ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

জাজিরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুদকের অভিযান: ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূল প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছেন মাদারিপুর জেলার ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল দুদক।

ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এবং ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ্য টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট ) দুপুরের দিকে মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান শেষে কিছু প্রকল্পের নথিপত্র ও কিছু প্রকল্পের মালামালের নমুনা নিয়ে গেছে দুদকের দলটি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অসঙ্গতি পেয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মাদারীপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালানো হয়েছে। যে সব অভিযোগ ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে তার অনেকটাই আমরা দুর্নীতির সংগতি পেয়েছি। ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার যে উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ হয় নি।

প্রতিটি অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা সেগুলো এখন পরীক্ষা নিরীক্ষা করব। এরপর চূড়ান্ত রিপোর্ট কমিশনে পেশ করব।
তিনি আরও বলেন, কিছু অসঙ্গতি আমরা পেয়েছি। এর মধ্যে ১০১কোটি ৩৭ লক্ষ্য টাকার যে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল সে কাজ তেমন হয় নি, রান্নাঘরে অপরিষ্কার-নোংরা পরিবেশে রোগীদের খাবার রান্না করা হচ্ছে, রোগীদের তিন বেলা খাবার দেওয়ার কথা তারমধ্যে দুই বেলা খাবার দেয়া, রাতে খাবার না দেয়া, প্রাথমিকভাবে এটা আমাদের কাছে অনিয়ম বা দুর্নীতি মনে হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

জাজিরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় ০৩:২৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুদকের অভিযান: ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূল প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছেন মাদারিপুর জেলার ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল দুদক।

ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এবং ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ্য টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনিয়মের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট ) দুপুরের দিকে মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান শেষে কিছু প্রকল্পের নথিপত্র ও কিছু প্রকল্পের মালামালের নমুনা নিয়ে গেছে দুদকের দলটি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অসঙ্গতি পেয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মাদারীপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা জাজিরা উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালানো হয়েছে। যে সব অভিযোগ ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে তার অনেকটাই আমরা দুর্নীতির সংগতি পেয়েছি। ১০১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার যে উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রকৌশলী অধিদপ্তর থেকে বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ হয় নি।

প্রতিটি অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা সেগুলো এখন পরীক্ষা নিরীক্ষা করব। এরপর চূড়ান্ত রিপোর্ট কমিশনে পেশ করব।
তিনি আরও বলেন, কিছু অসঙ্গতি আমরা পেয়েছি। এর মধ্যে ১০১কোটি ৩৭ লক্ষ্য টাকার যে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল সে কাজ তেমন হয় নি, রান্নাঘরে অপরিষ্কার-নোংরা পরিবেশে রোগীদের খাবার রান্না করা হচ্ছে, রোগীদের তিন বেলা খাবার দেওয়ার কথা তারমধ্যে দুই বেলা খাবার দেয়া, রাতে খাবার না দেয়া, প্রাথমিকভাবে এটা আমাদের কাছে অনিয়ম বা দুর্নীতি মনে হচ্ছে।