী এ উদ্যোগ থেকে উপকৃত হয়েছেন। এলামনাইদের সহযোগিতায় গড়ে ওঠা এই কার্যক্রমে প্রতি মাসে ১৫-২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রকল্পের উপকারভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা হয় এবং প্রাপ্ত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব নিয়মিতভাবে সহযোগীদের কাছে তুলে ধরা হয়।

শুধু খাদ্য সহায়তাই নয়, ভর্তি কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা খরচ, চাকরির বই কেনা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা প্রদান— গত চার বছর ধরে বিভিন্ন সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকেছেন তাওহীদ। তার উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কাছে ভরসার আরেক নাম হয়ে উঠেছে।

ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেখানে অনেকেই হঠাৎ সেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সেখানে তাওহীদ আগেই নিজেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন। তার গড়ে তোলা নেটওয়ার্ক এখনও তার ওপর আস্থা রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

নির্বাচন নিয়ে তাওহীদ সমর্থকদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে তিনি আরো বৃহৎ পরিসরে কাঠামোর ভেতর থেকে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতে পারবেন। তবে তিনি নির্বাচিত না হলেও পূর্বের মতোই নিজের উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

তাওহীদুল ইসলামের নিজ জেলা সংগঠন, হল, বিভাগ, আইটি সোসাইটি, বাঁধন ও স্কাউটসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীরা তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমাজসেবা সম্পাদক পদে তাওহীদুল ইসলামের প্রার্থিতা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও আস্থার জায়গা তৈরি করবে।

তাওহিদুল ইসলাম বলেন তিনি নির্বাচিত হতে পারলে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী সমাধান নিয়ে আসবে যাতে করে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা জীবনে অর্থের চিন্তা করতে না হয়। যাতে করে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় সঠিক ভাবে মনোনিবেশ করতে পারে। এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে তিনি বিশেষ পদক্ষেপ নিবেন যাতে করে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ক্যাম্পাসে চলাচল ও বসবাস করতে পারে। সকলের মতামত নিয়ে ক্যাম্পাসের সকল সমাজসেবা মূলক কাজ এগিয়ে নেতি চান তাওহিদুল ইসলাম।