ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা বই শিশুদের অনুপ্রাণিত করবে: ডা. জুবাইদা রহমান তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য দলের মতো বিএনপি নেতারা পালিয়ে যাননি : ত্রাণমন্ত্রী মক্কায় কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪ হাফেজকে জামায়াত আমিরের সংবর্ধনা আজিজ ফয়জুন্নেছা টাওয়ার নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ক্রিকেটারদের মন জয় করতে বড় পদক্ষেপ নিলেন তামিম কর ফাঁকির জরিমানায় লাগবে দালিলিক প্রমাণ : এনবিআর যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব : সংসদে প্রতিমন্ত্রী নুর কোটালীপাড়ায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার উদ্বোধন 

সমকামিতায় বাধ্য করার জেরে খুন হন রেদুয়ান, গ্রেফতার ১

সমকামিতার সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে ফরিদপুরে মো. রেদুয়ানকে (২৮) হত্যা করেন তারই ঘনিষ্ঠজন জহুরুল মুন্সী ওরফে সুলতান জহির (২৫)। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে বিলে ফেলে দেওয়া হয়।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ১৩ আগস্ট বিকেলে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রেদুয়ান। চারদিন পর ১৭ আগস্ট দুপুরে ফরিদপুরের ভাঙ্গার চারালদিয়া গ্রামের একটি বিলে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। নিহতের মা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে রোববার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে র‌্যাব-১০ এর একটি দল চারালদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে গ্রেফতার করে। অভিযানে তার বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, রক্তমাখা জামাকাপড়, মানিব্যাগ, স্যান্ডেল, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মাদারীপুরের শিবচর থেকে নিহত রেদুয়ানের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার জহির র‌্যাবকে জানান, রেদুয়ানের সঙ্গে পূর্বে তার সমকামিতার সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে রেদুয়ান বাধ্য করার চেষ্টা করেন। ১৩ আগস্ট বিকেলেও নিজ বাড়িতে সমকামিতার সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন রেদুয়ান। এতে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে চাকু দিয়ে আঘাত করে রেদুয়ানকে হত্যা করেন। পরে তিনি রেদুয়ানের মরদেহ বিলে ফেলে দেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুজ্জামান আরও বলেন, ঘটনার তিনদিন পর ১৬ আগস্ট রাতে মরদেহ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে গ্রেফতার জহির জিআই তার দিয়ে বালুর বস্তা বেঁধে আবারও বিলে ফেলে দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না সে বিষয়ে গ্রেফতার জহিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

সমকামিতায় বাধ্য করার জেরে খুন হন রেদুয়ান, গ্রেফতার ১

আপডেট সময় ০৫:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

সমকামিতার সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে ফরিদপুরে মো. রেদুয়ানকে (২৮) হত্যা করেন তারই ঘনিষ্ঠজন জহুরুল মুন্সী ওরফে সুলতান জহির (২৫)। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে বিলে ফেলে দেওয়া হয়।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ১৩ আগস্ট বিকেলে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন রেদুয়ান। চারদিন পর ১৭ আগস্ট দুপুরে ফরিদপুরের ভাঙ্গার চারালদিয়া গ্রামের একটি বিলে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। নিহতের মা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে রোববার (১৭ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে র‌্যাব-১০ এর একটি দল চারালদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে গ্রেফতার করে। অভিযানে তার বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, রক্তমাখা জামাকাপড়, মানিব্যাগ, স্যান্ডেল, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মাদারীপুরের শিবচর থেকে নিহত রেদুয়ানের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার জহির র‌্যাবকে জানান, রেদুয়ানের সঙ্গে পূর্বে তার সমকামিতার সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে রেদুয়ান বাধ্য করার চেষ্টা করেন। ১৩ আগস্ট বিকেলেও নিজ বাড়িতে সমকামিতার সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন রেদুয়ান। এতে জহির ক্ষিপ্ত হয়ে চাকু দিয়ে আঘাত করে রেদুয়ানকে হত্যা করেন। পরে তিনি রেদুয়ানের মরদেহ বিলে ফেলে দেন।

অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুজ্জামান আরও বলেন, ঘটনার তিনদিন পর ১৬ আগস্ট রাতে মরদেহ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে গ্রেফতার জহির জিআই তার দিয়ে বালুর বস্তা বেঁধে আবারও বিলে ফেলে দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না সে বিষয়ে গ্রেফতার জহিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।