পটুয়াখালীতে জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের অফিস সহকারী পদে নিয়োগ প্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলমের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রাধানের যোগ্যতার আলোকে, অত্র প্রতিষ্ঠানের জনবল সংকটে, দুর দুরান্ত থেকে আসা প্রান্তিক খামারিদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে বিনা সার্থে সেবা প্রধান করা-কে কেন্দ্র করে ফেইসবুক পেইজে ভিডিও প্রকাশ করে হয়রানির অভিযোগ করেন জাহাঙ্গীর আলম।
এব্যপারে সরেজমিনে গিয়ে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি যানান, সিকদার ভেটেরিনারি মেডিসিন পয়েন্ট নামে একটি ঔষধের দোকান তাঁর শালির,সেই প্রতিষ্ঠান তার ছেলে পরিচালনা করে।
গত ১১ মে ২০২৬ ইং তারিখ ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন সুলতানা অভিযান পরিচালনা করে মৎস্য ও পশু খাদ্য আইন ২০১০ এর ১৪ এর ২ ধারায় ২০০০/- জরিমানা করেন। মৎস্য ও পশু খাদ্য আইন ২০১০ এর ১৪ এর ২ ধারায় যা আছে(মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্যে এন্টিবায়োটিক, গ্রোথ হরমোন, কীটনাশক, ইত্যাদি ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ১৪৷ (১) মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্যে এন্টিবায়োটিক, গ্রোথ হরমোন, স্টেরয়েড ও কীটনাশকসহ অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না৷ (২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করিলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে। অভিযান পরিচালনা শেষে ফেরদৌস শুভ নামে এক ব্যক্তি তাঁর ফোনে ধারন কৃত অভিযানের কিছু ফুটেজ নিয়ে, জাহাঙ্গী আলমের কাছে যায়, তখন তিনি জোহরের নামাজের জামায়াত শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে সিকদার ভেটেরিনারি মেডিসিন সেন্টারের সামনে দিয়ে অফিসে যাওয়ার সময় রাস্তার মধ্যে তাঁকে( দোকান সম্পর্কে) বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন করে এবং পরের দিন ১২/০৫/২৬ইং তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চ্যানেল পটুয়াখালী নামক ফেইসবুক পেইজে, জরিমানার মূল কারণ না লিখে মনগড়া ভাবে, বনানীর মোড়ে সরকারি ঔষধ বিক্রি করায় ম্যাজিস্ট্রেটের জরিমান এই শিরোনামে ভিডিও প্রকাশ করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
এ সময় জাহাঙ্গীর আলম বলেন মিথ্যা ও বানোয়াট ভিডিও প্রকাশে তাঁর মানহানি করা হয়েছে, এ বিষয় তাঁর পরিবারের লোকজন সহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা সাংবাদিক পরিচয়রত শুভ’র বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দেয়ার কথা বললেও বিষয়টি এরিয়ে যেতে তিনি সেটা করেন নি।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম আরো বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কেউ স্বরযন্ত্র করছেন, আগে বুঝতে পারেন নি। কারন উপরোক্ত ঘটনার কিছুদিন যেতে না যেতেই চ্যানেল পটুয়াখালী নামক ফেইসবুক পেইজে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যা ঘটনাটি সম্পূর্ণ রুপে পরিকল্পিত ভাবে সাজানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেদিন তাঁর বৃদ্ধ বাবা অসুস্থ হওয়ায় তিনি অফিস থেকে জরুরি মৌখিক ছুটির মাধ্যমে,তাঁর বাবার কাছে বরিশাল গেলে, তাঁর ছেলে জাহিদুলের গায়ে জ্বর থাকা অবস্থায় তার খালার ঔষধের দোকানে শুয়ে থাকায়,জেলা ভেটেনারি অফিস থেকে শাহিন নামে এক সহকর্মী গিয়ে জাহিদ কে ডেকে তাঁর বাবার রুমে বসতে বলে,জাহিদ গিয়ে তার বাবার অফিসের পাবলিক চেয়ারে বসে, বসানোর কিছুক্ষণ পরেই কয়েকজন লোক আসে এবং জাহিদ কে তোপের মুখে ফেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজে পুনরায় ভিডিও প্রকাশ করেন।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন-তাঁর ছেলেকে যে তাঁর সহকর্মী শাহিন ডেকে নিয়ে আসছে তাঁর যথেষ্ট সাক্ষী রয়েছে প্রমান রয়েছে। এসময় দোকানে থাকা কর্মচারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,দোকানের পিছনে থাকার জায়গা আছে,জাহিদ সেখানে ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন অফিস থেকে শাহিন নামের লোকটি এসে জরুরি প্রয়োজন বলে জাহিদ কে ডেকে নিয়ে যায়। এ বিষয় আরও তথ্য জানতে জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের সামনে থাকা দোকান্দারদেরকে প্রশ্ন করলে তাঁরা প্রত্যেকে বলেন জাহাঙ্গীর আলম একজন ভালো মানুষ তিনি সব সময় আমাদের উপকার করেন এবং বলেন তার মতো মানুষ এই অফিসে থাকা একান্ত জরুরি। তাকে যে কোন সময় ডাকলে পাওয়া যায় এবং তাকে ভালো মানুষ বলে সবাই গন্য করেন।
এছাড়াও তাঁরা আরো বলেন নিউজের বিষয়টি পরিকল্পিত ভাবে সাজানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই মানুষটির স্ব-পদে বহাল রাখার দাবি করছি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন – তার অনুপস্থিতিতে এমন ঘটনা যারা
রটিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানান ও তার মানহানি করার জন্য সরকারের কাছে এর বিচারের দাবি জানান একই সাথে যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজে যে মিথ্যা নিউজ প্রচার এর তীব্র নিন্দা জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
মোঃ মামুন হোসাইন-স্টাফ রিপোর্টার 



















